২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
এ নদীর অতীত ইতিহাস উন্মোচন করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর প্লাবনভূমিতেই কৃষি, লিখন পদ্ধতি, নগর উন্নয়নসহ মানব সংস্কৃতির বহু ঐতিহাসিক মাইলফলক এসেছিল।
“কিন্তু পরিকল্পনায় পদ্মা ব্যারাজের মত পানি ধরে রাখার কোনো কার্যকর অপশন ছিল না। অথচ শুষ্ক মৌসুমে তিস্তায় পানির সংকট প্রকট হয়ে পড়ে।”
“এক পর্যায়ে নানি দেখতে পান, নদীর অনেক দূরে সীমার হাত দেখা যাচ্ছে।”
ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
“বাড়ির পাশের সুরমা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতের পানিতে তলিয়ে যান জয়ন্তী।”
লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ও ভৈরব থেকে আসা ডুবুরিরা মেয়েটির সন্ধান দিতে পারেননি।
তাদের মৃত অবস্থায় নদী থেকে উদ্ধার করা হয়