০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১
জাবালিয়ায় বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে আশ্রয় দেওয়া জাতিসংঘের এক ক্লিনিকে ইসরায়েলের হামলায় ৯ শিশুসহ অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কাছাকাছি অবস্থিত ইন্দোনেশীয় হাসপাতাল।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বৈরুতের দাহিয়া এলাকায় তেল আবিব হামলা চালাল, যেখানে হিজবুল্লাহ’র শক্ত ঘাঁটি আছে।
পশ্চিমাদের এই সাংঘর্ষিক চিন্তার অবসান না ঘটলে মধ্যপ্রাচ্যকে সামনে দিনগুলোতেও যুদ্ধের নরক যন্ত্রণা ভুগে যেতে হবে।
প্রস্তাবের পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী রাফার আশপাশের বাসিন্দাদের উপকূলের ধারের আল মাওয়াসি শহরে আশ্রয় নিতেও বলেছে। তাদের লক্ষ্য, গাজার দক্ষিণে ‘তুমুল অভিযান’ চালানো।
“তাকবিরের শব্দে ঘুম ভাঙার বদলে আমাদের ঘুম ভেঙেছে বিমান হামলা আর বোমার গর্জনে,” বলেন নাহাল; ঘরছাড়া এই নারীর ঈদ কেটেছে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে।
“আশা করছি (ইসরায়েলি) দখলদাররা এই প্রস্তাবে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না,” বলেছেন হামাসের আলোচক দলের প্রধান খলিল আল-হায়া।
ইসরায়েল ১৮ মার্চ থেকে বড় ধরনের হামলা শুরু করার পর গাজায় এ পর্যন্ত ৯২১ জন নিহত হয়েছেন।
হামলায় লেবাননের রাজধানীর দক্ষিণ শহরতলির একটি ভবনকে লক্ষ্যস্থল করা হয়। দাহিয়া নামের এলাকাটি হিজবুল্লার একটি শক্তিকেন্দ্র।