Published : 19 Feb 2026, 08:16 AM
প্রথম ১১ বলে কেবল ৬ রান। মন্থর শুরুর পর ঝড় তুললেন শিভাম দুব। দলকে নিয়ে গেলেন দুইশ রানের কাছে। পরে বল হাতেও অবদান রাখলেন তিনি।
চার ম্যাচে টানা চার জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে ভারত। আহমেদাবাদে বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ১৭ রানে জিতেছে সুরিয়াকুমার ইয়াদাভের দল।
পঞ্চম ওভারে দুবে ক্রিজে গিয়ে খেলেন শেষ ওভার পর্যন্ত। ৩১ বলে ছয় ছক্কা ও চারটি চারে করেন ৬৬ রান।
পরে ৩২ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার সপ্তম বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে তিন ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট। এই পারফরম্যান্সে তিনি টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থবার জেতেন ম্যাচ-সেরার পুরস্কার, বিশ্বকাপে প্রথমবার।
শেষ আট ওভারে ১০৪ রান যোগ করে ভারত। এতে বড় অবদান দুবের। ত্রয়োদশ ওভারে কলিন আকারম্যানকে ছক্কা মেরে ডানা মেলেন তিনি। পরে মারেন আরও একটি ছক্কা ও চার।
সপ্তদশ ওভারে লোগান ফন বিককে দুই ছক্কার পর চার মেরে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন দুবে, ২৫ বলে। ২০তম ওভারের প্রথম বলে একই বোলারকে ছক্কা মারার পর, এর পুনরাবৃত্তি করতে গিয়ে ধরা পড়েন সীমানায়।
ম্যাচ শেষে দুবে বললেন, তিনি জানতেন ক্রিজে থাকলে বড় শট খেলতে পারবেন।
“আমি জানতাম বোলাররা আমাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে এবং স্লোয়ার বল করবে। তাই আমি নিজেকে প্রস্তুত রেখেছিলাম। কোচ ও অধিনায়ক বলেছিলেন, আমাকে স্ট্রাইক রেট বেশি রাখতে হবে। তবে সেটা পরিস্থিতির ওপরও নির্ভর করে। আজ (শুরুতে) আমি স্ট্রাইক রেট বেশি রাখতে পারিনি।”
আকারম্যানকে ছক্কা মারার পর দুবে বুঝতে পারেন, এখন হাত খোলার সময় হয়েছে।
“কন্ডিশন একটু কঠিন ছিল। এই পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে আমি ভালোবাসি। আমি উপভোগ করছিলাম, যদিও চাপে ছিলাম। বল স্কিড করছিল এবং নিচুও হচ্ছিল।”
“আমি জানতাম, আমি মারতে পারব, তবে পরিস্থিতির দাবি ছিল ভিন্ন। আমি বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করি এবং ছক্কা হাঁকানো উপভোগ করেছি।”