২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের ওপর নানা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার জটিল জাল ছিন্ন করতে গেলে তা আইনি, রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে এবং বছরের পর বছর সময় লাগতে পারে।
এসব ঘটনা এমন এক সপ্তাহান্তের পর ঘটেছে যা সপ্তাহখানেক আগের সমঝোতা চুক্তিটিকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছিল বলে মনে হচ্ছিল।
পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করতে দেওয়া এবং হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌচলাচলের বিষয়ে ইরানের প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের ফাঁস হওয়া নথিতে যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিলের কথা বলা হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি দুই দেশ।
যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি জানিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচিতে ইরানের স্বচ্ছ পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে তারা দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে প্রস্তুত।
ফিলিস্তিনিদের ওপর ভয়াবহ সহিংসতা চালানো উগ্রপন্থি বসতিস্থাপনকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে দেশগুলো।
এনবিসি নিউজের এক সাক্ষাৎকারে ইরান, নিষেধাজ্ঞা ও সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কথা বলেন ডনাল্ড ট্রাম্প।সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে নির্বাচন ও গণমাধ্যম প্রসঙ্গে মন্তব্য করার পর একপর্যায়ে তিনি উঠে চলে যান।
পুতিন জোর দিয়ে বলেন, সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোকে তাদের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মুক্ত থাকতে হবে।