Published : 04 Jul 2026, 08:28 PM
ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণসহ দেশের আর্থিক খাতে দুর্দশাগ্রস্ত ঋণ কিনবে, এমন সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠনে আইনের খসড়া তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আর্থিক প্রতিবেদন থেকে খেলাপি ঋণের উচ্চ হারের বোঝা কমাতে এখন হিসাব থেকে একেবারেই বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দুর্দশাগ্রস্ত ঋণ বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে ‘ডিসট্রেসড সম্পদ ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৬’ নামে যে আইন করতে যাচ্ছে সরকার, সেটির আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ‘ডিসট্রেসড সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট বা ডিএএমইউ (ডামু) গঠন করা হবে।
প্রস্তাবিত আইনের খসড়ার ওপর জনমত চেয়ে বৃহস্পতিবার সেটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
খসড়ার ওপর মতামত আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত ইমেইলে পাঠানো যাবে।
ডামু গঠনসহ এই আইনে আর কী থাকছে?
খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান-এনবিএফআইয়ের ‘ডিসট্রেস (দুদর্শাগ্রস্ত)’ ঋণের (খেলাপি, অবলোপ ও আদালতের নিষেধাজ্ঞায় খেলাপি না দেখানো ও সম্ভ্যাব্য ক্ষতিজনিত ঋণ) এবং আগাম দেওয়ার পরে বকেয়া হওয়া অর্থ আদায়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির জামানতকৃত সম্পত্তি ডিসট্রেসড সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি-ডিএমএসির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হবে।
ডিএমএসির কাছে কোন ঋণ বিক্রি হবে, তা তদারক করবে ডামু। তারাই সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিকে লাইসেন্স দেবে।
ঋণখেলাপির প্রতিষ্ঠান বাদে দেশিয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এই লাইসেন্স নিতে পারবে।
যেসব প্রতিষ্ঠান এই লাইসেন্স পাওয়া যোগ্য বিবেচিত হবে, তাদের মধ্যে রয়েছে-বীমা কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড, প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ড, অপচুরনিটি ফান্ড, ক্রেডিট ফান্ড, ঋণ ফান্ড, সরকারি সংস্থা, রাষ্টায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ডিসট্রেসড সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি, বিদেশি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি, ট্রাস্টি, বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, বহুপাক্ষি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, দেশে বা বিদেশি অন্যান্য ব্যবসায়িক সত্ত্বা এবং সময়ে সময়ে ডামুর নির্ধারণ করা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
এছাড়াও ‘লোন সারভিসার কোম্পানি’ এর লাইসেন্স দিতে পারবে ডামু। এই কোম্পানি পেশাদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে খেলাপির যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, সম্পদ ও ঋণ মূল্যায়ন এবং সমঝোতার উদ্যোগ নিতে পারবে।

এ দুটি প্রতিষ্ঠানের কোনোটিই জবরদখল বা বেআইনি পন্থায় ঋণ আদায়ে যেতে পারবে না বলে প্রস্তাবিত খসড়ায় বলা হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫’ এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ঝুঁকিপূর্ণ বা দুর্দশাগ্রস্ত ঋণের পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা।
ঝুঁকিপূর্ণ এই ঋণ মোট বিতরণকৃত ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। গত ডিসেম্বরের পর খেলাপি ঋণের অঙ্ক বেড়ে এখন ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
২০২৫ সালেই ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বেড়েছে ৩ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি, অবলোপন, পুনঃতফশিল করা ঋণকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ে ২০১৬ সালেও আইন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এমন উদ্যোগের কথা শোনা যায়। আহসান এইচ মনসুর গভর্নর থাকাকালে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি টাস্কফোর্স গঠনের খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসা বিএনপির নতুন সরকারও আইন করার উদ্যোগ নিল।
