Published : 20 Jun 2026, 08:26 AM
বিশ্বকাপের চার শিরোপার সবশেষটি জার্মানি জিতেছে ২০১৪ সালে। মাঝের ১২ বছরে অনেকটাই বদলে গেছে দলটি। মানুয়েল নয়ার ছাড়া বর্তমান দলের কারো নেই দেশের হয়ে সাফল্য পাওয়ার গল্প। উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে, সেই গল্প লিখতে উন্মুখ এই জার্মানি, বললেন জসুয়া কিমিখ।
কতটা মুখিয়ে আছে কিমিখ-মুসিয়ালারা, তার কিছুটা প্রমাণ মিলেছে প্রথম ম্যাচে। কুরাসাওকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে তারা। ৭-১ গোলে বিশাল জয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে জার্মানিও।
টরন্টোয়, বাংলাদেশ সময় শনিবার ২টায় জার্মানি গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে কোত দি ভোয়ার। শেষ মুহূর্তের গোলে একুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে শুভসূচনা করে এসেছে তারাও।
কিমিখের ভাবনায় কোত দি ভোয়া ম্যাচ যেমন আছে, তেমনি আছে জার্মানির জার্সিতে না পাওয়ার আক্ষেপও। সেই শূন্যতা ঢাকতে হলে, গ্রুপ পর্ব পেরুতে হবে আগে। কোত দি ভোয়ার বিপক্ষে জিতলেই নিশ্চিত হয়ে যাবে নকআউট পর্বে খেলা। বায়ার্ন মিউনিখের এই ডিফেন্ডারের মনে হচ্ছে, কোত দি ভোয়া তাদের কঠিন চ্যালেঞ্জই জানাবে।
“আমার মনে হয়, দুই দলই শারীরিকভাবে খুবই শক্তিশালী, কিন্তু তারা ভিন্ন ধাঁচের এক প্রতিপক্ষ হবে। একুয়েডরের খেলা গড়ে ওঠে চমৎকার রক্ষণকে কেন্দ্র করে, সেখানে কোত দি ভোয়ার দারুণ আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় আছে এবং পাল্টা আক্রমণের ক্ষেত্রে তারা আসলেই খুব ভালো। তারা আমাদের দুই ধরনের চ্যালেঞ্জ জানাবে, কিন্তু আমি মনে করি, আমরাও নানা দিকে শক্তিশালী এবং তাদের উভয় দিকেই আঘাত করতে পারি।”
ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে, এতদিনের বয়ে বেড়ানো আফসোসের কথাও বললেন কিমিখ। সেখানে, ২০১৮ বিশ্বকাপের ব্যর্থতা, নিজেদের সাফল্য ক্ষুধা-সবই তুলে ধরলেন ৩১ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার।
“আমার মনে হয়, ২০১৮ সালে দুর্দান্ত একটি দল ছিল আমাদের। দলে অনেক বিশ্বকাপজয়ী, একই সঙ্গে ক্ষুধার্ত খেলোয়াড়ও ছিল। কিন্তু দিন শেষে, এটা জার্মানির কাজে লাগেনি। এবার, আপনাদের মনে রাখতে হবে, মানুয়েল নয়ার ছাড়া, এই দল যাদের নিয়ে গড়া, তাদের কেউ জাতীয় দলের হয়ে কিছু জেতেনি।”
“আমরা নিজেদের মধ্যে প্রায়ই ছোটবেলা নিয়ে কথা বলি। যখন আমরা ছোট ছিলাম, বিশ্বকাপে জাতীয় দলকে অনুসরণ করতাম, তখন যে অভিজ্ঞতা হতো ও আবেগ থাকত, সেগুলো স্মরণ করি। এখন আমরা ঠিক উল্টো অবস্থানে, আমরা বিশ্বকাপ খেলছি। এখন দেশের মানুষ কী ভাবছে, সেটা সবসময় আমরা পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারি না, কিন্তু আপনি ঠিকই জানেন, এটা বিশেষ কিছু। একজন ফুটবলার হিসেবে, এর (বিশ্বকাপ জয়ের) চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না।”