Published : 29 Apr 2026, 12:29 AM
কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে বন্দর নগরীর বেশ কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির পর নগরীর দুটি খালে সংস্কার কাজের জন্য দেওয়া বাঁধ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ক কর্তৃপক্ষ-সিডিএ।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামে টানা কয়েক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে ‘জলাবদ্ধতাপ্রবণ’ পুরনো এলাকার সঙ্গে নতুন নতুন এলাকাও তলিয়ে যায়। এমনকি সন্ধ্যাতেও বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি নামেনি।
মূলত হিজড়া খাল এবং জামালখান খালে বাঁধের কারণে সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সিডিএ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) কর্মকর্তাদের দাবি।
বর্ষা শুরুর আগেই হওয়া জলাবদ্ধতা নিয়ে জনমনে ‘তীব্র প্রতিক্রিয়া’ সৃষ্টির পর মঙ্গলবার বিকেলে খাল দুটির সংস্কার কাজের জন্য দেওয়া বাঁধ কেটে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা বলেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম। তাতে করে দুই খালে চলমান সংস্কার কাজ আগামী শুষ্ক মৌসুম শুরুর আগে আর হবে না।
তবে ঝড়-বৃষ্টির সময় শুরুর আগে খালের সংস্কার শেষ না করা ও বাঁধ কেটে না দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছে নগরবাসী।

কত বৃষ্টি, কোথায় ডুবল
মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্দর নগরীর আকাশ ছিল মেঘলা। বেলা ১০টার পর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। বেলা ১১টার পর ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। দুপুর ১২টা থেকে মুষুলধারে বৃষ্টি শুরু হয়, চলে ২টা পর্যন্ত।
তবে বিকেল ৩টার পর বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে আসে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পতেঙ্গা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এ দিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এরপর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পরের তিন ঘণ্টা বৃষ্টি হয়েছে আরো ৬ মিলিমিটার।
অন্যদিকে আমবাগান আবহাওয়া অফিসের হিসেবে, দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তীয় ছয় ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৮১ মিলিমিটার। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমাণ ৯১ মিলিমিটার।
মঙ্গলবার দুপুরে বৃষ্টি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীর কয়েকটি এলাকার সড়কে পানি জমতে শুরু করে। শুরুতে প্রবর্তক মোড় ও আশেপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
এরপর চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট মোড়, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, তিন পোলের মাথা, হেমসেন লেন, জামালখান রোড, রহমতগঞ্জ, দেওয়ানজি পুকুরপাড়, জে এম সেন হল লাগোয়া গলি এবং সিরাজুদ্দৌলা রোডের কাঁচাবাজার থেকে মাছুয়া ঝর্ণা পর্যন্ত অংশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
ভোগান্তি সীমাহীন
জলাবদ্ধতার কারণে দিনভর চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরীতে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে চলাচলকারী যাত্রী ও পথচারীরা। এছাড়া এসএসসি পরীক্ষা শেষে পানি ডিঙিয়ে বাসাবাড়িতে ফিরেছে পরীক্ষার্থীরা।
বিকেলেও সিরাজুদ্দৌলা সড়কের সাব এরিয়া এলাকায় সড়কে কোমর সমান পানি দেখা গেছে।
ওই পথ দিয়ে পানি ডিঙিয়ে তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে রুমঘাটা এলাকার বাসায় ফিরছিলেন গৃহিনী প্রিয়ঙ্কা মজুমদার। তিনি বলেন, “আমার মেয়ের এসএসসি পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার পর সে বাসায় ফিরতে গিয়ে সাব এরিয়া এলাকায় এসে পানিতে আটকে যায়। আমি তখন গিয়েছিলাম, ছোট ছেলেকে তার স্কুল থেকে আনতে।
