০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

তৌফিক ইমরোজ খালিদী: ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার অর্ঘ্য

গ্লোবাল সামিটের সেই গোপন সুপারিশকারী কে ছিলেন, তা উন্মোচিত হলো বহু বছর পর। একাত্তরের ‘বিজয়-বালক’ও সফল সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রতি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হকের না বলা ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার অর্ঘ্য।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী: ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার অর্ঘ্য

তৌফিক ইমরোজ খালিদী

মফিদুল হক মফিদুল হক

Published : 09 Oct 2026, 04:07 PM

Updated : 09 Oct 2026, 04:07 PM

তৌফিক ইমরোজ খালিদী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রজন্মের সদস্য, সাতচল্লিশের মধ্যরাতের সন্তান নয়, একাত্তরের বিজয়-বালক, মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত আগে-পরে যাদের জন্ম, যুদ্ধের রক্তাক্ত প্রত্যক্ষ স্মৃতি তাদের নেই, রয়েছে রক্তের দাগ মুছে যাওয়া ভূমিতে বেড়ে-ওঠার অভিজ্ঞতা, দুর্ভাগ্যক্রমে যা কোনোভাবে সুখকর ছিল না। নবোজাত বাংলাদেশকে উপহাস করে দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ জাস্ট ফালান্ড ও আর পারকিনসন তাদের গ্রন্থে বলেছিলেন যে, বাংলাদেশ যদি উন্নতি অর্জন করতে পারে, তবে দুনিয়ার হতদরিদ্র সব দেশ পারবে। যেমন ছিল অর্থনীতির দশা তেমনি ভঙ্গুর ছিল দেশের শাসনব্যবস্থা। রক্তাক্ত পালাবদল ঘটেছিল ১৯৭৫-এ, রাষ্ট্রের স্থপতিকে সপরিবারে নিধনের পর গণতান্ত্রিক শাসন নানাভাবে পদদলিত হয়েছে, হত্যার রাজনীতি বারবার মাথা তুলেছে, সামরিক শাসক আবির্ভূত হয়েছেন পরিত্রাতা হিসেবে। বিস্মৃতি বিভ্রান্তির দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। সেই গৌরবে স্নাত হওয়ার উপায় নব-প্রজন্মের বিশেষ ছিল না। এমন এক জটিল সময়ে বেড়ে-ওঠা ও জীবনপথে পা বাড়ানো তৌফিক ইমরোজ খালিদী নব্বইয়ের আন্দোলনের পর মিডিয়া জগতে ক্রমে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন। প্রথমে ব্যক্তিগত যোগ্যতায় তরুণ উদ্যমী সাংবাদিক হিসেবে, তারপর লন্ডনে বিবিসি বাংলা বিভাগে কাজ করার সুবাদে। সাংবাদিক হিসেবে পরিচিতি তিনি যৌবনেই পেয়েছেন এবং পেশায় সফল হবেন সেটা ছিল স্বতঃসিদ্ধ। দেশের বাইরে স্থিত হওয়ার সুযোগ-গ্রহণ এই প্রজন্মের সদস্যদের মধ্যে ছিল প্রবল, তৌফিক ইমরোজ খালিদীরও ছিল তেমন সুযোগ, যে সুযোগ গ্রহণ অর্থ কেবল নিজের জন্য একটি নিরাপদ পরিসর তৈরি করা এবং নিজেকে নিয়ে জীবনযাপন। কিন্তু ফিরে এসেছিলেন তিনি স্বদেশে এবং নতুন ধারার সাংবাদিকতার জন্ম দিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিষ্ঠা করে। কেবল নতুন ধারা নয়, গুণে-মানেও নবসূচনা। আমি অনলাইন নিউজপোর্টালের মনোযোগী পাঠক নই, তবে এটা লক্ষ্য করেছি অনলাইন সাংবাদিকতায় পেশাদারীভাবে দক্ষ বড় এক দল গঠন করে চলেছে খালিদীর কর্মধারা। এখন ফিরে তাকিয়ে অবাক মানতে হয় যখন বাংলাদেশের মিডিয়া কোনো না কোনো বিশাল ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়া ব্যতীত চলার কথা ভাবতে ছিল অপারগ তখন যোগ্যতা ও দক্ষতার শক্তিতে চলবার সাহস তৌফিক ইমরোজ খালিদী কীভাবে অর্জন করলেন?

এমন প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে আমি খালিদীর মধ্যে দেখতে পাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। একার জন্য কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেনি, সবাই মিলে মুক্তির সমাজ নির্মাণ করবে এমন তাগিদ ছিল মুক্তিযুদ্ধের গভীরে, নানাভাবে নানাজনের মধ্যে তার প্রকাশ ঘটেছে। খালিদীর সাংবাদিকতাও ছিল নিজের জন্য কেবল নয়, পেশাগত ও গুণগত উত্তরণ দ্বারা কীভাবে নব-সাংবাদিকতাকে অর্থপূর্ণ করা যায়, এর বিকাশ সাধন সম্ভব, সেটা বিডিনিউজ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। দূর থেকেই আমার দেখা, তবে মুগ্ধতা ছিল অনেকভাবে। ঝকঝকে আধুনিক চিন্তার প্রসারতা নিয়ে চলতে চায় এই ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম, গোড়ায় তাদের একটি কাজ আমাকে অবাক করে দিয়েছিল। প্রকাশনাও শুরু করেছিল বিডিনিউজ, খুব বেশি বই নয়, বছরে দু-চারটি। তবে এই প্রকাশনার মধ্যে ছিল কলকাতার সিনে-ম্যাগাজিন ‘প্রসাদ’-এর একটি বিশেষ সংখ্যার পুনর্মুদ্রণ। ‘উল্টোরথ’ ও ‘প্রসাদ’ ছিল ষাটের দশকের কলকাতার জনপ্রিয় সিনেমা মাসিক, চটুল ম্যাগাজিনই বলা যায়। খুব বেশি কারো জানা নেই, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘প্রসাদ’ সাময়িকী একটি পুরোপুরি বাংলাদেশ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল, যা ছিল সুসম্পাদিত ও চিন্তাশীল, অনেক অজানা তথ্যে পরিপূর্ণ। মূলধারার বাইরে এমনি উপেক্ষিত বিনোদন পত্রিকার তাৎপর্যময় একটি সংখ্যার পুনর্মূদ্রণ খুব আলাদা মাপের কাজই বটে।

তার চেয়ে বেশি অবাক হয়েছিলাম তৌফিক ইমরোজ খালিদীর আরেকটি কাজ দেখে। বলতে দ্বিধা নেই পত্রিকা স্ট্যান্ডে যখন প্রথম হাতে নিয়েছিলাম ‘টার্নিং পয়েন্টস’ আমি বিস্মিত হয়েছিলাম। বাংলাদেশে এও সম্ভব! নিউ ইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে মিলে বাংলাদেশী কোনো প্রতিষ্ঠান যে এমন বার্ষিকী প্রকাশ করতে পারে তা ছিল দূরকল্পনারও বাইরে। এমন নয় যে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের ফিচার ও সিন্ডিকেটেড লেখা নিয়ে একটি দেশজ মুদ্রণ ঘটেছে, যা পশ্চিমের তল্পীবহনের উদাহরণ হতে পারে। বাংলাদেশের লেখা ও ছবির সঙ্গে বাইরের অবদান মিলিয়ে এ-ছিল এক অভাবিত যৌথ কাজ। দুর্ভাগ্য যে এমন প্রকাশনা স্থায়িত্ব লাভ করেনি, তবে এই প্রকাশনা তৌফিক ইমরোজ খালিদীর স্পর্ধা দেখিয়ে দিয়েছিল।