সরকারের এমন পদক্ষেপে ব্যাংকের ঋণ খেলাপি হওয়ার প্রবণতা বন্ধ হবে কি না, বা খেলাপি হওয়া ঋণ কতটা উদ্ধার করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে আলোচনা সামনে এসেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জাহীদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আন্তর্জাতিকভাবে এটা পরিচিত ব্যবস্থা। উন্নত বিশ্বের কিছু দেশে সফল হলেও আমাদের মত দেশে সেটা খুব ফলপ্রসু হবে বলে মনে করছি না।”
তিনি বলেন, “এসব ঋণের তো মান ‘নেগেটিভ’। রাষ্ট্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রভাবশালীরা এসব ঋণ নেয়। তাদের সম্পদের তো বাজার দর নাই, পানির দরে দিলেও কে কিনবে? রাষ্ট্রকেই শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। নইলে খেলাপির প্রবণতা কমবে না।”

ডামু গঠন
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র আইনগত সত্তা হিসেবে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদ অধিগ্রহণ, ধারণ ও বিক্রি, চুক্তি সম্পাদন এবং আইনি কার্যক্রমে মামলা দায়ের বা বিরোধিত করতে পারবে।
ইউনিটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে, তবে এই আইনে দেওয়া ক্ষমতা প্রয়োগে তার স্বায়ত্তশাসিত অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে।
ডামুর প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকায়, তবে প্রয়োজনে ঢাকার বাইরেও আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের তদারকি ও প্রয়োজনীয় নীতিমালাও তৈরি করবে ডামু। আইনি ক্ষমতাবলে একটি টাক্সফোর্স গঠন করতে পারবে সংস্থাটি।
দেশের একমাত্র আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) স্বাধীন ও স্বতন্ত্র হলেও এখনো বাংলাদেশ ব্যাংকের জনবল ও আর্থিক সহায়তায় চলে।
বিএফআইইউ এর প্রধান কার্যালয়ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। সংস্থাটির বর্তমান প্রধান নির্বাহী ছাড়া প্রতিষ্ঠার পর থেকে যে কয়জন প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিযুক্ত হন সবাই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দায়িত্ব থাকা অবস্থায় তারা নিয়োগ পান। পরে অবসর গ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে।
ডামুও সেভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে প্রস্তাবিত আইনে ধারণা দেওয়া হয়েছে। এর যাবতীয় ব্যয়ভার বহন ও জনবল সরবরাহ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
খসড়ায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সুপারিশে ডামুর প্রধান নির্বাহী নিয়োগ করবে সরকার। প্রধান নির্বাহীর পদ মর্যাদা ও সুবিধাগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের পদ মর্যাদার সমান হবে।
সর্বোচ্চ ৬৫ বছর বয়সি ব্যক্তি প্রধান নির্বাহী হতে পারবেন তিন বছর মেয়াদের জন্য।
প্রধান নির্বাহী পদের শর্তে বলা হয়, ব্যাংকিং, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ‘ডিসট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টে’ ১৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা
খসড়া আইনে খেলাপি ঋণের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, “ঋণখেলাপি অর্থ এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, যিনি বা যারা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ সুবিধা বা অন্যান্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ বা সম্পাদনের বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন।
এছাড়া যাদের ওই ঋণ সুবিধা বা আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশ ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট ঋণদাতা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুযায়ী ‘বকেয়া’ ‘নিম্ন-মান’, ‘সন্দেহজনক’, ‘ক্ষতি’ অথবা অন্য কোনো সমতুল্য অপ্রদর্শিত/সমস্যাগ্রস্ত শ্রেণিতে শ্রেণিবদ্ধ হয়েছে।
