১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ল্যাব খুলছে এনভিডিয়া

বিভিন্ন ডেটা সেন্টারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে শক্তিশালী করতে চিপের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে গত বছর ১৩ কোটি পাঁচ লাখ ডলার আয় করেছে তারা।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ল্যাব খুলছে এনভিডিয়া
ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Mar 2025, 02:35 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:19 PM

যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ল্যাব খোলার পরিকল্পনা করছে এনভিডিয়া। 

বৃহস্পতিবার এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং বলেছেন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ল্যাব খোলার জন্য ‘হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি’ ও ‘ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’ বা এমআইটি’র বিজ্ঞানীদের সঙ্গে সহযোগিতা করার পরিকল্পনা করছে মার্কিন চিপ জায়ান্টটি।

ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসেতে কোম্পানিটির বার্ষিক সফটওয়্যার ডেভেলপার সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন হুয়াং। কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে কেন্দ্র করেই এক দিনের এ ইভেন্টের আয়োজন করেছিল এনভিডিয়া।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এমন ধরনের হিসাব করতে পারে, যা বর্তমানে বাজারে পাওয়া বিভিন্ন প্রচলিত কম্পিউটারের করতে লাখ লাখ বছর সময় নেবে। পাশাপাশি চিকিৎসা, রসায়ন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্ভাবনের পথ উন্মোচন করবে এই কম্পিউটার।

এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা রয়েছে, যা প্রচলিত কম্পিউটার সমাধান করতে পারে না। সেসব সমস্যার সমাধান মিলতে পারে বিভিন্ন কোয়ান্টাম মেশিনে, যা নতুন ওষুধ তৈরিতে বা আরও ভাল ব্যাটারি ডিজাইন করে নতুন উদ্ভাবনের দুয়ার খুলে দেবে।

বর্তমানে এসব সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট শক্তিশালী কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির জন্য কয়েকশ কোটি ডলারের বিনিয়োগ করছে সিলিকন ভ্যালির টেক জায়ান্টটি’সহ বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি কোম্পানি, যার মধ্যে এগিয়ে আছে মাইক্রোসফট। 

এ বছরের শুরুতে ‘মাজোরানা ১’ নামের নতুন এক চিপ তৈরি করেছে মার্কিন এই সফটওয়্যার জায়ান্টটি, যার মাধ্যমে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছে কোম্পানিটি।

এবার এ তালিকায় যোগ দিল এনভিডিয়া’ও। এর আগে জানুয়ারিতে হুয়াং বলেছিলেন, ২০ বছরের মধ্যে ‘খুবই কার্যকর’ কোয়ান্টাম কম্পিউটার আসবে।

কোয়ান্টাম উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন, সেখানে এই প্রযুক্তির ওপর রফতানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে ওয়াশিংটন।

এনভিডিয়া বলছে, বিভিন্ন ডেটা সেন্টারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে শক্তিশালী করতে চিপের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে গত বছর ১৩ কোটি পাঁচ লাখ ডলার আয় করেছে তারা।

রয়টার্স লিখেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চার হাজার তিনশ কোটি ডলার আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে এনভিডিয়া, যেটি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি।