Published : 07 Apr 2026, 03:46 PM
ইরান যুদ্ধের আসল কারণ খুঁজতে গেলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের উদ্দেশ্য বুঝতে হবে। আরও বুঝতে হবে, প্রতিটি পক্ষ যে কারণগুলো সারা বিশ্বের সামনে বলছে, সেগুলো কি সত্যিই তাদের যুদ্ধ শুরু করার মূল কারণ? নাকি এর পেছনে অন্য কোনো লুকানো উদ্দেশ্য রয়েছে?
যুক্তরাষ্ট্র কী বলে?
যুদ্ধের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরান খুব দ্রুতই পরমাণু ক্ষমতা অর্জন করতে যাচ্ছে, যা ইসরায়েল তো বটেই, যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক। তারা আরও বলছে, ইরান একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র, যারা মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমাগত সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ইরান সন্ত্রাসীদের একটি অভয়ারণ্য। এছাড়াও তারা বিশ্বের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্যও এক বিরাট হুমকি।
কিন্তু আসলে এসব কিছুই নয়। যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্র যারা ১৯৯১ সালে কোল্ড ওয়ার শেষ হওয়ার পর থেকে সারা বিশ্বে তাদের একচ্ছত্র সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য জারি রাখতে চায়। এর মাধ্যমে তারা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সম্পদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পেট্রোডলারের আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। সুতরাং, এই যুদ্ধ শুধু পরমাণু অস্ত্র বা আঞ্চলিক আধিপত্য নিয়ে নয়; আসল লড়াই ‘পেট্রোডলার সিস্টেম’ নিয়ে।
১৯৭৩ সালের পর থেকে বিশ্বের তেলের দাম ও বাণিজ্য মূলত ডলারে সম্পন্ন হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র সহজে তাদের বাজেটের ঘাটতি মেটাতে পারে এবং শক্তিশালী সামরিক বাহিনী পরিচালনা করতে পারে। এমনকি বাজেট ঘাটতি মেটাতে নির্দ্বিধায় ডলার ছাপিয়ে বিশ্বে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেটে প্রায় ৩৮ ট্রিলিয়ন ডলার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও তারা এভাবে তাদের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি ধরে রাখছে। তারা চায় ইরানে রেজিম চেঞ্জ করে ডলারের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে।
ইরানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তেহরান হরমুজ প্রণালি খুলতে কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘এক রাতেই’ নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিয়ে রেখেছেন তিনি। কিন্তু তার ‘আল্টিমেটাম’ মেনে নিতে ইরান প্রস্তুত—এমন কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

ইরান কী চায়?
ইরান দীর্ঘ ৪৭ বছরের নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চায়। কারণ, এই নিষেধাজ্ঞা তাদের জাতি হিসেবে বেঁচে থাকার পথে এক বিরাট অন্তরায়। তারা হরমুজ প্রণালি (বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহের পথ) নিয়ন্ত্রণ করে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চায়। তারা আরও চায় ফিলিস্তিনিরা যেন নিজেদের আবাসভূমি পায় এবং হিজবুল্লাহ, হামাস ও হুতিরা তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়ে নিরাপদে নিজ নিজ অবস্থানে থাকতে পারে।
ইসরায়েল কী চায়?
ইসরায়েল চায় ইরানের সামরিক ক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাক। যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে পরাজিত হোক এটাও ইসরায়েলের কাঙ্ক্ষিত বলে মনে করা হচ্ছে। যাতে তারা বিশ্বের চলমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, সামরিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্য ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সম্পদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশ্বে নতুন পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। অন্তত মধ্যপ্রাচ্যে নিজেকে প্রধান শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, কারণ তারা মনে করে যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়ছে। এতে অন্তত লোহিত সাগরের বাণিজ্যপথ নিয়ন্ত্রণ করে বিশ্ববাণিজ্যে নিজেদের আধিপত্য স্থাপন করা যাবে।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য গালফ দেশগুলো কী চায়?
