Published : 16 Mar 2026, 09:22 AM
এখন মনে হচ্ছে, সরকারি ও বিরোধী দল সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করেই বেশি সময় কাটাবে। সনদ ও সংস্কার প্রক্রিয়ার বেড়াজালে আটকা পড়েছে। সনদ নিয়ে আবারও ভুল— সংস্কারের চেয়ে কোন পরিষদে সংস্কার হবে, সেই প্রক্রিয়া নিয়েই তর্ক-বিতর্ক গড়াবে অনেকদিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাও শুরু হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোটের রায় এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ ঘিরে নতুন রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে। আসলে সনদ প্রণয়নের শুরু থেকেই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে এসব গলদ চলছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সনদ প্রণয়ন শুরু করেছিল জুলাই গণআন্দোলনকারীদের অনুরোধে। শুরুতে মনে করা হয়েছিল যে এটা একটা প্রয়োজনীয় ও বিশ্বস্ত উদ্যোগ। মাঝপথে এই বিশ্বাসটাতে হোঁচট খায় দুই কারণে—(১) সনদের নামে জুলাই ঘোষণাপত্র লিখে অনেকগুলো ‘যেহেতু’ পরিচ্ছেদে অহেতুক আমাদের জাতির ইতিহাসের অনেক কিছু বদলে দেওয়া হলো। তখনই প্রশ্ন উঠল, এই ইতিহাস কি ইতিহাসবিদদের যাচাই-বাছাইয়ে টিকবে? (২) আন্দোলনকারীরা যখন রাজনৈতিক দল গঠন করল, দেখা গেল সনদের প্রতিটা পদক্ষেপ নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্ধারণ করে দিচ্ছে, প্রকৃতপক্ষে অন্য কিছু হয়ে থাকলেও কার্যত এমনটাই দৃশ্যমান হচ্ছিল। এই দুই কারণে শুরু থেকেই সনদ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
২.
সনদের বিষয়বস্তুগুলোর অধিকাংশই আমাদের সরকার ও রাষ্ট্রের শুদ্ধির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কিন্তু বিস্তারিত বর্ণনা এবং প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি ছিল ত্রুটিপূর্ণ। যতই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতপার্থক্য ও মন কষাকষি হয়েছে, ততই সনদ পরিবর্তিত হয়েছে এবং অনেক কিছু গুরুত্ব হারিয়েছে।
বিএনপির মূল লক্ষ্য ছিল, সনদের নামে সংসদ নির্বাচনটা যাতে পিছিয়ে না যায় বা ভণ্ডুল না হয়। তাই তারা শুধু তাল মিলিয়ে যাচ্ছিল। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি সনদের বিভিন্ন ধারা-উপধারায় যেভাবে নোট অফ ডিসেন্ট দিয়ে রাখছিল, তাতে সনদের অনেক বিষয় তখনই ঝাপসা বা অকেজো হয়ে পড়েছিল।
একটা উদাহরণ, সংসদের উচ্চকক্ষে সদস্য সদস্য নির্বাচন; বিএনপি চাচ্ছিল নিম্ন কক্ষের দলীয় সংখ্যার আনুপাতিক হারে। সনদে লেখা হয়েছে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে হবে। এমনি প্রায় প্রতিটা বিষয়ে আপত্তি বুকে নিয়ে জুলাই সনদকে গণভোটে দিয়ে দেওয়া হলো। কিন্তু আপত্তিগুলো গণভোটে অন্তর্ভুক্ত হলো না।
৩.
