২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

স্কুল-কলেজের 'অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা' দ্রুত মাউশিকে জানানোর নির্দেশ

মাউশি কর্মকর্তারা বলছেন, সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনার তথ্য এলেও অধিদপ্তরকে তা জানানো হচ্ছে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Sep 2022, 04:45 PM

Updated : 05 Sep 2022, 04:45 PM

স্কুল-কলেজে ‘বিপর্যয়, দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ ঘটলে তা দ্রুত জানাতে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নেহাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা সোমবার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে মাউশি। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের 'অনাকাঙ্খিত ঘটনা' ই-মেইলে জানাতে বলা হয়েছে।

মাউশি কর্মকর্তারা বলছেন, সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনার তথ্য এলেও অধিদপ্তরকে তা জানানো হচ্ছে না। এসব ঘটনা দ্রুত সমাধান করতেই নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন বিপর্যয়, দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে; যেগুলো কোনোভাবেই কাম্য নয়।

“কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে এ সকল ঘটনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অনেক প্রতিষ্ঠান দ্রুত ও বিস্তারিতভাবে অধিদপ্তরকে অবহিত করে না। ফলে যথাযথ ও সময়মতো ব্যবস্থা গ্রহণ/সহায়তা প্রদান করা অধিদপ্তরের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।”

এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “স্কুল-কলেজে যে কোনো ঘটনা ঘটলেই আমরা সেটা মাউশিকে জানাতে বলেছি।

পুরানো খবর:

কোচিং না করলে ফেইল করানোর ‘অপরাধজনক কাজ’ হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
প্রত্যাশার চাপ নিতে পারেনি মেয়েটি?

“অনেক সময় দেখা যায়, ঘটনাগুলো আমরা জানার আগেই ফেইসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সেগুলো নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। আমরা যেন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারি, সে কারণেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

ঠিক কী কারণে মাউশির এ নির্দেশনা, সে বিষয়ে কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে কিছু না বললেও একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, হলিক্রস স্কুলের এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় অধিদপ্তর এ উদ্যোগ নিয়েছে।

নবম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী গত ২৩ অগাস্ট স্কুল থেকে ফিরে ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় বাসার ১০ তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে।

পরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনেকেই স্কুলের এক শিক্ষককে ইঙ্গিত করে বলছেন, তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে তিনি ‘ফেইল করিয়ে দেন’। অভিভাবকদের পক্ষ থেকেও ফলাফল নিয়ে চাপ থাকে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি দুদিন পর এক অনুষ্ঠানে নিজেও বলেন, কোচিং না করলে শিক্ষার্থীদের ফেইল করিয়ে দেওয়া ‘অপরাধজনক’ কাজ, যা কোথাও কোথাও হচ্ছে।