০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যে সরকার এসেছিল বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে, তারা বিদায় নিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিভাজনের রেখাটি টেনে দিয়ে! এই বিভাজনের রাজনীতি কি তবে অন্তর্বর্তী সরকারের অবধারিত নিয়তি ছিল?
হামে শিশু মৃত্যু যেমন প্রতিরোধযোগ্য, তেমনি ধর্ষণের মতো নৃশংস অপরাধও। যখন কাফনে মোড়ানো ছোট্ট দেহগুলো দেখি, তখন মনে হয়, আমরা কোনো সভ্য দেশ নই, বরং বর্বরতার এক প্রদর্শনী কেন্দ্র।
জুলাই গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত রাষ্ট্র-সংস্কারের উদ্যোগটি শুরু হয়েছিল বড় আশা নিয়ে। কিন্তু প্রক্রিয়ার গলদ ও রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণে সেই উদ্যোগই এখন নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।
“রাষ্ট্র সংস্কারের ক্ষেত্রে যতটুকু মজবুত বা শক্তিশালী হতে পারতো, ততটুকু হয়নি।”
পলাশীতে হার মানিয়েছিল বিশ্বাসঘাতকতা, একাত্তরে জিতিয়েছিল সাহস—চব্বিশের পর কোনটি প্রাধান্য পাবে?
জ্বালানি খাতে সংঘবদ্ধ দুর্নীতির শিকড় এত গভীরে যে, বিচার শুরু না হলে কোনো সংস্কারই টেকসই হবে না।
ভোটাররা আটকে আছে একই প্রশ্নে—মন্দ আর কম মন্দের বাইরে কি কোনো রাজনৈতিক বিকল্প জন্ম নেবে?
গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার ও গণভোট ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। ঐকমত্যের জায়গায় বিভাজন, সংস্কারের জায়গায় শঙ্কা—এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ হওয়া উচিত আস্থা ফিরিয়ে আনা।