Published : 03 Jul 2026, 01:07 PM
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনায় একটি বিষয় বারবার সামনে আসে, তা হলো ধারাবাহিকতার অভাব। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে, নতুন নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে, পাঠ্যবই পরিবর্তন করা হয়েছে, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হয়েছে এবং শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এসব উদ্যোগের অনেকগুলোই দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রমাণিত হয়নি। কখনো আধুনিকায়নের নামে নতুন পদ্ধতি চালু হয়েছে, আবার কিছুদিন পর তা দেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বাতিল করা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবক—সকলকে বারবার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হয়েছে। এর ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি স্থিতিশীল ও সুসংহত ভিত্তি গড়ে ওঠার সুযোগ অনেকাংশেই বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
একসময় সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে বিশ্লেষণধর্মী ও চিন্তাশীল শিক্ষার্থী গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ছিল। কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতির ঘাটতি থাকায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জিত হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সৃজনশীলতা বিকাশের পরিবর্তে নতুন ধরনের কোচিং-নির্ভরতা তৈরি করেছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি বেড়েছে; শিক্ষকরা নিজেরাও অনেক সময় নতুন পদ্ধতির সঙ্গে পুরোপুরি খাপ খাওয়াতে পারেননি। ফলে যে পরিবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নের আশা করা হয়েছিল, তা অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
এই চলমান পরিবর্তন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যেই ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর আঘাত আসে। বাংলাদেশসহ বিশ্ব শিক্ষা ব্যবস্থা সম্ভবত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি হয়। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। বিদ্যালয়, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষগুলো নীরব হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা ঘরে বন্দি অবস্থায় অনলাইন শিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, ইন্টারনেট সংযোগের দুর্বলতা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে ওই প্রচেষ্টা সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি। শহরের কিছু শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারলেও গ্রামাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী কার্যত শিক্ষার মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
মহামারীর প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে পাবলিক পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে। ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতই হয়নি। শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করা হয়। ফলে ওই বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা কোনো চূড়ান্ত বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের সুযোগ পায়। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থীদের অনেকেই স্নাতকোত্তর বা তারও উচ্চতর পর্যায়ে অধ্যয়ন করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের বাইরে থেকে গেছে।
শুধু ২০২০ সালই নয়, পরবর্তী কয়েক বছরও দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ছিল অস্বাভাবিক ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ভিত্তিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং সীমিত সংখ্যক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়। এর ফলে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়; এসএসসিতে পাসের হার ৯০ শতাংশেরও বেশি হয় এবং এইচএসসিতেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ২০২২ সালেও শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেনি। সংক্ষিপ্ত সিলেবাস, সীমিত সময় এবং বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হয়।
২০২৩ সালে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরীক্ষাব্যবস্থা ফিরে এলেও ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন কারণে কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ফলাফল নির্ধারণে বিষয়ভিত্তিক ম্যাপিং পদ্ধতি অনুসরণ করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এসব ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলকভাবে উচ্চ পাসের হার অর্জন করলেও তাদের জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশে একটি সুস্পষ্ট ঘাটতি তৈরি হতে থাকে, যার প্রভাব পরবর্তী শিক্ষাস্তরে গিয়ে আরও প্রকটভাবে দৃশ্যমান হয়। তাই এই পরিবর্তনগুলোকে কেবল পাসের হার বা ফলাফলের পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করলে চলবে না; বরং এগুলো শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষাগত সক্ষমতা, শেখার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতার ইঙ্গিত বহন করে।
