২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
“ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বা স্বৈরাচারকে দিতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাআল্লাহ একসঙ্গেই থাকব।”
“জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাচ্ছি না।”
“আগে একটা দল ক্ষমতায় ছিল, তাদের পর আরেকটা দল ক্ষমতায় বসেছে, এটাই অভ্যুত্থানের প্রাপ্তি," মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিন।
“আমার মনে হয়, জুলাই সনদ জনগণের মধ্যদিয়ে হয়নি। জনগণ যতটুকু চেয়েছে, ততটুকু হয়নি,” বলেন জোবাইদা নাসরীন।
যে সরকার এসেছিল বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে, তারা বিদায় নিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিভাজনের রেখাটি টেনে দিয়ে! এই বিভাজনের রাজনীতি কি তবে অন্তর্বর্তী সরকারের অবধারিত নিয়তি ছিল?
হামে শিশু মৃত্যু যেমন প্রতিরোধযোগ্য, তেমনি ধর্ষণের মতো নৃশংস অপরাধও। যখন কাফনে মোড়ানো ছোট্ট দেহগুলো দেখি, তখন মনে হয়, আমরা কোনো সভ্য দেশ নই, বরং বর্বরতার এক প্রদর্শনী কেন্দ্র।
জুলাই গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত রাষ্ট্র-সংস্কারের উদ্যোগটি শুরু হয়েছিল বড় আশা নিয়ে। কিন্তু প্রক্রিয়ার গলদ ও রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণে সেই উদ্যোগই এখন নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।
“রাষ্ট্র সংস্কারের ক্ষেত্রে যতটুকু মজবুত বা শক্তিশালী হতে পারতো, ততটুকু হয়নি।”