Published : 20 May 2026, 05:03 PM
দেশের মাঠে কিংবা বাইরে, টেস্ট ক্রিকেটে এখন সবখানেই ভালো করতে শুরু করেছে বাংলাদেশ, যা নজর কেড়েছে ওয়াসিম আকরামের। বাংলাদেশকে এখন বিশ্বের সেরা টেস্ট দলগুলোর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত মনে হচ্ছে পাকিস্তানের পেস বোলিং গ্রেটের।
সিলেট টেস্টের শেষ দিন বুধবার ৭৮ রানের জয়ে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। মিরপুরে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে ১০৪ রানে জিতেছিল স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে এনিয়ে টানা দুটি টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশড হলো পাকিস্তান। একইরকম আগের তেতো স্বাদটি তারা পেয়েছিল নিজেদের মাটিতে; ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্ট ১০ উইকেটে এবং দ্বিতীয়টিতে ৬ উইকেটে হেরেছিল স্বাগতিকরা।
পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ ড্র করে বাংলাদেশ। আর গত বছর শ্রীলঙ্কায় একটি টেস্ট ড্র করে তারা, আরেকটি হেরে যায়। নিউ জিল্যান্ডে গিয়েও টেস্ট জয়ের কীর্তি আছে বাংলাদেশের।
ঘরের মাঠে সবশেষ পাঁচটি টেস্টই জিতেছে বাংলাদেশ।
স্পিন সহায়ক উইকেট থেকে বেরিয়ে এখন স্পোর্টিং উইকেট বানাচ্ছে বাংলাদেশ। এমন উইকেটে খেলেই পাকিস্তানের বিপক্ষে স্মরণীয় সিরিজ জয় পেয়েছে তারা। বাংলাদেশের ক্রিকেটের এমন অগ্রগতি নজর কেড়েছে ওয়াসিমের।
মিরপুর টেস্টের শেষ দিনে পাকিস্তানকে ধসিয়ে দেন নাহিদ রানা। গতি ও বাউন্সে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের নাভিশ্বাস তুলে ছাড়েন তিনি। এই পেসার সেদিন ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে রাখেন বড় অবদান।
সিলেটেও ভালো করেছেন নাহিদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে পাঁচ শিকার ধরেছেন তিনি। দ্বিতীয় টেস্টের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পোস্টে আলাদাভাবে নাহিদের প্রশংসাও করেন ওয়াসিম।
“বাংলাদেশের কাছে দ্বিতীয়বার পাকিস্তানকে হারতে দেখে সত্যিই হতাশ লাগছে। তবে জয়ী দলকে পুরো কৃতিত্ব দিতেই হবে, কারণ তারা পরিপূর্ণ ক্রিকেট খেলেছে। বাংলাদেশ সাধারণত ধীরগতির ও স্পিন-সহায়ক উইকেট বানাত, কিন্তু এখন তারা দারুণ টেস্ট উইকেট বানাচ্ছে, যা তাদের উদীয়মান পেসারদের সাহায্য করছে, আর এই পেসাররাই পাকিস্তানকে ছাপিয়ে গেছে।”
“এই সংস্করণের বিশ্বসেরা দলগুলোর বিপক্ষে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ। তাদের নাহিদ রানা কি অসাধারণ এক প্রতিভা, তার বোলিং দেখা সত্যিই দারুণ ব্যাপার। অভিনন্দন বাংলাদেশ।”