Published : 17 May 2026, 02:05 PM
ভিডিও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে হলিউডের মনে দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও নেটফ্লিক্স যেন এ প্রযুক্তির গভীরে ডুব দিতে একেবারে প্রস্তুত।
প্রযুক্তি সাইট ভার্জ প্রতিবেদনে লিখেছে, এ স্ট্রিমিং জায়ান্টটি ‘ইনকিউবেটর’ নামে নতুন এক স্টুডিও চালু করেছে, যা জেনারেটিভ এআই কনটেন্ট তৈরির কাজ করবে।
হলিউডে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক থাকলেও বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ব্যবহার ও নতুন স্টার্টআপ কেনার পর এবার নিজেদের মোবাইল অ্যাপের জন্য শর্ট-ফর্ম ভিডিও তৈরিতে এ প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর বড় পরিকল্পনা করছে কোম্পানিটি।
এ দলের বর্তমান চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে অনুমান করা যায়, স্টুডিওটি ছোট আকারের অ্যানিমেশন কনটেন্ট তৈরি করবে, যেখানে মূল নজর থাকবে জেনারেটিভ এআইয়ের কাজের ধারা ও বিভিন্ন টুলের ওপর।
‘ইনকিউবেটর’ যেহেতু এখনও ‘হেড অফ টেকনোলজি’র মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য কর্মী নিয়োগ করছে ফলে দর্শকদের এ স্টুডিওর তৈরি কোনো কনটেন্ট দেখতে হলে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
প্রাথমিকভাবে এ দলের লক্ষ্য ছোট আকারের অ্যানিমেশন ও বিশেষ কিছু শর্ট ফিল্ম তৈরি করা। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদন বলছে, ‘ইনকিউবেটর’ নিয়ে নেটফ্লিক্সের পরিকল্পনা আরও বড়।
চাকরির বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, দলটি ভবিষ্যতে ‘শর্ট ফিল্মের গণ্ডি পেরিয়ে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের বা ফুল-লেংথ কনটেন্ট তৈরির দিকে এগিয়ে যাওয়ার’ পরিকল্পনা করছে।
স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স যে এই পথে হাঁটবে তা অবাক করার মতো কোনো বিষয় নয়। কারণ, এআই’কে আপন করে নিতে কখনোই দ্বিধা করেনি নেটফ্লিক্স।
কোম্পানিটি এরইমধ্যে নিজেদের বিজ্ঞাপনে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেকের প্রতিষ্ঠিত এআই স্টার্টআপ ‘ইন্টারপজিটিভ’কেও কিনেছে।
অন্যদিকে, নেটফ্লিক্স তাদের মোবাইল অ্যাপের জন্য সামনে যে ‘ভার্টিকাল ভিডিও’ বা টিকটক বা রিলসের মতো ভিডিও’র ওপর বিশেষ নজর দিতে যাচ্ছে তা ‘ইনকিউবেটর’ থেকে তৈরি হওয়া বিভিন্ন জেনারেটিভ এআই কনটেন্ট দেখানোর জন্য উপযোগী জায়গা হতে পারে।