গণভোটের আয়োজনও করা হয়েছে জামায়াত ও এনসিপিকে সামাল দিতে। বিশেষ করে এনসিপি তো স্পষ্ট করেই বলেছিল, সনদ কিভাবে গৃহীত হবে তা যদি ইউনূস সরকার নির্ধারণ না করে, তারা সনদে দস্তখত করবে না এবং নির্বাচনেও যাবে না। তখন প্রতিটা পদক্ষেপ যেন নেওয়া হয়েছিল এনসিপির চাপে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান এ বছরের ২৯ জানুয়ারি এক আলোচনা সভায় ‘সন্দেহ’ প্রকাশ করেছিলেন, ‘মাহফুজ আলমদের মতো উপদেষ্টা ও তার সহকর্মীদের খুশি করতেই’ সরকার গণভোট করতে যাচ্ছে কি না? ওই আলোচনায় মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন বলে হয়তো তার নাম নিয়েছিলেন রেহমান সোবহান। মাহফুজ নিজে এনসিপিতে যোগ না দিলেও রেহমান সোবহান যে এনসিপির কথা বলেছিলেন, সেটা বুঝতে কারোর অসুবিধে হওয়ার কথা না। অবশ্য এনসিপির ওই ভূমিকা সরকারই নির্ধারণ করে দিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন। ইউনূস সরকারের আমলে দল গঠনের শুরু থেকেই এনসিপি ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে পরিচিত ছিল।
সনদে এত এত জটিল বিষয় চূড়ান্ত করার চেষ্টা হয়েছে এবং যেভাবে সবগুলোকে একসঙ্গে যোগ করে গণভোটে দেওয়া হয়েছে, সেটা ছিল খুবই অস্বস্তিকর একটা সিদ্ধান্ত। জনগণের কোনো ধারণাই ছিল না গণভোটের বাক্সে কী আছে! প্রকৃতপক্ষে গণভোটের কোনো প্রয়োজন ছিল না। নতুন সংসদই নির্ধারণ করতে পারত কোনটা কিভাবে বাস্তবায়িত হবে।
৪.
ইউনূস সরকারের ধারণা ছিল, একবার হ্যাঁ-ভোটে জিতে গেলে সবই রাতারাতি আইনে পরিণত হবে এবং সংস্কার তাদের লিগ্যাসি হয়ে থাকবে পরের সরকারের কাছে। বিএনপির প্রধান তাড়া ছিল সংসদ নির্বাচনটা কোনো বিতর্ক ছাড়া শেষ করা।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য নেতাদের কেউ কেউ নির্বাচনের মাঠে দুয়েকবার গণভোটে হ্যাঁ-তে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেও তাদের চোখ সনদের চেয়েও সনদ প্রস্তাবে দেওয়া নোট অফ ডিসেন্টের দিকেই বেশি ছিল। জামায়াত-এনসিপি ধরে নিয়েছিল যেহেতু পুরো সনদটাই তাদের প্রকল্প, সনদের জয় নিয়েই তারা ভবিষ্যতে রাজনীতি করবে। জামায়াতের চোখ সবসময়ে পিআর, সংখ্যানুপাতিক হারের উচ্চকক্ষ গঠনের দিকে।
যে সনদ ঐকমত্য কমিশন থেকে বের হলো, তার মধ্যে কত যে অনৈক্য লুকিয়ে আছে, নির্বাচনের সময় সবই ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল। নির্বাচনের পর থলের সব বিড়াল বের হয়ে আসল।
সব দলের নেতারা যেহেতু হ্যাঁ-তে ভোট দিতে বলেছেন, গণভোটে হ্যাঁ জিতেছে। নির্বাচনে ভোটারদের যারা নেতাদের কথায় চোখ বুজে সিল মেরেছেন, তারা হ্যাঁ ভোট দিয়ে দিয়েছেন। যারা বুঝতে চেষ্টা করেছেন, তারা বুঝতে না পেরে না-তে ভোট দিয়েছেন। বত্রিশ শতাংশ ‘না’ ভোটে আওয়ামী লীগারদের ভোটও নিশ্চয় ছিল।
রেহমান সোবহানের কথাই হয়তো ঠিক, ‘আমরা সংস্কার নিয়ে একটা মিথ্যা বয়ানের মধ্যে পড়ে গেছি। জুলাই জাতীয় সনদে কী কী সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, সে বিষয়ে সাধারণ নাগরিকরা কিছুই জানেন না। রাষ্ট্র-সংস্কার নিয়ে একটা কাল্পনিক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।’
৫.
