Published : 02 Dec 2025, 01:09 PM
বড়দিনের কথা মনে হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সবুজ ক্রিসমাস ট্রি, লাল-সবুজ-সোনালি আলোয় ঝলমল করছে, চূড়ায় জ্বলজ্বল করছে তারা, পাতায় পাতায় ঝুলছে রঙিন বল আর মিটমিটে মরিচবাতি।
সান্তা ক্লজের লাল টুপি ছাড়া যেমন বড়দিন অপূর্ণ, তেমনি এই গাছ ছাড়াও অচিন্তনীয়।
রাজধানীর গুলশান, ধানমণ্ডি, বনানী, উত্তরা আর বসুন্ধরা সিটির গিফট শপগুলোতে কৃত্রিম ‘ক্রিসমাস ট্রি’র ছড়াছড়ি।
তিন পা কিংবা চার পায়ার স্ট্যান্ডে দাঁড়ানো সবুজ গাছ। পাতা কোঁকড়ানো, কিংবা একদম মসৃণ। উচ্চতা ছয় ইঞ্চি থেকে আট ফুট পর্যন্ত— দাম ৫শ থেকে ৪ হাজার টাকা।
এরচেয়ে বড় চাইলে প্রি-অর্ডার দিতে হবে, দাম পড়বে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা।

তেজগাঁও চার্চের কাছে কয়েকটি দোকান আছে।
এক দোকানের মালিক ভিরোনিকা সরকার জানালেন- তার দোকানে প্যাকেজ অফার দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকায় পুরো সেট পাওয়া যাবে। যাতে থাকছে— ক্রিসমাস ট্রি, বাতি, বল, গোশালা।
আলো ছাড়া ক্রিসমাস ট্রি যেন অন্ধকার। তাই লতানো মরিচবাতির চাহিদা তুঙ্গে। লাল-সবুজ-নীল-হলুদ-সাদা— যে রংই ভালো লাগুক- ১২ ফুটের একেকটা লতানো আলোর দামের শুরু দেড়শ টাকা থেকে।
বিভিন্ন আকারের তারা সাথে এলইডি আলো যুক্ত, দাম ৪শ’ থেকে এক হাজার টাকা। আছে আঙুর, প্রজাপতি, গোলাপ, সূর্যমুখী আকৃতির ফ্যান্সি বাতিও, দাম আড়াইশ থেকে ৭শ’ টাকা।
রঙিন চকচকে বলের বাক্স ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা।
খড়ের গোশালা বা কুঁড়েঘর ৬শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। জরির কাগজের মালা, শুভেচ্ছা কার্ড, সান্তা পুতুল, মোমবাতি— ৫০ থেকে আড়াইশ টাকার মধ্যে।
পুরান ঢাকার চকবাজারে তো পুরো মেলা। খুচরা-পাইকারি দুভাবেই বিক্রি হয়। ছোট ক্রিসমাস ট্রি দুই থেকে পাঁচ হাজার, মাঝারি ছয় থেকে ১০ হাজার, বড় ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা।

সুগন্ধি মোমবাতি, পাটের দড়ি, ঘণ্টা, কৃত্রিম ফুল— সবই পাইকারি দরে মিলে।
আসল পাইন বা ফার গাছ চান? আগারগাঁওয়ের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের নার্সারি, ফার্মগেট, তেজগাঁওয়ের হলিক্রস গির্জার সামনে, পল্টনের পলওয়েল মার্কেটে দুই থেকে পাঁচ ফুটের আসল ক্রিসমাস ট্রি পাওয়া যাবে ৫শ’ থেকে দেড় হাজার টাকায়।
আরও পড়ুন