শিক্ষাবিদদের অনেকেই মনে করেন, একটি প্রজন্মের শিক্ষাজীবনে যে ধরনের ধারাবাহিকতা থাকা প্রয়োজন, তা গত কয়েক বছরে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণের সুযোগ পায়নি। তারা সংক্ষিপ্ত সিলেবাস, সীমিত পরীক্ষা এবং অনিয়মিত পাঠদানের মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছে। এর প্রভাব শুধু পরীক্ষার ফলাফলে নয়, তাদের বিশ্লেষণী ক্ষমতা, ভাষাগত দক্ষতা, গবেষণামনস্কতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতার ওপরও পড়ছে বলে অনেক শিক্ষক মন্তব্য করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এই সংকট আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা অভিযোগ করছেন যে, নতুন শিক্ষার্থীদের মধ্যে মৌলিক জ্ঞানের ঘাটতি আগের তুলনায় বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী পাঠ্যবই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলেছে, দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে না এবং উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তিগত দক্ষতায় দুর্বলতা প্রদর্শন করছে। এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়; বরং দেশের সামগ্রিক শিক্ষা বাস্তবতার প্রতিফলন।
এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা খাতের সামনে আরেকটি নতুন চ্যালেঞ্জ এসে দাঁড়িয়েছে। বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় দেশে বিভিন্ন বিদ্যুৎ সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ওই উদ্যোগের অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদানের সময়ও কমিয়ে আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্বের ৫০ মিনিটের ক্লাসের পরিবর্তে ৪০ মিনিট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে একটি চার ক্রেডিটের কোর্সে মোট পাঠদানের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। পরিসংখ্যানগতভাবে দেখা যায়, প্রতিটি ক্লাস থেকে ১০ মিনিট কমে যাওয়ার অর্থ হলো একটি সেমিস্টার শেষে শিক্ষার্থীরা মোট পাঠঘণ্টার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ থেকে এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হারাচ্ছে।
অনেকে যুক্তি দিতে পারেন যে, ১০ মিনিট খুব বড় কোনো বিষয় নয়। কিন্তু শিক্ষা ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে সময় কমতে থাকলে তার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে গভীর হতে পারে। একটি বিষয় শেখানোর জন্য শিক্ষক যে পরিকল্পনা করেন, তা নির্দিষ্ট সময় ধরে শ্রেণিকক্ষে আলোচনা, প্রশ্নোত্তর, উদাহরণ বিশ্লেষণ এবং অনুশীলনের ওপর নির্ভরশীল। সময় কমে গেলে শিক্ষককে দ্রুত পাঠ শেষ করতে হয়, ফলে গভীর আলোচনা এবং শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যায়। বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রকৌশল, চিকিৎসা এবং গবেষণামুখী বিষয়ে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বেশি হতে পারে।
একটি জাতির উন্নয়নের মূল ভিত্তি তার মানবসম্পদ। রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র কিংবা আধুনিক প্রযুক্তি যতই নির্মাণ করা হোক না কেন, দক্ষ ও জ্ঞানসম্পন্ন নাগরিক ছাড়া সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব নয়। বর্তমানের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, প্রশাসক, উদ্যোক্তা, গবেষক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তুলবে। আজ তাদের শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব আগামী কয়েক দশক ধরে জাতীয় উন্নয়নের ওপর পড়বে।
এ কারণেই শিক্ষা খাতে যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করা জরুরি। বিদ্যুৎ সাশ্রয় অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু ওই সাশ্রয়ের বোঝা যদি প্রধানত শিক্ষা খাতের ওপর চাপানো হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তার মূল্য আরও বেশি হতে পারে। বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্যান্য খাতে আরও কার্যকর তদারকি ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সাশ্রয়ের সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের খোলার সময়, অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শক্তির অপচয় এবং অন্যান্য খাতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব হতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাজার, শপিং সেন্টার এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ের পর সীমিত করা গেলে রাতের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা কমতে পারে। সঠিক তদারকি ও পরিকল্পনার মাধ্যমে যদি বাণিজ্যিক খাতে কিছুটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা যায়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানের সময় কমানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে। শিক্ষা এমন একটি খাত, যেখানে হারানো সময় পরে পুরোপুরি পূরণ করা অত্যন্ত কঠিন।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে রয়েছে অতীতের নীতিগত অস্থিরতা, অন্যদিকে রয়েছে মহামারীর ক্ষত এবং নতুন বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিক্ষার ধারাবাহিকতা ও মান রক্ষা করা। শিক্ষার্থীদের হারিয়ে যাওয়া শিক্ষাঘণ্টা ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা, পাঠ্যক্রমকে বাস্তবসম্মত করা এবং শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
শিক্ষা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিবর্তে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিক বাস্তবায়ন। কারণ একটি প্রজন্মের শিক্ষাজীবনে সৃষ্ট ঘাটতি শুধু তাদের ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়; এটি জাতীয় ক্ষতিও বটে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং সামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে উঠছে আজকের শ্রেণিকক্ষে। ওই শ্রেণিকক্ষের সময়, মান এবং কার্যকারিতা রক্ষা করা তাই কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়; এটি সমগ্র রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। সরকার, শিক্ষাবিদ, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে আর কোনো প্রজন্ম অসম্পূর্ণ শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগোতে বাধ্য না হয়।
খালিদুর রহমান শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক। ই-মেইল: [email protected]