একটা নিরপেক্ষ সরকার গণভোটে কোনো পক্ষ অবলম্বন করতে পারে কি না, এই নিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন তুলেছিলেন। আবার অনেকে সরকারকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু আলী রীয়াজ সবচেয়ে বড় ভুল করেছিলেন—সরকারি কর্মচারী এবং অন্যান্য পেশাজীবী যাদের দায়িত্ব ছিল নির্বাচন তদারক করা, তাদেরকে যখন হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারে নামাতে চাইলেন; সেটা হতো চরম বিধ্বংসী।
সৌভাগ্য আমাদের, নির্বাচন কমিশন সাহস করে সরকারের এই উদ্যোগকে তীব্রভাবে বিরোধিতা করে। একটা সৎ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজন যে কেন, তা আমরা আরেকবার উপলব্ধি করলাম। সরকারি কর্মচারীরা গণভোটের হ্যাঁ-য়ের প্রচারে জড়িয়ে পড়লে পুরো জাতীয় নির্বাচনটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়তো।
ভোটের পরে কী হলো? ইউনূস সরকার সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদেও শপথ নেওয়ার নির্দেশনা জারি করল। বিএনপি বলল, কখন হলো সংবিধান সংস্কার পরিষদের ভোট? বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
যেহেতু বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করার অপেক্ষায় ছিল, তাদের সম্মতি ছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়ার কথা জনসমক্ষে প্রকাশ করা ছিল একটা বড় ভুল। এই জিনিসগুলো পর্দার আড়ালে ঠিক করে নিলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তাদের শেষ দিনে এত বিব্রত ও অসহায় দেখাত না। ইউনূস সরকার এখন ক্ষমতায় নেই, সনদের অবস্থাও এখন হ-য-ব-র-ল।
৬.
সনদ ও সংস্কারের প্রক্রিয়ায় অনেক ভুল ছিল, তাই বলে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা হারিয়ে যাবে না। আমাদের দেশে রাতের ভোট, একদলীয় ভোট, আমি ও ডামির ভোট এইসব দেখার পর কেউ কি চাইবে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন? কে না চাইবে একটা স্বাধীন বিচার বিভাগ থেকে সুবিচার আশা করতে?
জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাবিত এই সংস্কারগুলো যতক্ষণ পর্যন্ত একটি যৌক্তিক পরিণতি বা চূড়ান্ত রূপ না পাবে, ততক্ষণ এগুলো কেবল রাজনীতির অলিগলিতে ঘুরপাক খেতে থাকবে। এই অমীমাংসিত পরিস্থিতিকে পুঁজি করে কোনো পক্ষ হয়তো নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটবে, আবার কেউ কেউ সংস্কারের এই ব্যর্থতার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে বিএনপির ওপর চাপিয়ে তাদের দোষারোপ করার সুযোগ খুঁজবে।
জামায়াত ও এনসিপি জোট যদি রাষ্ট্র-সংস্কারের বিষয়ে সত্যিই আন্তরিক হয়, তবে বাস্তবতার নিরিখে তাদের অবশ্যই বিএনপির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা করতে হবে। এর কারণ হলো, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলেও সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথা ভুলে গেলে চলবে না। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলেও, সংসদে প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা না থাকায় তারা কোনো মৌলিক পরিবর্তন বা সংস্কার কার্যকর করতে ব্যর্থ হবে।
বিএনপি সরকারকে আগেভাগে হুঁশিয়ার থাকতে হবে। তাদেরকে এগারো দলীয় জোটের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এই সংস্কারগুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিএনপি বলেছে, সংস্কার নিয়ে তারা তাদের দেওয়া কথা অবশ্যই রাখবে। তবে তাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে এই সনদ ও সংস্কার যেন সংসদেই মীমাংসিত হয় এবং আবার রাজপথ পর্যন্ত না গড়ায়।
বিএনপি বলছে, জুলাই জাতীয় সনদ তারা ধারণ করে এবং বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে কিভাবে বাস্তবায়িত হবে, তাদের ডিসেন্টগুলোর কী হবে, তা বলছে না স্পষ্ট করে। তবে বিএনপি কিছু বাস্তববাদী উদ্যোগ নিতে পারে যাতে করে সনদ নিয়ে জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে রাজনৈতিক যুদ্ধ এড়ানো যায়। সনদের যে দুইটা প্রধান বিষয় নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত জোটের বড় বিরোধ, সেই দুইটা বিষয় ধরা যায় এখন একদম অপ্রয়োজনীয়। সংসদের উচ্চ কক্ষ কিভাবে গঠিত হবে— নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে মানে পিআর নাকি সংসদে পাওয়া আসনের আনুপাতিক হারে, তা নিয়ে হৈচৈ পুনরায় শুরু হওয়ার আগে নতুন করে ভাবতে হবে উচ্চকক্ষের কী প্রয়োজন?