পরে আমি অনেক কাছ থেকে দেখেছিলাম তৌফিক ইমরোজ খালিদীর দক্ষতা ও সাংবাদিকতা বিকাশে তার পরিচর্যামূলক কর্মকাণ্ড। সেবার জার্মানির ডয়শে ভেলে ওয়ার্ল্ড আয়োজিত গ্লোবাল সামিটে আমন্ত্রিত হয়ে আমার যোগদানের সুযোগ হয়েছিল। পরিবর্তমান ডিজিটাল সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিদ্ববরেণ্য অনেক ব্যক্তি ও করপোরেট প্রধান সামিটের বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেন। তৌফিক ইমরোজ খালিদীও ছিলেন সেই গ্লোবাল সামিটে এবং ছিল তরুণ সাংবাদিকের একটি দল যারা ডিডব্লিউ অ্যাকাডেমিয়াতে শিক্ষানবিশী করছিল। তখন দেখেছি ডিডব্লিউ-এর কর্তাব্যক্তিদের সাথে খালিদীর সখ্য এবং পরে জেনেছি জার্মান এই সংস্থা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরকে বেছে নিয়েছিল তাদের বাংলাদেশি সহযোগী হিসেবে। বাংলাদেশের অনেক তরুণ সাংবাদিক যে জার্মানিতে প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছিল সেটা তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সুবাদে।

মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর প্রজন্মের এই সদস্য দেশের গৌরবের ইতিহাস কত নিবিড়ভাবে অন্তরে ধারণ করেন সেই পরিচয় মিললো বিডিনিউজ প্রকাশিত তিন খণ্ডের বিশাল সচিত্র ট্রিলজি ‘রক্তরেখায় বাংলাদেশ : অন্তহীন যুদ্ধ-গৌরব বেদনা আর শিকড়ের ইতিহাস’ বইটি হাতে পেয়ে। গ্রন্থের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তিনি গঠন করেছেন সম্পাদনা পরিষদ, সঙ্গে নিয়েছেন সম্পাদনা সহযোগী ও সংকলকদের। তারা সবাই তরুণ, বয়সবিচারে সম্পাদকের অনুজ, তারও পরের প্রজন্মের সদস্য। অনেক শ্রম, মেধা ও বিচার-বিশ্লেষণ করে প্রণীত হয়েছে এই গ্রন্থ। প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডে ইতিহাসের পরিক্রমণে মুক্তিযুদ্ধকে সবিস্তারে তুলে ধরা হয়েছে। বাছাইকৃত লেখা সংকলনের পাশাপাশি উপযুক্ত ছবি ও দলিলপত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে বই। তৃতীয় খণ্ডটি পুরোপুরি ছবির সংকলন, টেক্সট হিসেবে রয়েছে ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক। সম্পাদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “বিগত দিনগুলোতে আমরা দেখেছি, একটি গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথায় একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি স্বাধীনতার বিরুদ্ধকারী গোষ্ঠীটি স্বাধীন দেশে রাজনীতি করার বৈধতা পাওয়ার সুযোগে ক্ষমতায়িত হয়েছে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব ও ত্যাগের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা চলেছে সবসময়।”

স্পষ্টতই তৌফিক ইমরোজ খালিদীর চেষ্টা ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মূল্যবোধকে সার্বজনীনতা প্রদান, যেন দলমত নির্বিশেষে প্রজন্মের পর প্রজন্মের সদস্যরা এর গৌরবগাথায় স্নাত হতে পারেন। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের দ্বারা উদ্দীপ্ত মানবিক সমাজনির্মাণে অবদান রাখতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে তাই তিনি দেখেছেন ১০ এপ্রিল ১৯৭১ নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতির সংশ্লেষে। ইতিহাস উপলব্ধির গভীরতা ও ভবিষ্যতের পথনির্মাণে বিচক্ষণতার পরিচয় এখানে মেলে। তিনি লিখেছেন, “বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতির পাশাপাশি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের তিনটি প্রধান নৈতিক অঙ্গীকার ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার’ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রকৃত সারমর্ম বহন করে। যখন রাষ্ট্রের কোনো নাগরিক বৈষম্যের শিকার হয় কিংবা মানুষ হিসেবে তার মানবিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, তখনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মূল পথ থেকে বিচ্যুত হয়।”