ঋণ খেলাপির সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকেও খেলাপির আওতায় আনা হয়েছে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, ঋণখেলাপি স্বয়ং অথবা এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঋণখেলাপির সুবিধাভোগী অথবা যাদের স্বার্থ ঋণখেলাপির স্বার্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ঋণখেলাপির উত্তরাধিকারী, সহযোগী প্রতিষ্ঠান, উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারী, বর্তমান বা সাবেক পরিচালক, কর্মকর্তা, প্রধান কর্মচারীরা (এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা), পেশাগত উপদেষ্টা, অর্থদাতা, জামিনদাতা, লাভ-ভাগাভাগি বা পার্শ্ব চুক্তির পক্ষ বা সত্তাও ঋণখেলাপির স্বার্থসংশ্লিষ্টদের কাতারে পড়বে।
যা করতে পারবে ডিএএমসি
প্রস্তাবিত আইনে ডিস্ট্রেসড সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি বা ডিএএমসি কী কী করতে পারবে, তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হল-
>> সরাসরি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদ অধিগ্রহণ।
>> আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদ কেনা-বেচা, সংরক্ষণ, আদায় ও পরামর্শ দেওয়া, ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বা কর্তৃত্ব গ্রহণ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ঋণ বা অগ্রিম বা বিনিয়োগ গ্রহীতা রুগ্ন প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন, বিস্তার, প্রতিস্থাপন বা এ সংক্রান্ত পরামর্শ দিতে পারবে।
>> সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পদ বা জামানত অর্জন, দখল গ্রহণ, সুরক্ষা, নিষ্পত্তিকরণ, লিজ বা বিক্রি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে লোন সার্ভিসার কোম্পানি নিয়োগ।
>> সংশ্লিষ্ট দায়িকের প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, পোর্টফোলিও এবং সম্পদের পুনর্গঠন।
>> দায়িকের ব্যবসায়ের সম্পূর্ণ বা আংশিক বিক্রি বা লিজ এবং গৃহীত ঋণের গুণগত মান বিবেচনা করে সম্পূর্ণ বা যে কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তরকরণ।
>> দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদ আদায়ের লক্ষ্যে ঋণগ্রহীতা ব্যক্তিকে প্রয়োজনে সময় দিতে পারবে বা প্রয়োজ্য ক্ষেত্রে সেই সম্পদ পুনর্গঠন করতে পারবে।
>> পাওনা আদায়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
>> কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে অধিগ্রহণ করা সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য এক বা একাধিক ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
>> ডিএমএসি তার প্রতিষ্ঠিত যে কোনো ট্রাস্টের ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে।
খসড়া আইনে বলা হয়েছে, লাইসেন্সের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে নিবন্ধিত ডিএমএসি বা লোন সার্ভিসার কোম্পানি ডামু দায়ী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে সর্বনিম্ন ১০ লাখ এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা জরিমানা করতে পারবে।
লাইসেন্সের আবেদনপত্রে বিভ্রান্তিকর বা মিথ্যা কোনো তথ্য দিয়ে লাইসেন্স নিলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা দায়ী ব্যক্তিকে সর্বনিম্ন ২০ লাখ এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা জরিমানা করতে পারবে ডামু।
ডিএমএসি বা লোন সার্ভিসার কোম্পানি আইনের বিধান লঙ্ঘন করে কোনো শাখা, ব্যবসা কেন্দ্র বা অফিস স্থাপন করলে বা তার ব্যবসার ব্যবস্থাপনা বা অবস্থান পরিবর্তন করলে দায়ী প্রতিষ্ঠান, পরিচালক বা ব্যক্তিকে সর্বনিম্ন ৫ লাখ এবং সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে।
এছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে কোম্পানির হিসাব, প্রতিবেদন, বিবৃতি, নথি বা ব্যবসায়িক নথিতে মিথ্যা তথ্য দিলে, নথির কোনো অংশ গোপন বা ধ্বংস করলে দায়ী পরিচালক, ব্যবস্থাপক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, নিরীক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী বা দায়ী ব্যক্তিদের বিভিন্ন হারে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে খসড়া আইনে।
আরও পড়ুন:
তিন মাসে ফের খেলাপি ঋণ বেড়ে ৩২.২৬%
বড়দের ঢালাও ঋণ সুবিধা: বাংলাদেশ ব্যাংক কেন 'ঝুঁকির পথে' হাঁটছে?