Published : 06 Feb 2026, 11:34 AM
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ থেকেই মাঠে নামবেন বলে আশা করেছিলেন জশ হেইজেলউড। পরে জানানো হলো, টুর্নামেন্টের মাঝমাঝি সময় থেকে তিনি খেলতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে হলো উল্টো। খেলতে পারবেন না তিনি কোনো ম্যাচেই। চোটের কারণে গোটা আসর থেকেই ছিটকে গেলেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ এই পেসার।
চোট নিয়ে আগেই বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে আরেক পেসার প্যাট কামিন্সের। তবে তার চেয়েও বড় ধাক্কা হেইজেলউডকে হারানো। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দারুণ ফর্মে ছিলেন এই পেসার। গত বছর রয়্যাল চ্যালেঞ্জোর্স বেঙ্গালুরুর আইপিএল শিরোপা জয়ে তার ছিল বড় অবদান। এবার চোটে পড়ার আগেও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি।
চোটে পড়ার আগে সবশেষ ম্যাচটিতেও ভারতের বিপক্ষে অসাধারণ বোলিং করে ম্যাচ-সেরা হন হেইজেলউড। ওই সিরিজের আগে নিউ জিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও ভালো বোলিং করেন। কিন্তু নভেম্বরে অ্যাশেজে তাকিয়ে শেফিল্ড শিল্ডের ম্যাচে খেলতে নেমে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন। সেই চোট তাকে গোটা অ্যাশেজ থেকেই বাইরে পরে। পুনবার্সনের প্রক্রিয়ায় নতুন করে চোট পান একিলিসে।
সেই চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপের জন্য ফিট হয়ে উঠবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের সঙ্গে তিনি যেতে পারেননি শ্রীলঙ্কায়। তখন বলা হয়েছিল, সিডনিতে চেনা আবহে থেকেই অনুশীলন চালিয়ে যাবেন এবং বিশ্বকাপের কোনো একটি পর্যায়ে দলে যোগ দেবেন।
এবার নির্বাচক টনি ডডেমেইড নিশ্চিত করলেন, সেই আশাতেও গুড়েবালি।
“আমাদের আশা ছিল, সুপার এইট পর্যায়ে জশ ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাবে। তবে সাম্প্রতিকতম ইঙ্গিত যা পেয়েছি, তাতে সে এখনও বেশ খানিকটা দূরে আছে এবং তাড়াহুড়ো করতে গেলে তা অনেক বেশিই ঝুঁকি বয়ে আনবে।”
“কোনো বদলি ক্রিকেটার আমরা এখনই ঘোষণা করছি না। প্রাথমিক পর্বের ম্যাচগুলির জন্য যথেষ্ট বিকল্প আমাদের আছে বলেই মনে হয়েছে। পরবর্তীতে সময়ের দাবি বুঝে আমরা বদলি ক্রিকেটারের সিদ্ধান্ত নেব।”
কামিন্সের বদলি হিসেবে আগেই সুযোগ পেয়েছেন বেন ডোয়ার্শিস। হেইজেলউডকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় ‘ট্রাভেলিং রিজার্ভ’ হিসেবে দলে রাখা হয়েছে শন অ্যাবটকে। তবে এখনই স্কোয়াডে ঢুকছেন না তিনি।
হেইজেলউড না থাকায় নিশ্চিত হয়ে গেল, ২০০৯ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর প্রথমবার কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে নেই ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও হেইজেলউডের কেউ।