১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নওশাদের স্যুপে উষ্ণ স্বাদ

শুধু মুরগির মাংসের স্যুপের স্বাদ নিতে চাইলে ঢুঁ দেওয়া যায় মোহাম্মদপুরের নওশাদে।

লাইফস্টাইল ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Jan 2026, 06:27 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:30 PM

ঢাকার মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডে লাল-সবুজ বাতির নকশায় সাইনবোর্ডে লেখা ‘নওশাদ স্যুপ’। এই ছোট্ট দোকানটি শুধু চিকেন স্যুপ বিক্রি করে, কিন্তু স্বাদ ও সততায় হয়ে উঠেছে এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।

দোকানে বসার জায়গা সীমিত— মাত্র দশেক প্লাস্টিকের টুল। তবু বিকাল থেকে রাত অবধি খদ্দেরের ভিড় লেগে থাকে।

ছুটির দিনে তো ভেতরে জায়গা পাওয়া দায়। বাইরেও অনেকে দাঁড়িয়ে বা রাস্তার ধারে বসে উপভোগ করেন গরমাগরম স্যুপ।

দোকানের ম্যানেজার মো. মানিকের কথায়, “প্রতিদিন গড়ে ৩শ’ বাটি স্যুপ বিক্রি হয়। সপ্তাহের সাত দিনই খোলা থাকে। বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। শুক্রবারসহ ছুটির দিনে ভিড় আরও বেশি হয়।”

নওশাদের স্যুপের বিশেষত্ব কী?

এই স্যুপের মূল উপাদান চিকেন স্টক, কর্নফ্লাওয়ার, ডিম, ফালি করা মুরগির মাংস এবং সাদা গোলমরিচ।

পরিবেশনের সময় বাটিতে যোগ করা হয় ভিনেগারে ভেজানো কাঁচামরিচ। আলাদা করে দেওয়া হয় বিট লবণ, টমেটো ক্যাচাপ এবং বোম্বাই মরিচের সস।

স্যুপটি বেশ ঘন, মাংসের পরিমাণ প্রচুর এবং কৃত্রিম উপাদান এড়িয়ে প্রাকৃতিকভাবে রান্না করা হয়।

পল্টন থেকে বোনকে নিয়ে স্যুপ খেতে আসা সানজিদা হক বলেন, “অনেক জায়গায় স্যুপ খেয়েছেন, কিন্তু নওশাদের স্যুপের স্বাদ আলাদা। শুরু থেকে একই মান বজায় রেখেছেন।”

শুধু মুরগির মাংস ব্যবহার করেন, মাংসের পরিমাণও উদার। বিশেষ করে বোম্বাই মরিচের সসের ঘ্রাণ ও স্বাদ অসাধারণ।

ঝাল সহ্য না করলেও সামান্য নিলে মুগ্ধ হতে হয়।

তিনি মনে করেন, এই স্যুপ যেকোনো নামী চাইনিজ রেস্তোরাঁকে টেক্কা দিতে পারে।

দাম ও পার্সেল

দোকানে বসে খেলে প্রতি বাটি স্যুপের দাম ৬০ টাকা। পার্সেলের জন্য বিভিন্ন আকারের বাটি পাওয়া যায়, শুরু ১২০ টাকা থেকে।

মোহাম্মদপুরের পথের খাবারের জগতে নওশাদ স্যুপ অনন্য নাম। সাধারণ উপাদানে সততার সঙ্গে রান্না করা এই স্যুপ শীতের সন্ধ্যায় উষ্ণতা ও স্বাদের নিশ্চয়তা দেয়।

আরও পড়ুন

শীতের সন্ধ্যায় ঝাল-গরম কাবাব

অর্গানিক খাবারের রেস্তোরাঁ নিয়ে স্বাগতা

নিরামিষ রেস্তোরাঁয় ভোজন

রাজধানীতে পথের ধারে পাহাড়ি স্বাদের টানে