আলী রীয়াজ বলেছেন, উচ্চ কক্ষ ক্ষমতার ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ বা ভারসাম্য রক্ষা করবে। কিভাবে করবে, তিনি তা বলেননি। বর্তমান অবস্থায় যেভাবেই উচ্চ কক্ষ করা হোক না কেন, বিএনপি হয়তো ৭০ আসন পাবে, জামায়াত-এনসিপি জোটের জন্য বাকি থাকে সর্বোচ্চ ৩০টা। এখন একটা খারাপ বিল যদি বিএনপি সরকার নিচের কক্ষে পাশ করে উচ্চ কক্ষে পাঠায়, উচ্চ কক্ষ কিভাবে বাধা হয়ে দাঁড়াবে?
বিএনপি সরকার উচ্চ কক্ষকে অপ্রয়োজনীয় ও ব্যয়বহুল বলে বাতিল করে দিতে পারে; জনগণ তাদের পক্ষে থাকবে। ছোট সাতটি দল আগেই উচ্চ কক্ষ অপ্রয়োজনীয় বলে আপত্তি জানিয়ে রেখেছে।
আরেকটা অপ্রয়োজনীয় সংস্কার হলো নির্দলীয় সরকারের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের নতুন আইন। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী যখন বাতিল ছিল, তখন সনদের এই ধারাটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এখন ত্রয়োদশ সংশোধনী শাসনতন্ত্রে ফিরে এসেছে। এর জন্য সংস্কার কমিশনের একজন সদস্য বদিউল আলম মজুমদারকে ধন্যবাদ দিতে হয়; তার উদ্যোগ এবং রিট পিটিশনগুলো এই প্রচেষ্টায় অনেকভাবে সহায়ক ছিল।
নির্দলীয় সরকার কিভাবে গঠন হবে তা নিয়েও দুই পক্ষের বড় রকমের মতভেদ আছে। দুই পক্ষ যদি ত্রয়োদশ সংশোধনী গ্রহণ করে, তাহলে সনদের এই বিষয়টাও বাতিল করে দেওয়া যায়। মনে রাখতে হবে, এই দেশের সবচেয়ে ভালো নির্বাচনগুলো হয়েছিল ত্রয়োদশ সংশোধনীর অধীনে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ, সকল সম্প্রদায়ের সহাবস্থান এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা এইসবসহ আরো অনেক বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে ঐকমত্য আছে; সেই বিষয়গুলো নিয়ে তারা কাজ করতে পারে। আমাদের রাজনীতিবিদেরা এইসব বিষয়গুলো নিয়ে রাজনীতি না করলে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো নিয়ে সমঝোতা করা সহজ হবে। তাতে দেশের উপকার হবে এবং সংসদের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা বাড়বে।
সালেহ উদ্দিন আহমদ শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক