১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, আর সি ডি এস, পি এস সি (অব.)। দীর্ঘ ৩২ বছর সেনাবাহিনীতে চাকরি করেছেন। ক্যাপিটাল কলেজ অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি থেকে মাস্টার্স ইন সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট এবং লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে এম. এ। বাংলাদেশে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে শিক্ষকতা করেছেন এবং সবশেষে স্কুল অব ইনফ্যন্ট্রির কমান্ড্যান্ট পদ থেকে অবসরে যান। চাকরির বিভিন্ন স্তরে তিনি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণে নিয়োজিত ছিলেন। পাঁচটি দেশের অস্থিতিশীলতার কারণ উদ্ঘাটন করে তার বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন একাডেমিক দলিল হিসেবে ব্রিটেনে উচ্চতর সামরিক প্রতিষ্ঠানে স্থান পেয়েছে। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এ ক্লাসের থিসিসের পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশ-বিদেশের রাজনীতির গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করেন। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই লেখালেখি করেন। তার মূলত আগ্রহের জায়গা সুশাসন ও জনগণের ক্ষমতায়ন।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতাকেন্দ্রগুলো এখন আর একমুখী নয়। ওপেকের ভাঙন এবং জিসিসির অভ্যন্তরীণ মেরুকরণ অঞ্চলটিকে নিয়ে যাচ্ছে এক অনিশ্চিত ও বহুমেরু ভবিষ্যতের দিকে।
ক্ষমতায় আসার আগে যে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ছিল জনগণের প্রাণের দাবি, ক্ষমতায় বসে কি আজ তা কেবলই ‘কৌশলগত’ রাজনৈতিক চালে পরিণত করতে চলেছে নতুন সরকার।
ইতিহাস বলছে, বিগত চার দশকের নিষেধাজ্ঞা ইরানকে দুর্বল না করে আরও স্বনির্ভর ও কৌশলী করে তুলেছে। ‘অসম যুদ্ধ’ কৌশলে ইরান এখন যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।
নির্দিষ্ট সময় আর দিন-ক্ষণ আগাম নির্ধারণ করে যুদ্ধ শেষ হয় না। ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযোজন ক্ষমতা ও বিশ্ব রাজনীতির নতুন কোনো মোড় নির্ধারণ করে দিতে যুদ্ধের পরিণতি।
‘আমরা জিতছি’ থেকে ‘এটা একটা যুদ্ধ’—বাক্যবিন্যাসের এমন পরিবর্তন কি কোনো বড় পতনের ইঙ্গিত? মার্কিন সেনানী থেকে শুরু করে বিশ্বশান্তি—সবকিছুই কি এখন ঝুঁকির মুখে?
ইরান কি কেবল প্রতিরোধ করছে, নাকি সুপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষকে আর্থিক ও মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করেছে?