০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

কংগ্রেসে ক্ষমতা হারিয়ে ‘খোঁড়া হাঁস’, ভিটো ক্ষমতা দিয়ে কতদূর যেতে পারবেন ট্রাম্প?

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর ডেমোক্র্যাটদের যে কোনও বিল আটকাতে এখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের একমাত্র ভরসা ভিটো ক্ষমতা। তবে ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা তদন্ত আর বাজেট অচলাবস্থায় পড়ে ট্রাম্প হতে পারেন কোণঠাসাও।

কংগ্রেসে ক্ষমতা হারিয়ে ‘খোঁড়া হাঁস’, ভিটো ক্ষমতা দিয়ে কতদূর যেতে পারবেন ট্রাম্প?

ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 05 Nov 2026, 01:11 AM

Updated : 05 Nov 2026, 01:11 AM

ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে হটিয়ে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। চার বছর মেয়াদের শেষ দুই বছরে এসে এই ফল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতায় এক বড় ধাক্কা।

আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে প্রশাসনের কাজকর্ম, সব ক্ষেত্রেই এবার বিরোধীদের জোর বাধার মুখে পড়তে হতে পারে তাকে।

রাজনৈতিক পরিভাষায় এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্টকে বলা হয় ‘লেম ডাক’ বা ‘খোঁড়া হাঁস’, নামে ক্ষমতায় থাকলেও আইনসভায় কাজের ক্ষেত্রে কার্যত হাত-পা বাঁধা।

তবে চরিত্রটি যেখানে ট্রাম্প, সেখানে বিষয়টি এতখানি সরল হবে না। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালেও প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার হাতে এখনও রয়েছে সাংবিধানিক বিপুল ক্ষমতা। সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে মেয়াদের শেষ দুই বছরে কী করতে পারেন তিনি?

ভিটো হতে পারে ট্রাম্পের প্রধান অস্ত্র:

কানসাস ও টেক্সাসের মতো কট্টর রিপাবলিকান ঘাঁটিগুলোতে বড় জয় পেয়ে বুধবার প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেট, উভয় কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছে ডেমোক্র্যাটরা। এর ফলে ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের পথ কার্যত রুদ্ধ হতে চলেছে।

বিগত দুই বছর আইনসভার দুই কক্ষেই নিজ দলের নিয়ন্ত্রণ থাকায় কোনও কার্যকর জবাবদিহিতা বা বাধার মুখে পড়তে হয়নি ট্রাম্পকে।

কিন্তু এবার ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রিত নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হবে ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি। তারপর ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের পছন্দমতো বিল আনতে পারবে।

কিন্তু সেই বিল প্রেসিডেন্টের কাছে গেলে তাতে ভেটো প্রয়োগ করার ক্ষমতা রয়েছে ট্রাম্পের। নির্বাচনের আগেই সেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন তিনি।

তার কথা অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের পাঠানো ‘পাগলামির প্রস্তাবে’ সই করবেন না তিনি। নির্বাচনের পরেও লাল টুপিতে ‘ভিটো’ লেখা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে পোস্ট করে ট্রাম্প বুঝিয়ে দিয়েছেন, খেলা এখনও শেষ হয়নি।

অর্থাৎ, ডেমোক্র্যাটদের হাতে আইন পাসের ক্ষমতা এলেও প্রেসিডেন্টের ভিটো বাতিল করতে হলে কংগ্রেসে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন হবে।

ফলে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে দুই শিবিরের সংঘাত যে আরও বাড়বে সেটি একরকম নিশ্চিত বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

গত রোববার নিউ ইয়র্ক পোস্টের ‘পড ফোর্স ওয়ান’ পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কোনও সমঝোতায় পৌঁছানোর আগে তিনি হয়ত টানা এক বা দুই মাস শুধু ভিটোই দিয়ে যাবেন।

ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় আমি এবার ‘মিস্টার ভিটো’ হতে যাচ্ছি। তারপর কোনও একপর্যায়ে হয়ত আমরা একটি সমঝোতায় পৌঁছাব।”

হোয়াইট হাউজ অবশ্য গত কয়েক মাস ধরেই কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

ফলে অভিবাসন, শুল্ক আরোপ, আবাসন ব্যয় ও কেন্দ্রীয় বাজেট বরাদ্দের মতো বিষয়গুলো ট্রাম্পের নির্বাহী ক্ষমতার মাধ্যমেই এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ খুঁজবে হোয়াইট হাউজ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইনডিপেনডেন্ট’এক বিশ্লেষণে কংগ্রেস হারানোর পর ট্রাম্পের ক্ষমতার পরিধি এবং সীমাবদ্ধতার দিকগুলো তুলে ধরেছে।

প্রেসিডেন্টের ভিটো কী?

