Published : 14 Jun 2026, 01:01 PM
তেল-হলুদ ছাড়া সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এই রান্নার মূল আকর্ষণ হল, এর ক্ষারীয় স্বাদ। তবে বাঙালি রান্নার সঙ্গে মিলিয়ে এখন অনেকেই তেল ও পেঁয়াজ ব্যবহার করেন।
![]() |
আর এই মজার রান্নার রেসিপি দিয়েছে সৌখিন রন্ধনশিল্পী হিরা রেমা। |
উপকরণ
দেশি মুরগির মাংস: ১ কেজি (ছোট টুকরো করা)
আদা বাটা: ২ চা-চামচ
রসুন বাটা: ১ চা-চামচ
কাঁচামরিচ: ১০ থেকে ১৫টি (ঐতিহ্যবাহী স্বাদ পেতে ফালি করা বা থেঁতো করা কাঁচামরিচ একটু বেশি দেওয়াই ভালো)। কারণ ঝাল বেশিতে এই খাবার বেশি মজা।
খাবার সোডা (বেইকিং সোডা): আধা চা-চামচ (গারোরা প্রথাগতভাবে কলা গাছের ছাই থেকে তৈরি ক্ষার পানি বা 'কালচি' ব্যবহার করেন)
লবণ: স্বাদ মতো
পেঁয়াজ কুচি: ১ কাপ (ঐচ্ছিক: ঐতিহ্যবাহী গারো খারি রান্নায় তেল ও পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয় না। তবে স্বাদ বাড়াতে অনেকে এটি যোগ করেন)
তেল: পরিমাণ মতো (ঐচ্ছিক: মূল রেসিপি তেলহীন হলেও ফিউশন স্বাদের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে)

পদ্ধতি
প্রথমে একটি কড়াই বা পাত্রে মাংসের টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
এবার মাংসের সঙ্গে আদা বাটা, রসুন বাটা, কাঁচামরিচ ফালি, লবণ এবং খাবার সোডা (বা কালচি) একসাথে যোগ করতে হবে। (পেঁয়াজ ও তেল ব্যবহার করলে, এই ধাপে যোগ করুন)।
সব উপকরণ হাত দিয়ে খুব ভালো করে মেখে (মেরিনেইট করে) নিন। গারো রান্নায় হাত দিয়ে মাখার এই ধাপ গুরুত্বপূর্ণ।
এবার পাত্রটি মাঝারি আঁচে চুলায় বসিয়ে দিন। কোনো পানি ছাড়া নিজের বাষ্পেই মাংসটি প্রায় ৫ মিনিট ভালো করে কষিয়ে নিন। ক্ষার বা সোডার কারণে মাংস দ্রুত নরম হতে শুরু করবে।
কষানো হলে মাংস সেদ্ধ হওয়ার জন্য পরিমাণমতো পানি দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন।
ঝোল শুকিয়ে একদম মাখা মাখা হয়ে আসলে (তেল ব্যবহার করলে তা ওপরে ভেসে উঠলে) নামিয়ে নিন।
গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন দারুণ সুস্বাদু ও ঐতিহ্যবাহী দো খারি।
আরও রেসিপি