Published : 03 Jun 2026, 06:45 PM
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম। প্রতিবছরই হাওরের নিচু জমিতে 'লাখাইয়া' ও 'জগলি' নামের দেশি বোরো ধানের চাষ করেন। তার ভাষায়, “আমার ২৫ কিয়ার জমি একেবারে হাওরের তলানিতে। ওই জমিতে প্রতিবছর দেশি জাতের ধান লাগাই। বছর শেষে ২৫০ থেকে ৩০০ মণ ধান পাই।”
তিনি জানান, এই নিচু জমিতে ধান চাষ মানেই ‘গুছি আর কাঁচি’। মৌসুমের শুরুতে সামান্য হালচাষ করে চারা রোপণ করা আর ধান পাকলে কেটে বাড়ি নিয়ে আসা। মাঝখানে কেবল একবার নিড়ানি দিতে হয়। কোনো সেচ, সার কিংবা কীটনাশকের প্রয়োজনই পড়ে না। এই ধান তিনি বাজারে বিক্রি করেন না, রেখে দেন পরিবারের সারা বছরের খোরাকি হিসেবে। পরিবারের সবাই এই সুগন্ধি চালের ভাত পছন্দ করে। বিষমুক্ত হওয়ায় সেই খাদ্য নিরাপদও।
অথচ অন্য জমিতে যখন তিনি উচ্চফলনশীল 'ব্রি' ধানের চাষ করতে গেলেন, তখন অভিজ্ঞতা হলো সম্পূর্ণ উল্টো। এবার শালদিঘা হাওরে তার অধিকাংশ আধুনিক জাতের ধান জলাবদ্ধতায় পচে নষ্ট হয়েছে। অথচ ওই জমিতে সার, বীজ আর কীটনাশকে প্রচুর টাকা খরচ করেছিলেন। হতাশ কণ্ঠে আবুল কাশেম বলেন, “দেশি ধানই আমাকে বাঁচিয়ে রাখছে। অধিক লাভের আশায় আধুনিক ধানের চাষ এখন উল্টো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
এই বক্তব্য শুধু একজন কৃষকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়, বরং পুরো হাওরাঞ্চলের কৃষি বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। প্রতিবছর আগাম বন্যা, জলাবদ্ধতা, শিলাবৃষ্টি আর খরার ঝুঁকিতে উচ্চফলনশীল ধানের আবাদ এখন চরম অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। দিন দিন উৎপাদন খরচ বাড়ছে, কিন্তু কৃষকের পকেটে লাভ ঢুকছে না; বরং লোকসানের অঙ্কটাই কেবল বড় হচ্ছে।
কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কৃষকদের 'ব্রি-৮৮' জাতের বীজ সরবরাহ করলেও, এবার অভিযোগ উঠেছে তার বদলে হাইব্রিড বীজ বিতরণের। কৃষকদের দাবি, এই ধান পাকতে স্বাভাবিকের চেয়ে ২৩ থেকে ২৫ দিন বেশি সময় লেগেছে। আর এই বাড়তি সময়ের মাঝেই ঘটে গেছে বিপর্যয়—মার্চের শুরুতে অতিবৃষ্টির জলাবদ্ধতা এবং এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ হাওর তলিয়ে যায়। ফলে চোখের পলকে কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে যায়।
গত এপ্রিলের শেষদিকে এই অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাওরাঞ্চল ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়। কোথাও ধান কাটার সুযোগই মেলেনি, আবার কোথাও কেটে রাখা ধান পানিতে ভেসে গেছে। সরকারি হিসাবে প্রায় ৫০ হাজার ৭৩ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, বেসরকারি মতে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ ৮০ হাজার হেক্টরেরও বেশি। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক হিসাবে এই আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ১১০ কোটি টাকা।