কংগ্রেসের দুই কক্ষে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও বড় কোনো আইন পাস করার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভিটো ক্ষমতা এবং প্রেসিডেন্টের নির্বাহী কর্তৃত্ব তাদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

মার্কিন সংবিধানের ১ নম্বর অনুচ্ছেদের ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কংগ্রেসের পাস করা যে কোনো বিল প্রেসিডেন্টের সইয়ের পরেই কেবল আইনে পরিণত হয়। প্রেসিডেন্ট চাইলে তাতে স্বাক্ষর না করে ভিটো দিয়ে আটকে দিতে পারেন।

তবে কংগ্রেস চাইলে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে প্রেসিডেন্টের সেই ভিটো অকার্যকর (ওভাররাইড) করতে পারে। যদিও কংগ্রেসের কোনও কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের সেই বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই।

ভিটো ক্ষমতার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট কোনও বিলের খসড়া বা বয়ান নিজে বদলাতে পারেন না। তবে ভিটোর হুমকি দিয়ে আইন প্রণয়নের আগে নিজের শর্ত মেনে নিতে কংগ্রেসের ওপর চাপ তৈরি করতে পারেন।

এ ছাড়া প্রেসিডেন্টের আরেকটি বড় অস্ত্র হল ‘পকেট ভিটো’। কোনও বিল প্রেসিডেন্টের টেবিলে আসার পর তিনি যদি ১০ দিনের মধ্যে তাতে স্বাক্ষর না করেন এবং এর মধ্যেই কংগ্রেসের অধিবেশন মূলতবি হয়ে যায়, তবে বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

এই পকেট ভিটো কংগ্রেস ভোটের মাধ্যমে বাতিলও করতে পারে না, কারণ তখন আইনসভার অধিবেশন থাকে না।

আগে কতটা ভিটো ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প?

ইউসি সান্তা বারবারার ‘আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট’-এর তথ্যমতে, ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে মোট ১০ বার ভিটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছিলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি এখন পর্যন্ত ২ বার ভিটো দিয়েছেন।

তুলনামূলকভাবে জো বাইডেন তার চার বছরের মেয়াদে ১৩ বার এবং বারাক ওবামা তার দুই মেয়াদে ১২ বার ভিটো প্রয়োগ করেছিলেন।

গত ডিসেম্বরে কংগ্রেসে দুই দলের সমর্থনে পাস হওয়া দুটি বিলে ভিটো দেন ট্রাম্প। এর একটি ছিল কলোরাডোর একটি নতুন পানিসম্পদ পাইপলাইনের জন্য স্থানীয় জনগণের খরচ কমানো সংক্রান্ত বিল, যা উত্থাপন করেছিলেন তারই ঘনিষ্ঠ ‘মাগা’ (এমএজিএ) নেত্রী লরেন বোয়েবার্ট।

অন্যটি ছিল ফ্লোরিডার আদিবাসী মিকোসুকি উপজাতির জন্য একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প। ওই আইনের আওতায় উপজাতিরা তাদের ভূমির ওপর বাড়তি নিয়ন্ত্রণ পেত।

কিন্তু ট্রাম্প দাবি করেন, এই উপজাতি তার অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নে বাধা তৈরি করেছে। এভারগ্লেডসে অভিবাসীদের জন্য গড়ে তোলা ‘অ্যালিগেটর অ্যালকাট্রাজ’ নামে পরিচিত বিতর্কিত বন্দিশিবিরটি বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে যে গোষ্ঠীগুলো মামলা করেছিল, মিকোসুকি উপজাতি ছিল তাদের অন্যতম।

আইন পাস ছাড়াই নিজের ক্ষমতা বাড়াতে অতীতে ‘জাতীয় জরুরি অবস্থা’ জারির ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প। কংগ্রেস চাইলে সেই জরুরি অবস্থা বাতিলের প্রস্তাব পাস করতে পারে, কিন্তু সেখানেও প্রেসিডেন্টের ভিটো বাতিল করতে ডেমোক্র্যাটদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনের প্রয়োজন পড়বে।

যেসব জায়গায় বিপাকে পড়বেন ট্রাম্প

কংগ্রেসের এই ফলের জেরে ওয়াশিংটনে বড় ধরনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।

আগামী জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসন, তার পরিবার ও সহযোগীদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তদন্তে তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করবে এবং বড় বড় আইনে ছাড় দাবি করবে।

এ ছাড়া সেনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে যাওয়ায় ট্রাম্পের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় নিয়োগ আটকে যেতে পারে।

