Published : 11 Feb 2026, 08:27 AM
বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজে সঙ্গী হয়েছে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার হতাশা। চোটের কারণে দলে নেই পেস আক্রমণের প্রধান দুই অস্ত্র। সব মিলিয়ে অনেকটাই নাজুক অবস্থায় আছে অস্ট্রেলিয়া দল। তবে শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযানে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী দলটির অধিনায়ক মিচেল মার্শ। বললেন, পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে জয়ের মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামবেন তারা।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বুধবার আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। কলম্বোয় ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টায়।
আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মার্শ বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করবেন তারা।
“দেখুন, আমরা অবশ্যই আমাদের কাজের ধরনে ইতিবাচক থাকতে চাই। আমি মনে করি, এই কন্ডিশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কীভাবে খেলব, সেটা পরিষ্কারভাবে জানা এবং সামনে যেই চ্যালেঞ্জ আসবে, সেভাবে মোকাবেলা করা।”
“(কন্ডিশন ও পরিস্থিতির সঙ্গে) মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাদের টিম মিটিংয়ে বারবার এসেছে এবং আমাদের সামনে যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন, তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং লক্ষ্য পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য।”
বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান সফরে ৩-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারে অস্ট্রেলিয়া। শেষ ম্যাচটি হারে তারা ১১১ রানে, টি-টোয়েন্টিতে যা রানের হিসাবে তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয়।
তবে এসব নিয়ে ভাবতে নারাজ মার্শ। হার থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোতে চান তিনি।
“আমরা শিক্ষা নিই এবং এগিয়ে যাই। আমরা কিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে আমাদের দলে ফিরিয়েছি... পাকিস্তানের বিপক্ষে আমরা পাত্তা পাইনি। সেটা সেখানেই রেখে এসেছি আমরা।”
চোটের কারণে এই বিশ্বকাপে খেলতে পারছেন না অস্ট্রেলিয়ার প্রধান দুই পেসার প্যাট কামিন্স ও জশ হেইজেলউড। আরেক গতি তারকা মিচেল মার্শ এই সংস্করণ থেকে অবসর নিয়েছেন আগেই।
২০১৬ আসরের পর প্রথমবার এই তিন জনকে ছাড়া বিশ্বকাপে খেলবে অস্ট্রেলিয়া। তারা না থাকলেও, অন্যদের ওপর আস্থা রাখছেন মার্শ।
“হ্যাঁ, দেখুন, প্যাটির (কামিন্স) মতো খেলোয়াড়রা ব্যস্ত সূচির কারণে গত কয়েক বছরে আমাদের জন্য অনেক খেলেছে এবং গত ১২ মাস ধরে বেন ডোয়ার্শিস ও জেভিয়ার বার্টলেটের মতো খেলোয়াড়রা আমাদের প্রায় সব ম্যাচে খেলেছে। তাই আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে, তারা আমাদের জন্য ভূমিকা রাখতে পারবে।”