কিন্তু এই বিপর্যয়ের অভিঘাত শুধু আর্থিক নয়। একটি ফসল নষ্ট হওয়া মানে বহু পরিবারের জন্য পুরো বছরের খাদ্য, বীজ, গবাদিপশুর খাদ্য এবং ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলা।
বাংলাদেশের হাওরাঞ্চল একসময় প্রকৃতি, কৃষি আর প্রাণবৈচিত্র্যের স্বতঃস্ফূর্ত সহাবস্থানের উদাহরণ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলোতে হাওরের কৃষি যে গভীর সংকটে পড়েছে, তার বড় অংশই মনুষ্যসৃষ্ট। আধুনিক কৃষির নামে আমরা যে নীতি, প্রযুক্তি আর কৃত্রিম ব্যবস্থাপনা চাপিয়ে দিয়েছি, তাতেই হাওরের কৃষি আজ খাদের কিনারায়।
আধুনিক জাতের ধান নিয়ে কৃষকদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো, হঠাৎ বন্যা বা জলাবদ্ধতায় এসব বেঁটে জাতের ধান সহজেই তলিয়ে যায়। ফলে বাঁধের ওপর নির্ভরতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাঁধ ব্যবস্থাপনাও ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় কৃষক বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। অথচ দেশি ধানের ক্ষেত্রে এ সমস্যা কখনও এত প্রকট ছিল না।
কৃষি মন্ত্রণালয় অবশ্য চেষ্টা করছে এমন কিছু আগাম জাতের ধান উদ্ভাবন করতে, যা এপ্রিলের ১০-১২ তারিখের মধ্যেই কেটে ফেলা যায়। কিন্তু প্রকৃতি তো মানুষের নিয়ম মেনে চলে না; এখন দেখা যাচ্ছে মার্চের শেষ দিক থেকেই হাওরে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে, আর কত আগাম জাত আমরা বানাব? তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এই বোরো চাষ পদ্ধতি আদৌ কি হাওরের প্রকৃতির সঙ্গে খাপ খায়?
পরিসংখ্যান বলছে, হাওর অধ্যুষিত সাতটি জেলায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ১২ লক্ষ ছয় হাজার হেক্টর, যার ৬৬ শতাংশই হাওর এলাকার মধ্যে।
একসময় কৃষকরা হাওরের প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কৃষিকাজ করতেন। লক্ষ্য ছিল শুধু মানুষের খাদ্য নয়, পশুখাদ্যেরও নিশ্চয়তা। তাই তারা বামন বা বেঁটে ধানের জাত পছন্দ করতেন না। কারণ গবাদিপশুর জন্য প্রয়োজন ছিল লম্বা দেশি ধানের খড়।
দেশি ধানের গাছ ছিল ৩ থেকে ১৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা। পানিতে ডুবে গেলেও অনেক সময় ওই ধানের তেমন ক্ষতি হতো না। ধানক্ষেত হয়ে উঠত মাছ, ব্যাঙ, কাঁকড়া ও নানা প্রাণীর আবাসস্থল। ধান পেকে গেলে মাঠ ভরে যেত পাখিতে। ধানের খড় ছিল গরু-ছাগলের খাদ্য, ভূষি ছিল হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবার।
কিন্তু অধিক ফলনের লোভ দেখিয়ে হাওরে উফশি ও হাইব্রিড ধানের আগ্রাসন ঘটানো হলো। ফলে পরিবেশবান্ধব দেশি ধানগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে গেল। এর হাত ধরে কমে গেল গবাদিপশু, হাঁস এবং পরিযায়ী পাখির সংখ্যাও। আগে ধান চাষের মৌসুমের সঙ্গে মিলিয়ে যেভাবে হাজার হাজার হাঁস পালন করা যেত, ওই চেনা রূপটিও আজ বিলীন।