এমনকি সুপ্রিম কোর্টের কোনো বিচারপতির পদ শূন্য হলেও ডেমোক্র্যাটদের বাধার মুখে সেখানে নিজের পছন্দের কাউকে বসানো ট্রাম্পের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে।

আইনসভা ছাড়াই যা করতে পারবেন ট্রাম্প

কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই প্রেসিডেন্টের হাতে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা বহাল থাকবে। বিশেষ করে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা এবং আমদানি শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ট্রাম্প একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি।

দ্বিতীয় মেয়াদে এই দুটি ক্ষেত্রেই তার সবচেয়ে বেশি নজর দেখা গেছে। যেমন, ট্রাম্প নতুন করে ইরানের ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দিতে পারেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারেন এবং ভ্লাদিমির পুতিন বা শি জিনপিংয়ের মতো বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা চালাতে পারেন।

তবে অন্য দেশের সঙ্গে নতুন কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই করলে তা সেনেটের অনুমোদন ছাড়া কার্যকর হবে না।

একইভাবে ট্রাম্প নিজে থেকে কোনও দেশের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারবেন না; কারণ যুদ্ধ ঘোষণার সাংবিধানিক ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের হাতেই ন্যস্ত।

সমঝোতা নাকি দীর্ঘ অচলাবস্থা?

নীতি বাস্তবায়নে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার বিষয়ে দুই মেয়াদের কোনোটিতেই ট্রাম্পের বিশেষ আগ্রহ দেখা যায়নি।

যার বড় প্রমাণ, গত ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধ, যা জনগণের কাছে তীব্র অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

তবে মঙ্গলবার নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুর কিছুটা নরম করে ট্রাম্প বলেন, তিনি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, “আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ। আশা করি কোনও সমাধান বের হবে।”

ইতিহাস বলছে, এমন পরিস্থিতিতে সরকার সচল রাখতে সমঝোতা ছাড়া উপায় থাকে না। ১৯৯৫-৯৬ সালে তৎকালীন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে বাজেট নিয়ে সমঝোতায় বসতে হয়েছিল।

ক্লিনটন রিপাবলিকানদের বিলে ভিটো দিলে সরকারে টানা প্রায় এক মাস ‘শাটডাউন’ বা অচলাবস্থা চলে। পরে কর ও ব্যয় কাটছাঁটের প্রশ্নে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছে ১৯৯৭ সালের ঐতিহাসিক ‘ব্যালেন্সড বাজেট অ্যাক্ট’ পাস করে।

কিন্তু বিশ্লেষকদের বড় অংশের ধারণা, ট্রাম্প আপসের পথে হাঁটবেন না। অরাজনৈতিক বিশ্লেষণ সংস্থা ‘ইনসাইড ইলেকশনস’-এর সম্পাদক ন্যাথান গঞ্জালেস বলেন, “গত দুই বছরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কার্যত কংগ্রেসকে এড়িয়ে একের পর এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করেছেন। বিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠতার মুখে তিনি এই ধারাই চালিয়ে যাবেন বলে মনে হয়।”

ফক্স নিউজকে দেওয়া অপর এক সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্পের অনমনীয় অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের আইন পাস করার চেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা হয়ত তাদের পছন্দের ৫০টি দারুণ দারুণ বিল পাস করে পাঠাবে, আর আমি সিল মেরে সবগুলো ফেরত পাঠিয়ে দেব।”

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের মার্কিন ইতিহাসের সহযোগী অধ্যাপক ড. রেবেকা স্টোন মনে করেন, ট্রাম্প যদি একের পর এক ভিটো দিয়ে অচলাবস্থা তৈরি করেন, তবে তা রিপাবলিকানদের জন্যই বুমেরাং হতে পারে।

তিনি বলেন, “ট্রাম্পকে আর পুনর্নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে না। কিন্তু তার দলের আইনপ্রণেতাদের ঠিক দুই বছর পরেই আবার ভোটে লড়তে হবে।

“মধ্যবর্তী নির্বাচনের ডেমোক্র্যাট ঝড়ের পর এমন রাজনৈতিক স্থবিরতা রিপাবলিকানরা বয়ে বেড়াতে পারবে না। দেশকে সচল রাখতে বিরোধীদের সঙ্গে সমঝোতা বরং মধ্যপন্থী ভোটারদের কাছে টানবে।

“ফলে দল বাঁচাতে নিজ নেতার অনমনীয় অবস্থানের বিরোধিতা করাকেই হয়ত রিপাবলিকানরা সেরা পথ বলে বিবেচনা করবে।”