Published : 07 Jul 2026, 02:04 PM
খাগড়াছড়িতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ বিভিন্ন খাল-ছড়ার পানি বাড়তে শুরু করেছে।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে জেলা সদর, মহালছড়ি, পানছড়ি ও দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে দেখা গেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এসব এলাকায় বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে।

দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূতি চাকমা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বেলা ১টা পর্যন্ত আগের ১৮ ঘণ্টায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নদী-ছড়ার পানি বেড়ে মহালছড়ির মাইসছড়ি সড়কে পানি জমে গেছে; ফলে সেখানে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এছাড়া দীঘিনালা-লংগদু সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ওঠার খবর মিলেছে।

খাগড়াছড়িতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সোমবার রাত থেকে জেলা সদর, মাটিরাঙা, পানছড়ি ও রামগড়সহ বিভিন্ন উপজেলায় বৃষ্টিপাত হলেও এখন পর্যন্ত কোথাও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে জেলা সদরে নীচের বাজার ও মুসলিম পাড়াসহ নিচু এলাকায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। এছাড়া মাইনী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় দীঘিনালার নিচু এলাকা প্লাবিত হওযার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এছাড়া জেলা শহরে কলাবাগান, নেন্সিবাজার, মোল্লাাপাড়া, কৈবল্যপিঠ, আঠার পরিবার, শালবন ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের ঢালে বনের ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে বহু পরিবার।
টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এসব পরিবারের মধ্যে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দুর্ঘটনা এড়াতে পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে জেলা প্রশাসন থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বলেন, “যেকোন ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে।”