ভোলায় বেশি দামে পোশাক বিক্রি, দুই দোকানে জরিমানা
ঈদ উপলক্ষে পোশাক দোকানের মালিকরা পণ্যের ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে রেখেছে বলে ভোক্তা অধিকারের ভাষ্য।
ঈদকে সামনে রেখে ভোলায় অধিক মুনাফায় পোশাক বিক্রির অভিযোগে দুই দোকানির ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান এ কথা জানান।
মাহমুদুল হাসান জানান, জেলা প্রশাসনের সহায়তায় সকালে ভোলা সদর রোডে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় পোশাক বিক্রয়ে ৮০ শতাংশ লাভের প্রমাণ পাওয়ায় ‘চন্দ্রবিন্দু’ ও ‘বিন্দু ফ্যাশন হাউজকে’ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মাহমুদুল হাসান বলেন, ঈদ উপলক্ষে পোশাকের দোকানগুলোতে এখন উপচেপড়া ভিড়। সেই সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে পোশাক বিক্রয় করছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি বলেন, হিসাব করে দেখা যায় তাদের প্রায় প্রতিটি পণ্যে ক্রয়মূল্যের উপর ৮০ শতাংশ বাড়িয়ে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
“এর সঙ্গে তারা ‘ভ্যাট’ যোগ করেছে। কিন্তু কত পার্সেন্ট ভ্যাট তা তারা উল্লেখ করেনি এবং সঠিক টাকার পরিমাণের ভ্যাটের কাগজ প্রদর্শন করতে পারেনি।”
তিনি আরও বলেন, বিন্দু ফ্যাশনে কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায় মার্চ মাসের বিক্রয় করা টাকার বিপরীতে ভ্যাটের পরিমাণ অনেক কম। তারা এ বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। অন্যদিকে তাদের লাভের মার্জিন এত বেশি কেন জিজ্ঞেস করলে সেটারও কোনো যৌক্তিক উত্তর দিতে পারেনি। তারা বলছিল মূল্য তাদের হেড অফিস নির্ধারণ করে দেয়।
“কিন্তু চন্দ্রবিন্দু ফ্যাশন হাউজের কাছে মূল্য নির্ধারণের ব্ল্যাংক স্টিকার পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় চন্দ্রবিন্দু ও বিন্দু ফ্যাশন উভয়কে ভোক্তা অধিকার আইনে ২০,০০০ (বিশ হাজার) করে মোট ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকারের এ কর্মকর্তা জানান, উভয় দোকন কর্তৃপক্ষকেই তাদের প্রাইজ ট্যাগ সংশোধন করে লাভের মার্জিন ৪০ শতাংশের নিচে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কাপড় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে তাদের জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারের নির্দেশনামূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে ও লাভের ক্ষেত্রে যৌক্তিক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
