Published : 30 Jun 2026, 11:43 PM
চট্টগ্রামে প্রস্তাবিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার কার্যালয় ‘যৌক্তিক স্থানে’ স্থাপনের দাবিতে ঢাকা-খাগড়াছড়ি ও খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের তিন পয়েন্টে রাস্তা অবরোধ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ এবং মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো, বালুটিলা ও নারায়ণহাট বাজার এলাকায় ‘উত্তর ফটিকছড়ির সচেতন নাগরিক সমাজের’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের বাসিন্দা জীবন মুছা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ফটিকছড়িকে দুইটি উপজেলায় ভাগ করার দাবি দীর্ঘদিনের। ২০২৩ সালে এ জন্য গণশুনানির আয়োজন করেছিল জেলা প্রশাসন। গণশুনানির পর তৎকালীন ইউএনও মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদনও দিয়েছিলেন।

“বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভুজপুর, হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়ন নিয়ে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা গঠনের প্রস্তাবনা দিয়েছে সরকার। বিষয়টি বুধবার নিকার (প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি) সভায় উত্থাপন হওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৩ সালের গণশুনানির পর সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে উত্তরের পাঁচটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত উত্তর উপজেলা সদর নারায়ণহাট দাঁতমারার মধ্যবর্তী স্থানে জুজখোলা মৌজায় স্থাপনের জন্য প্রস্তাবনা পাঠান হয়।
“কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহলের মাধ্যমে প্রশাসনের গুটিকয়েক কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে দক্ষিণের সুয়াবিলকে সংযুক্ত করে উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর ভুজপুরে স্থাপনের জন্য নতুন করে প্রস্তাবনা পাঠান।”
আন্দোলকারীরা প্রস্তাবিত উপজেলার সদর জুজুখোলা মৌজাতেই রাখার দাবি তোলেন।
এদিকে সকাল থেকে ঢাকা-খাগড়াছড়ি ও খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধের কারণে রাস্তার উভয় পাশে কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। ফলে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
দুপুর ১টায় অবরোধ তুলে তুলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।