২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তেহরান যদি আলোচনার টেবিলে ফিরে না আসে, আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু—সবই নিশানা করা হবে।
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে তার তিন ছেলে উপস্থিত থেকে জানাজায় অংশ নিলেও, উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মুজতাবা খামেনিকে দেখা যায়নি।
এ খাতে শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে, যার পরিধি কেবল সামরিক খাতেই সীমিত নেই, বরং জ্বালানি, শিপিং, ডেটা সেন্টার, হোটেল ও বিমানবন্দরের মতো বেসামরিক খাতেও বাড়ছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর-আইআরজিসি এর সাবেক প্রধান কমান্ডার মোহসেন রেজাই বুধবার চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে ইরানকে দুর্বল করার মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ার মানচিত্র নতুন করে আঁকতে চায়। রেজাই আরও বলেন, ইসরায়েল ভূখণ্ড সম্প্রসারণে আগ্রহী, আর যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য জ্বালানি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বিভিন্ন শহরের মসজিদে সামরিক প্রশিক্ষণের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। সেখানে নারী, পুরুষ, কিশোর ও পরিবারগুলোকেও অংশ নিতে দেখা যায়। সরকার বলছে, দেশ রক্ষায় জনসচেতনতা ও প্রস্তুতি বাড়াতেই এই কার্যক্রম।
চীনের বিশ্লেষক জুয়েকিন জিয়াঙের সেই তিনটি আলোচিত ভবিষ্যদ্বাণী—ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবং আমেরিকার পরাজয়—কি তবে অক্ষরে অক্ষরে ফলতে যাচ্ছে?