তারা চায় তাদের রাজতন্ত্র টিকে থাকুক, হোক তা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ছায়ায় বা ইসরায়েলের ছত্রছায়ায়। তারা চায় ইরান সামরিক শক্তি হিসেবে ধ্বংস হয়ে যাক, তাদের জ্বালানি সম্পদের বর্তমান ব্যবসা চালু থাকুক এবং এই অস্থির ও অনিরাপদ ব্যবস্থার অবসান হোক।
এই ক্ষমতার খেলায় কে কীভাবে নিজেদের অবস্থান নির্ণয় করে? তা বোঝার জন্য পাঠকদের বুঝতে হবে যে, প্রতিটি পক্ষ তাদের কাঙ্ক্ষিত অবস্থান নির্ণয়ের জন্য কোন কোন বিষয় আমলে নেয়:
· কাঠামো (Structure): দেশের ভূগোল, অর্থনীতি ও সামরিক বাস্তবতা। উদাহরণস্বরূপ, ইরান আয়তনে অনেক বড় এবং পাহাড়ি এলাকা। তারা বিগত ৪৭ বছর ধরে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে টিকে থাকার কৌশল রপ্ত করেছে। বিশেষ করে ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করলে তারা আত্মরক্ষার জন্য ভূগর্ভস্থ স্থাপনা তৈরি করে নেয়। তাদের ৯ কোটি জনসংখ্যা এবং ‘অ্যাসিম্যাট্রিক’ (অসম) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সুসংগঠিত।
· স্বার্থ (Incentives): আসল লক্ষ্য কী? যুক্তরাষ্ট্র চায় পেট্রোডলার রক্ষা করতে; ইরান চায় রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকা ও সম্মান অর্জন; আর ইসরায়েল চায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শূন্যস্থান দখল করতে।
· ইতিহাস (History): এ ধরনের যুদ্ধের ইতিহাস কী বলে? একটি সাম্রাজ্য যখন তার ক্ষমতার অতিরিক্ত বিস্তারের চেষ্টা করে, তখন তাদের অতীতের ব্যর্থতা একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন দেখায়। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে সরে আসা, ইরাকে দীর্ঘ ২০ বছর উদ্দেশ্যহীন যুদ্ধের পর পশ্চাদপসরণ এবং আফগানিস্তান থেকে প্রস্থান। শুধু আকাশ থেকে বোমা মেরে যে যুদ্ধ জেতা যায় না, তার ভুরি ভুরি উদাহরণ ইতিহাসে আছে (যেমন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ততক্ষণ পরাজিত হয়নি, যতক্ষণ না স্থলপথে আক্রমণ করা হয়েছিল)।
অসম যুদ্ধের অংকটা পরিষ্কার হলে ফলাফল বোঝা সহজ হবে। যেমন, ইরানের একটি সস্তা ড্রোনের দাম প্রায় ৫০ হাজার ডলার, অথচ তা ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রতিটি ইন্টারসেপ্টরের খরচ হয় ৩০ লাখ থেকে এক কোটি ডলার। এতে যুদ্ধের খরচ বহুগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া ইয়েমেন, লেবানন, সিরিয়া ও ইরাকের বিভিন্ন ফ্রন্ট থেকে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও গালফ দেশগুলো অনুভব করতে শুরু করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বিশ্ব অর্থনীতি
জ্বালানি তেলের দাম ১৫০-২০০ ডলারে উঠলে তার প্রভাবে বিশ্বে চরম মন্দা দেখা দেবে। লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে বিশ্বের ১২-১৫ শতাংশ বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জনগণের সমর্থন কমবে। বর্তমানে এই সমর্থন ৪০ শতাংশ হলেও অর্থনৈতিক অবনতির সঙ্গে সঙ্গে তা আরও নিম্নগামী হবে।
আলোচনা কী সম্ভব?
উত্তর হলো, ‘না’। কারণ ইরান ‘কাগজের চুক্তি’ বিশ্বাস করে না (জেসিপিওএ চুক্তিভঙ্গের উদাহরণ)। তারা মনে করে ডনাল্ড ট্রাম্পের আস্থা নেই এসব চুক্তিতে। এর আগে ইরান মধ্যস্থতাকারীদের বিশ্বাস করলেও আলোচনা চলাকালেই তারা আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। সুতরাং, তারা এর সমাধান যুদ্ধের মাধ্যমেই চায় অথবা রাশিয়া, চীন ও ইউরোপের মধ্যস্থতায় এমন এক টেকসই চুক্তি চায় যেখানে ইরানের পূর্ণ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হবে (যেমন তুরস্কের বসফরাস বা মিশরের সুয়েজ খাল)।
এক্ষেত্রে প্রশ্ন আসছে, এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার জন্য কি তাহলে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার হবে? না, কারণ উভয়পক্ষের ধ্বংস এবং বিশ্বের নিষেধাজ্ঞা। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী এর অর্থনৈতিক আর মানবিক বিপর্যয়ের শঙ্কার বিষয়টি তো রয়েছেই।
যুদ্ধ শেষ হওয়ার যৌক্তিক পথ
যুদ্ধ শেষ হওয়ার দুটি যৌক্তিক পথ খোলা আছে। দীর্ঘ সময় ঝুলে থাকা বা পুরোপুরি জয়—দুটোই অসম্ভব। তাই কেবল দুটি পথ খোলা আছে:
