১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
যেসব ব্যাংকের সার্বিক খেলাপি ঋণ যত বেশি, বাণিজ্যে অর্থায়নে সেগুলোর খেলাপির হার ৮০ শতাংশেরও বেশি, বলা হয়েছে ওই গবেষণা প্রতিবেদনে।
ঋণখেলাপির পাশাপাশি তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সুবিধাভোগিদেরও সম্পৃক্ত পক্ষ হিসেবে ধরা হবে।
বছরের পর বছর ধরে রাজনৈতিক প্রভাবপুষ্ট করপোরেট ও প্রভাবশালী ঋণখেলাপিদের নীতিগত ছাড়, সাধারণ ক্ষমা আর বিশেষ সুবিধা দিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। এই যে ‘ছাড় দেওয়ার সংস্কৃতি’ হলো আজকের সংকটের মূল অনুঘটক।
এ সুবিধা পেতে হলে ঋণ গ্রহীতাদেরকে তাদের খেলাপি ঋণের অর্থ আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
ব্যাংকটিতে এস আলম গ্রুপের শেয়ার জব্দ এবং তা বিক্রি করে ঋণ সমন্বয় করারও প্রস্তাব দেওয়া হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।
ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের এই পরিমাণ আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের চেয়েও বেশি।
অগ্রাধিকার অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের আসল ও সুদ মওকুফ এবং ছয়টি প্রকল্পে অর্থের সংস্থান করতে অতিরিক্ত এ বরাদ্দ প্রয়োজন বলে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি অর্থ ঋণ আদালতে মামলা করে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।