“মেয়ের কাছে মোবাইল ফোন ছিল না। মেয়ে কোমর পানি পার হয়ে বাসায় গেছে। পাড়ার এক দোকান থেকে ফোন করে আমাকে জানায়, সে বাসায় পৌঁছেছে। ততক্ষণে টেনশনে আমার অসুস্থ হবার দশা। ছেলেকে নিয়ে আমি পানি পার হয়ে বাসায় যেতে পারিনি। পরে জামালখানে এক আত্মীয়র বাসায় গিয়ে অপেক্ষায় ছিলাম পানি নামার।”
বিকেল সাড়ে চারটায় যখন প্রিয়ঙ্কা ছেলেকে নিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন তখনও সেখানে পানি জমে ছিল।
ওই সড়কের কাঁচাবাজার অংশে দেখা যায় রিকশা-ভ্যানে লোকজনকে পারাপার হতে। পানি থাকায় বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা যাত্রীদের সেখানে নামিয়ে দিচ্ছিল। প্রতি জন ২০ টাকা হিসেবে সড়কের আধা কিলোমিটার অংশ রিকশাভ্যানে করে পার হচ্ছিলেন যাত্রীরা।
পাশের জয়নব কলোনিতে সকালে পানি ছিল বুক সমান। বিকেলেও সেখানে হাঁটু সমান উচ্চতায় জলাবদ্ধতা দেখা যায়।
এছাড়া নগরীর দেওয়ানজি পুকুরপাড়, জে এম সেন হলের পাশের গলি, রহমতগঞ্জ ও জামালখান এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় মঙ্গলবার। এসব এলাকার ভিতর দিয়ে বয়ে গেছে জামালখান খাল। সেই খালে জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘মেগা প্রকল্পের আওতায়’ বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে সংস্কারের কাজ চলছে।
জামালখানের প্রচ্ছদ গলির বাসিন্দা শৈবাল পারিয়াল বলেন, “মার্চ মাসের শুরু থেকে আমাদের গলিতে খালের কাজের জন্য পানি জমে ছিল। সিটি করপোরেশনের লোকজন থেকে শুরু করে খালের কাজের ঠিকাদার, সবাইকে বলেছি পানি নামানোর একটা ব্যবস্থা করতে।

“তারা বলেছে ১৫ মে পর্যন্ত কাজ করে খালের বাঁধ সরিয়ে নেবে। তারপর আর পানি উঠবে না। কিন্তু চলতি মাসে বৃষ্টি হবে জানিয়ে বারবার তাদের অনুরোধ করেছি ১ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ করতে; তারা শোনেনি।”
ক্ষোভ জানিয়ে শৈবাল পারিয়াল বলেন, “আজ গলিতে কোমর সমান পানি। আমাদের বাড়িতে ময়লা পানি ঢুকে পানির রিজার্ভ ট্যাঙ্ক ভরে গেছে। খাবার পানি নেই। এরমধ্যে ছয় ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎও নেই।”
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে নগরীর গোলপাহাড় ও প্রবর্তক মোড় এলাকায় বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়গনস্টিক সেন্টার আছে। শহরের ‘চিকিৎসা জোন’ হিসেবে এলাকাটি পরিচিত।
এতদিন প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত জলাবদ্ধতা হলেও চমেক হাসপাতালের সামনের সড়কে পানি উঠত না। মঙ্গলবার ওই সড়কে এবং চমেক অডিটোরিয়াম ও নার্সিং কলেজের গলিতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
বেলা ১১টার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা নিদারুণ ভোগান্তিতে পড়েন।
ওই এলাকার কাছেই প্রবর্তক মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, হিজড়া খালের পাঁচলাইশ সংলগ্ন অংশে খালের ভেতর বাঁধ দেওয়া। বাঁধের কারণে খাল সংলগ্ন চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকাতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কাতালগঞ্জে সড়কের এক অংশ বন্ধ রেখে হিজড়া খালের কালভার্টের কাজ চলছে গত প্রায় দুই মাস ধরে।
আগ্রাবাদ এলাকায় সন্ধ্যায়ও সড়কে পানি জমে ছিল। সেই পানি ডিঙিয়ে অফিস ফেরত মানুষকে ফিরতে হচ্ছিল।
বাঁধ কাটার সিদ্ধান্ত, বিলম্বে ক্ষোভ
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান ‘মেগা প্রকল্পের’ আওতায় ৩৬টি খাল সংস্কারে কাজ করছে সিডিএ।
ওই প্রকল্পের অধীনে বেশিরভাগ খালের কাজ সম্পন্ন হলেও এখনো চলছে হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কার। এছাড়া চশমা খালের একাংশে কাজ বাকি আছে।
নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির পর বিকেলে উপদ্রুত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
পরিদর্শন শেষে মেয়র বলেন, “সিডিএর আওতাধীন খাল সংস্কার কাজ- বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।
“এতে সাময়িক দুর্ভোগ তৈরি হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ১৫ মে এর মধ্যে সিডিএর খাল সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।”
চলতি বছর বর্ষা মৌসুমেই নগরীর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে দাবি করে, এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলেন মেয়র।