বর্তমানে দেশে আধুনিক জাতের ধানের উৎপাদন বাড়াতে বছরে প্রায় ৬৯ লাখ টন রাসায়নিক সার ও ৪০ হাজার মেট্রিক টন বালাইনাশক (কীটনাশক) ব্যবহার করা হচ্ছে। আবাদকৃত ৫৭.৬৯ লক্ষ হেক্টর জমির ৭২.০৭ শতাংশে ভূগর্ভস্থ পানি সেচ দিতে হচ্ছে। এর ফলে মাটি, পানি ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হচ্ছে।
হাজার বছর ধরে আবাদকৃত দেশি ধানের অধিকাংশ জাত এখন বিলুপ্তপ্রায়। ফসলের ক্ষেত হয়ে উঠেছে বৈচিত্র্যহীন। বিভিন্ন প্রাণী হারিয়েছে আবাসস্থল। মাটির উর্বরতা কমেছে, পানি দূষিত হয়েছে।
আধুনিক কৃষির সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো এই বিষনির্ভরতা। নেত্রকোনার এক কৃষক শাহজাহান মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা ফসলে এত বিষ দিই যে মাটি আর আগের মতো নেই। যেদিন জমিতে বিষ ছিটাই, সেদিন রাতে আর ঘুম হয় না।”
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, বাংলাদেশের প্রায় ২৭ শতাংশ কৃষক এখন কীটনাশকজনিত নানা অসুখে ভুগছেন। চোখ জ্বালা, ত্বকে ফোসকা, শ্বাসকষ্ট বা মাথা ঘোরার মতো তাৎক্ষণিক সমস্যা তো আছেই; সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসার, জন্মগত ত্রুটি, প্রজনন সমস্যা ও স্নায়বিক জটিলতার ঝুঁকিও বাড়ছে।
হাওরে বোরো ধানে ব্যাপক বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে কীটনাশকের ২৫ শতাংশ বর্ষার পানির সঙ্গে জলাভূমিতে গড়িয়ে যায় এবং প্রায় ১৫-২০ শতাংশ রেসিডিউ হিসেবে থেকে যায়। অথচ হাওর থেকেই দেশের ৩০ শতাংশ মাছ, ২২ শতাংশ গবাদিপশু এবং ২৪ শতাংশ হাঁস আসে। ফলে এই দূষণের প্রভাব শুধু কৃষিতে নয়, পুরো খাদ্যব্যবস্থায় পড়ছে।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, হাওরাঞ্চলের প্রায় ৯২ শতাংশ জমিই এখন তথাকথিত আধুনিক উফশি জাতের দখলে। ফলন হয়তো বেশি হচ্ছে, কিন্তু সেই লাভের সিংহভাগই চলে যাচ্ছে সার, বিষ, সেচের পানি, ট্রাক্টর আর হারভেস্টার (ধান কাটার যন্ত্র) মালিকদের পকেটে। কৃষকের নিজের ঝুলিতে দিনশেষে খুব সামান্যই জমা হয়।
আশির দশকে 'সবুজ বিপ্লব'-এর হাত ধরে আমাদের দেশে রাসায়নিক কৃষির জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল। বহুজাতিক কোম্পানির বীজ, সার আর কীটনাশকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার কারণে আজ আমাদের কৃষি ক্রমশ ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ডক্টর হেক্টরের এক গবেষণা থেকে জানা যায়, প্রায় ৭০ বছর আগেও বাংলাদেশে বিভিন্ন মৌসুমে ১৮ হাজার জাতের ধান চাষ হতো। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) প্রায় ১২ হাজার ৫০০ দেশি জাতের তথ্য সংগ্রহ করে। বর্তমানে ব্রির জিন ব্যাংকে স্থানীয় জাতের ধানের সংখ্যা টিকে আছে মাত্র ৫ হাজারের মতো।
দুর্ভাগ্যবশত, স্থানীয় বা দেশি জাতগুলোকে উন্নত করার কোনো বৈজ্ঞানিক উদ্যোগ না নিয়ে, বহুজাতিক কোম্পানির হাইব্রিড জাতের বিস্তারেই বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৮৯ শতাংশ জমিতে ব্রির আধুনিক জাত চাষ হচ্ছে, যা মোট উৎপাদনের ৯৫ শতাংশ।