· ১. শুধু আকাশ যুদ্ধ (সবচেয়ে সম্ভাব্য)
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আকাশে আধিপত্য রাখবে, কিন্তু শুধু বোমা মেরে লক্ষ্য অর্জন বা সরকার বদল করতে পারবে না। একসময় অস্ত্রের মজুত শেষ হবে, তেলের দাম বাড়বে এবং অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেবে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইচ্ছা দুর্বল হয়ে পড়বে। আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে তারা যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করবে (যা নভেম্বরের নির্বাচনের ওপর নির্ভরশীল)। ট্রাম্প হয়তো ‘জয়’ ঘোষণা করে প্রস্থান করবেন। এতে ইরান শক্তিশালী হবে, পেট্রোডলার দুর্বল হবে এবং বিশ্ব ‘মাল্টিপোলার’ বা বহুমুখী হয়ে উঠবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘নিয়ন্ত্রিত পরাজয়’ হবে, তবে তাদের বিশাল সাম্রাজ্য খুব সহজে শেষ হবে না।
· ২. স্থল অভিযান (বিপর্যয়কর)
যুক্তরাষ্ট্র যদি সেনা পাঠায়, তবে তাদের নতুন করে ড্রাফট (বাধ্যতামূলক সেনানিয়োগ) করতে হবে। ইরানের ভৌগোলিক অবস্থান ও জনসংখ্যার কারণে এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অস্থিরতা বাড়বে, যা গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এতে মার্কিন অর্থনীতি ধসে পড়বে এবং তাদের বিশ্ব-আধিপত্যের অবসান ঘটবে। একে ‘সাম্রাজ্য শেষের পরাজয়’ বলা যেতে পারে। এই উচ্চমূল্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্র স্থলযুদ্ধ এড়িয়ে যাবে বলেই মনে হয়।
যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে?
· ইরানে কোনো পূর্ণাঙ্গ স্থল অভিযান হবে না (সীমিত স্পেশাল অপারেশন হতে পারে, যেমন হরমুজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থান সাময়িক দখল। তবে ইরানের তৈরি স্থলযুদ্ধের ফাঁদ তারা এড়িয়ে যাবে)।
· ৬ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা সরিয়ে নিতে পারে। কারণ, অর্থনৈতিক ক্ষতি, কম জনসমর্থন ও অন্যান্য পরাশক্তিদের চাপ।
· যুদ্ধোত্তর মধ্যপ্রাচ্য বহুমুখী হবে। দুই প্রধান শক্তি হিসেবে উদীয়মান হবে ইরান (রাশিয়া-চীনের সমর্থনে) এবং ইসরায়েল (প্রযুক্তি ও অর্থনীতির জোরে)।
· পেট্রোডলার দুর্বল হলে বিশ্ব মুদ্রার ভারসাম্যে পরিবর্তন আসবে (যেমন, ইউয়ানের উত্থান)।
বিশ্লেষণের শক্তি ও ভিত্তি কতটা বাস্তবসম্মত?
এই বিশ্লেষণটি জন মিয়ারশাইমারের মতো ‘বাস্তববাদী ভূ-রাজনীতি’, ইউক্রেইন-ইয়েমেন যুদ্ধের খরচের অনুপাত এবং পেট্রোডলারের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে করা। এটি আবেগহীন এবং তথ্যনির্ভর। ইতিহাসের উদাহরণগুলো যুক্তিযুক্ত। অর্থনৈতিক চাপ (হরমুজ, তেলের দাম) ও দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ওপর জোর দেওয়া বাস্তবসম্মত। যুদ্ধক্ষেত্রের জয়ের চেয়ে টিকে থাকার ক্ষমতার ওপরই যুদ্ধের সমাপ্তি নির্ভর করে।
২০২৬ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধ এখনও আকাশপথ ও অ্যাট্রিশন (ক্ষয়) পর্যায়ে আছে। কোনো বড় স্থল অভিযান হয়নি। চলমান হামলা, ইরানের পাল্টা আক্রমণ এবং ট্রাম্পের হরমুজ নিয়ে হুমকি, ‘আকাশ যুদ্ধ থেকে প্রস্থানের দিকে চাপ’-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এটি একটি বিশ্লেষণমূলক লেখা এবং তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে অনুমিত। নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত, অপ্রত্যাশিত ঘটনা এবং প্রযুক্তির ওপর যুদ্ধের ফলাফল নির্ভর করে। নির্দিষ্ট সময় আর দিন-ক্ষণ আগাম নির্ধারণ করে যুদ্ধ শেষ হয় না। ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযোজন ক্ষমতা ইত্যাদি জটিল বিষয় সহজ করে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। যুদ্ধ এখনও চলছে। বাড়ছে হতাহত ও বিমান ভূপাতিতের ঘটনা, যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে। এই বিশ্লেষণে সরাসরি ‘যুদ্ধ বাড়বে কি কমবে’ তার উত্তর না থাকলেও, বিশ্ব রাজনীতির লেন্স দিয়ে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তেলের বাজার ও বিশ্ববাণিজ্যের ওপর এই যুদ্ধের প্রভাব যে কোনো দেশের জন্য ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।