এ প্রসঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হিজড়া খাল ও জামালখান খালে সংস্কার কাজ চলছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল কিছু কাজ এগিয়ে তারপর বাঁধ কেটে দেব। কারণ খালের ভিতর বাঁধ দিতে সময় লাগে। কিন্তু এখন হঠাৎ করে ভারি বৃষ্টি হয়েছে। তাই আজ বিকেল থেকে আমরা দুই খালের বাঁধ কেটে দিচ্ছি। খাল সংস্কারের কাজও বন্ধ করে দিচ্ছি। এখন আর কাজ হবে না।
“আবার শুষ্ক মৌসুমে কাজ শুরু হবে। জামালখান খালে অল্প কিছু কাজ বাকি আছে। হিজড়া খালের কাতালগঞ্জ পর্যন্ত অংশে কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ পরের সিজনে করা হবে।”
সিডিএর এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে জামালখানের বাসিন্দা শৈবাল পারিয়াল বলেন, “শহরের এতগুলো এলাকা তলিয়ে সবকিছুর ‘ভরাডুবি’ হবার পর কেন তারা এখন বাঁধ কাটার কথা বলছে? এটা বৃষ্টি শুরুর আগে কাটলে কী এমন ক্ষতি হত। সেবা সংস্থাগুলোর কাজই যেন মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা।”
পরিবেশবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী বলেন, “এক দশক আগে দু’শ-আড়াইশ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা হত। এখন একশ’ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতা হচ্ছে। রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় আসবে-যাবে কিন্তু প্রকল্পে কাজ আর শেষ হবে না। চট্টগ্রামবাসীকে এই বিপর্যয় হয়ত মেনেই নিতে হবে।”
রাজনীতিবিদ ও সেবা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের ‘জবাবদিহিতা ও আত্মজিজ্ঞাসা’ না থাকলে প্রকল্পের সুফল জনগণ পাবে না দাবি করেন মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী। তার ভাষ্য, “নগরীর প্রান্তিক মানুষ অতীতেও কষ্ট পেয়েছে; ভবিষ্যতেও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পরিস্থিতি এমন, প্রকল্প আসবে যাবে, ব্যয় বাড়াতে কাজ চলবে। কিন্তু জলাবদ্ধতা মিটবে না, সুফলও মিলবে না।”
নগরীর ৫৭টি খালের মধ্যে ৩৬টি নিয়ে ২০১৭ সালের ৯ অগাস্ট একনেকে জলাবদ্ধতা নিরসনের ‘মেগা প্রকল্প’ অনুমোদন হয়। পরের বছর ২৮ এপ্রিল চশমা খালের আবর্জনা অপসারণের মধ্যে দিয়ে এর কাজ শুরু করে সিডিএ। প্রকল্পটির পূর্ত কাজ করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।
শুরুতে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। প্রকল্প শেষের সময় ধরা হয়েছিল ২০২৩ সালের জুন। পরে ২০২৩ সালের নভেম্বরে সংশোধন শেষে প্রকল্প ব্যয় আরো ৩ হাজার ১০ কোটি টাকা বেড়ে হয় মোট ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। মেয়াদ ঠিক করা হয় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত।
প্রকল্পের আওতায় রয়েছে ১৬৩ কিলোমিটার প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ, ১১৫টি সেতু ও কালভার্ট, ২৭টি সিল্ট ট্র্যাপ, ছয়টি রেগুলেটর নির্মাণ, ২৩ দশমিক ২০ কিলোমিটার নতুন নালা, ৩৬ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার খালের পাশে সড়ক নির্মাণ এবং ৯০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নালা সম্প্রসারণ।
চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৯৫ শতাংশ। এর মধ্যে ২৬টি খাল শতভাগ এবং ৭টি খালের ৮৭-৯৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। হিজড়া খাল, জামালখান খাল ও রামপুর খালের কাজ চলমান।
পুরনো খবর-
কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প শেষের পথে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কী হবে?
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: প্রকল্প ঘিরেই ভোগান্তি শেষের আশা
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: প্রকল্পের কাজ শেষের দিকে, 'মুক্তি' মিলবে কবে?
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: 'প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা ভেবে দেখা হবে'
কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম
অতি ভারি বৃষ্টিতেও ডোবেনি চট্টগ্রাম নগরী