হাওরে এখন বিআর-১১, ব্রি ধান-২৮, ব্রি ধান-২৯, ব্রি ধান-৮৮, ব্রি ধান-৮৯সহ বিভিন্ন আধুনিক জাত চাষ করা হচ্ছে। ব্রির গবেষকদের ভাষ্যমতে, ব্রি-২৮ ও ২৯ জাতের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে এসেছে। ফলে ব্লাস্ট ও বিএলবি রোগের প্রকোপ বাড়ছে এবং কৃষক আরও বেশি ছত্রাকনাশক ব্যবহার করছেন।
অথচ অনেক অভিজ্ঞ কৃষকের মতে, আমাদের দেশি জাতের মধ্যেও অধিক ফলনশীল ধান রয়েছে। যেমন 'কালোভোগ' ধানের ফলন প্রতি হেক্টরে ৭.৬ টন এবং খড় হয় ১৩ টন। আবার 'আশাইল্লেম্বুরু' ধানের ফলন ৬ টন হলেও খড় পাওয়া যায় ১৮ টন। অর্থাৎ, কৃষক শুধু মানুষের খাদ্যের হিসেবই করেন না; পশুপাখির খাদ্যের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখেন।
বর্তমানে দেশে অর্ধশতাধিক হাইব্রিড ও উফশি জাতের ধান চাষ হচ্ছে। বছরে যে ২ কোটি ৬০ লাখ একর জমিতে ধানের আবাদ হয়, তার মধ্যে ২ কোটি ১১ লাখ একরই এই কৃত্রিম জাতের দখলে। অথচ সত্তরের দশকেও দেশের ৯৭ ভাগ জমিতে দেশি জাতের ধান আবাদ হতো।
এখন আবার জিএম ধান বা গোল্ডেন রাইস প্রবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে। অথচ ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ শাকসবজি ও ফল আমাদের দেশেই প্রচুর রয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, স্থানীয় কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার উন্নয়নের বদলে আমরা কেন ক্রমশ বহুজাতিক প্রযুক্তিনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি?
তবে প্রশ্নটি আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের নয়; প্রশ্ন হলো, ওই প্রযুক্তি স্থানীয় পরিবেশ, কৃষক ও জীববৈচিত্র্যের বাস্তবতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বহুদিন ধরেই পরিবেশ ও প্রাণব্যবস্থাপনানির্ভর কৃষির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাকে বলা হয় ‘ইকো-সিস্টেমিক অ্যাপ্রোচ টু অ্যাগ্রিকালচার’। অর্থাৎ একটি এলাকার প্রকৃতি ও পরিবেশ বিবেচনায় রেখে কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
হাওরের সংকটও ওই বাস্তবতাই সামনে এনেছে। প্রকৃতিকে অস্বীকার করে হাওরে কৃষি টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়; বরং প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানই হতে পারে ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তার সবচেয়ে টেকসই পথ।
স্থানীয় বা দেশি জাতের উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিষমুক্ত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। একই সঙ্গে রক্ষা করা সম্ভব মাটি, পানি, প্রাণবৈচিত্র্য ও ভবিষ্যৎ কৃষিকে।
হাওরের কৃষক শুধু ধান হারাচ্ছেন না; ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে একটি ভূপ্রকৃতির হাজার বছরের কৃষিজ্ঞানও। তাই এখন প্রয়োজন, দেশের ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বাস্তবতা বিবেচনায় দেশি জাতভিত্তিক টেকসই কৃষিনীতি প্রণয়ন। এই উদ্যোগ এখন আর শুধু প্রত্যাশা নয়; ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।
রাসেল আহমদ সাংবাদিক ও সমাজকর্মী