যে বিপুল রক্তদানের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সেটা কি এতো সহজে মুছে যাবে। শেকসপিয়রের ম্যাকবেথ আর্তনাদ করে উঠেছিল, সাত সমুদ্রের জল কি আমার হাতের রক্ত ধুয়েমুছে দিতে পারবে? পাকিস্তানের সাম্যবাদী কবি ফয়েজ আহমদ ফয়েজ ঢাকা থেকে ফিরে লিখেছিলেন গজল, “খুন কে ধাব্বে ধুলেঙ্গে কিতনি বরষাতো কে বাদ”, আর কত বর্ষা পারবে এই রক্তের পাত্র ধুয়েমুছে দিতে। কিন্তু আমরা বাঙালিরাই সেই রক্তাক্ত ইতিহাস ভুলে যাওয়ার মূঢ়তায় মেতে উঠেছি। আলগা মাটির হালকা হাওয়ায় জীবনের পথে চলায় নিজেরই অপমান ডেকে আনছি। এর বিপরীতে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আপন অঙ্গীকার দৃঢ়তা ও যোগ্যতার সঙ্গে প্রমাণ করলেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী, যা আগামীর প্রজন্মের জন্য তার উপহার, তাদের জীবনকে অর্থময় করে তোলার একটি অবলম্বন তুলে দিলেন তাদের হাতে। এ-হচ্ছে ভালোবাসার অর্ঘ্য, অঙ্গীকারের প্রকাশ।

মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সংযুক্তি আমার মনের এক ধন্ধ কাটিয়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে। ২০১৭ সালে ডিডব্লিউ-এর গ্লোবাল সামিটে যোগদানের আমন্ত্রণ যখন আমি পেয়েছিলাম তখন বিস্মিত হয়েছিলাম। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি হিসেবে আমার কাছে এই চিঠি পৌঁছেছিল পর্যবেক্ষক হয়ে গ্লোবাল সামিটে অংশ নেয়ার জন্য। মিডিয়ার বাইরেও আরো কেউ কেউ ছিলেন এমন আমন্ত্রিত অতিথি; যেমন যোগ দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক মারুফুল ইসলাম। কিন্তু আমি কীভাবে আমন্ত্রণ পেলাম এটা মনের মধ্যে পুষে নিয়েই যোগ দিই সম্মেলনে এবং অর্জন করি অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আয়োজকদের দপ্তরে যারা আন্তর্জাতিক সংযোগের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের একজনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাকে কেন পর্যবেক্ষক হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। তার জবাব ছিল ঢাকা থেকে কেউ নিশ্চয় তোমার নাম সুপারিশ করেছিল। কে সেই ব্যক্তি তারা সেটা জানেন না, আমিও আর কখনো জানতে পারিনি। আজ, এতোদিন পর, যখন আমি আরো বিস্তারিতভাবে বুঝতে পেরেছি ডিডব্লিউ-এর সঙ্গে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর যোগাযোগ, পরিচয় পেয়েছি মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তার অঙ্গীকার ও নেপথ্যের অনেক কারিগর হিসেবে তার অবদান, তখন বুঝতে পারি তৌফিক ইমরোজ খালিদীর পক্ষেই সম্ভব মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কারো নাম সুপারিশ করা এবং সেই কৃতিত্ব জাহির না করা। আমার দিক থেকে অশেষ ধন্যবাদ তাঁকে দেওয়ার ছিল, যা তাঁকে কখনো দেয়া হয়নি। এই স্মৃতি আলেখ্য হয়ে থাকুক আমার ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার অর্ঘ্য।

মফিদুল হক: লেখক, প্রকাশক এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি।