Published : 27 Jul 2026, 03:03 PM
মাত্র ছয় শব্দের একটা ইনস্টাগ্রাম স্ট্যাটাস থেকে সবকিছুর সূত্রপাত। গত ১৬ মে অভিজিৎ দীপকে লিখেছিলেন, “হোয়াট ইফ অল ককরোচেস কাম টুগেদার?” যদি সব তেলাপোকা একত্র হয়ে যায়, তখন কী হবে? এই ছয়টা মাত্র শব্দ ভারতের রাজনীতির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে যোগাযোগ প্রকৌশল বিদ্যায় পড়াশোনা করা ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে হয়ে উঠেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মুখ।
২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর ভারত দেখল সবচেয়ে বড় জনবিক্ষোভ। ক্রমশ নিস্তেজ হয়ে পড়া বিরোধী দলগুলোর রাজনীতি চাঙ্গা হয়ে উঠেছে, রাহুল গান্ধী তরুণদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন এবং ’ইমেজ’ নিয়ে গর্ব করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জেন-জিদের হাসি-তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছেন। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো, তরুণদের এই আন্দোলন প্রমাণ করেছে, ভয় না পেলে, কারও কাছে মাথা নত না করলে অনেক ক্ষমতাধর মানুষকেও জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা যায়।
সব তেলাপোকা একসঙ্গে জড়ো হয়ে যাওয়ার পর যা হলো

গত ১৬ মে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্র সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে তরুণদেরকে তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করেন। তার মতে, ”একটা চাকরি জোগাতে না পারলেও এখানকার তরুণরা সবাই সাংবাদিক হয়ে বসে আছে, যাদের কাজ হলো বুঝে না বুঝে সরকারের সমালোচনা করা।” তার এই বক্তব্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরদিন প্রায় অখ্যাত অভিজিৎ, যিনি ২০২০ সালের দিকে আম আদমি পার্টির মিডিয়া টিমে কাজ করতেন, তার ইনস্টাগ্রামে লেখেন, “যদি সব তেলাপোকা একসঙ্গে জড়ো হয়ে যায়, তখন কী হবে?”
তার সেই স্ট্যাটাস তরুণদের নজর কাড়ে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সেটি বুঝতে পেরে অভিজিৎ ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে মিল রেখে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে পেইজ খোলেন। সেই পেইজের সদস্য হওয়ার শর্ত ছিল বেকার ও অলস হতে হবে এবং দিনে ১১ ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকতে হবে। মাত্র দুই দিনে সেই পেইজ ২২ মিলিয়ন সমর্থক জুটিয়ে ফেলে। বর্তমানে সেই পেইজের সদস্য সংখ্যা আড়াই কোটি, যেটি ভারতের যেকোনো রাজনৈতিক দলের চেয়ে বেশি। এরপরের ঘটনা সবার জানা।
অভিজিতের দেশে ফেরা ও যন্তর-মন্তরে অবস্থান
ইনস্টাগ্রামে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর অভিজিৎ দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। ৬ জুন দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তার হাতে ছিল ভীমরাও আম্বেদকরের আত্মজীবনী। ভারতের সংবিধানের প্রধান স্থপতি এবং দলিত অধিকার আন্দোলনের মহান নেতা আম্বেদকর। নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা অভিজিৎ নিজেও দলিত পরিবারের সন্তান, যার দাদি ছিলেন কৃষক।
বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সোজা যন্তর-মন্তরে চলে যান তিনি; যেখানে তাকে স্বাগত জানাতে অপেক্ষা করছিল কয়েক হাজার ‘তেলাপোকা’। সেদিনের অনুষ্ঠান ব্যাপকভাবে মিডিয়ার নজর কাড়ে। তেলাপোকারা ঘোষণা দেন, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে, সব প্রশ্নফাঁসের ঘটনা তদন্ত করতে হবে এবং প্রশ্নফাঁসের জেরে যেসব শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে তাদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
সোনম ওয়াংচুকের সমর্থন আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়
যন্তর-মন্তরে যখন জমায়েত বাড়তে থাকে, সে সময় লাদাখের শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তার পরিকল্পনা ছিল, আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে তিনি জেনিভায় অনুষ্ঠেয় এক বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগ দিতে যাবেন, কিন্তু সেটি আর হয়ে ওঠেনি। ছাত্রদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশনের ঘোষণা দেন তিনি। সরকারের ঘনিষ্ঠ লোকজন শুরুতে সোনমকে বিদেশি দালাল, দেশদ্রোহী বলে উড়িয়ে দিলেও, অনশনের দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যন্তর-মন্তর এলাকা জুড়ে জনসমাগম বাড়তে থাকে।
২৩ জুলাই অনশন শুরুর ২৬ দিন পর যখন তিনি তা ভাঙেন, ততদিনে আন্দোলন সারা দেশের বড় বড় শহরে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তরুণেরা রাস্তায় নেমে এসেছে। নানা জায়গায় লাঠিচার্জ করেও আন্দোলন আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি সরকার। শেষমেশ কার্যত ছাত্রদের সব দাবি মেনে নিয়েছে।
২০১৪ থেকে মোদী আমলের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ
নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০১৪ সালে বিজেপি সরকার গঠন করার পর, এটি তাদের একটানা তৃতীয় মেয়াদ। তৃতীয়বারে এসে আসন সংখ্যা কমলেও এবং জোটসঙ্গীদের সাহায্যে সরকার গঠন করলেও তাদের জনপ্রিয়তা খুব বেশি কমেনি। ফলে গত ১২ বছরে মণিপুরে বিক্ষোভ, কৃষক আন্দোলনের মতো বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন আন্দোলন ছাড়া বিজেপিকে এত বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়নি। কথিত আছে, মোদী সরকারের কেউ কখনো পদত্যাগ করে না। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ বিজেপির সেই দম্ভ যে চূর্ণ করে দিয়েছে। অভিজিৎ দীপকে যথার্থই বলেছেন, “এই সরকারের কেউ নাকি পদত্যাগ করে না। দুনিয়া তো ঝোঁকে, শুধু ঝোঁকানোর মতো একজন মানুষ লাগে।” বিজেপির কাছে এই বার্তাও পৌঁছে গেছে যে, গণতন্ত্রে কেউ জবাবদিহিতার বাইরে নয়।
নরেন্দ্র মোদীর ইমেজ সংকট
এর সঙ্গে নড়বড়ে হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর ইমেজ। ডনাল্ড ট্রাম্প কিংবা জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে সখ্য, কার্যত কোনো ধরনের বিতর্কিত খবরে না জড়িয়ে নরেন্দ্র মোদী তার ইমেজকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। গত ১২ বছরে কখনো মিডিয়ার সামনে হাজির হওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি তিনি।
সেই মোদী প্রথমে জেদ ধরে থাকলেও তীব্র বিক্ষোভের মুখে ছাত্রদের সব দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন। প্রথা ভেঙে পরপর দুই রাত ইনস্টাগ্রামে লাইভে এসেছেন, দিয়েছেন মিডিয়ায় বিবৃতি। ইনস্টাগ্রাম লাইভে তার বলা প্রথম শব্দ ‘ফ্রেন্ডস’ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং উপকরণ। জেন-জিরা সাধারণত কাউকে ‘ফ্রেন্ডস’ বলে সম্বোধন করে না, তাদের শব্দ ‘হ্যালো ব্রো’, ’হাই বাডি’, ’হোয়াটসঅ্যাপ…’ তেমনি মোদীও সবাইকে ‘মিত্র’ বলেই সম্বোধন করেন। জেন-জিরা এখন বলছে, ৪৯ দিন চুপ করে থাকার পর হঠাৎ এত দরদ কেন উথলে পড়ছে?
এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় কনটেন্ট হলো, মোদীকে তারা সেই বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে তুলনা করছে, যাকে সারাদিন খুঁজে পাওয়া যায় না, কোনো ইমোশনাল সাপোর্টে নেই; কিন্তু শেষ রাতে উদয় হয়ে ইনবক্সে ‘হাই’ লিখে বার্তা পাঠায়। এরকম বয়ফ্রেন্ডকে জেন-জিরা নাকি টক্সিক বয়ফ্রেন্ড মনে করে।
বিরোধীদের পোয়াবারো
টানা বারো বছর ধরে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে আসা বিরোধী দলগুলোর জন্য এই আন্দোলন যেন প্রচণ্ড দাবদাহে এক পশলা বৃষ্টি। বিজেপির সঙ্গে কোনোভাবেই পেরে উঠতে না পারা বিরোধী দলগুলো শুরু থেকেই ছাত্রদের সমর্থন দিয়ে গেছে; কংগ্রেস, বাম দল থেকে শুরু করে আঞ্চলিক দল পর্যন্ত। সবচেয়ে স্মার্ট দিকটি হলো, কেউ এখানে জাতীয় রাজনীতি, হিন্দু-মুসলমান বিভেদ, কিংবা অন্য কোনো ইস্যু নিয়ে টু শব্দটিও করেনি; বরং শুরু থেকেই ছাত্রদের ইস্যুতে ফোকাস রেখেছে। ফলে ছাত্ররাও তাদেরকে গ্রহণ করে নিয়েছে। শেষমেশ ছাত্রদের জয় যে বিরোধী দলগুলোর ভবিষ্যৎ আন্দোলনে রসদ জোগাবে, সে তো বলাই যায়।
’গোদী মিডিয়ার’ মুখোশ খুলে গেছে
আন্দোলনের শুরু থেকেই মিডিয়া কয়েক ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। ভারতের মিডিয়াগুলোর বড় অংশ নরেন্দ্র মোদী সরকারের অনুগত বলে এদেরকে ’গোদী মিডিয়া’ বলা হয়। তারা শুরু থেকেই ছাত্রদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। আমেরিকা থেকে পাকিস্তান, এমন কোনো দেশ নেই আন্দোলনকারীদেরকে যাদের দালাল বানানো হয়নি। বাংলাদেশি উগ্রবাদীদের সঙ্গে যোগসাজশের গল্পও তৈরি করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকশ আইডি থেকে আন্দোলন উসকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব দাবির যে কোনো ভিত্তি নেই, তার প্রমাণ হলো সরকার এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি।

ভারতে বলিউড ইন্ডাস্ট্রি বেশ প্রভাবশালী। এই আন্দোলনে অনেকেই চুপ থাকলেও বড় একটা অংশ ছাত্রদের পক্ষ নিয়েছে। শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহ, সোনাক্ষী সিনহা, অরিজিৎ সিং, অনুরাগ কাশ্যপ, প্রকাশ রাজ, দিয়া মির্জা, নন্দিতা দাস, বিশাল দাদলানি, হুমা কুরেশি, আলিয়া ভাটদের প্রকাশ্য সমর্থন আন্দোলনে জ্বালানি দিয়েছে। কিংবদন্তীতুল্য ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারও কথা বলেছেন।
যারা চুপ ছিল, তাদেরকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি কেউ কেউ। যেমন নাসিরুদ্দিন শাহ যে ব্যঙ্গ করেছেন, তা রীতিমতো ভাইরাল। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, “মুখে হাড় নিয়ে বসে থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। ঘেউ ঘেউ করার জন্য মুখ খালি থাকতে হয়, অথবা চোয়াল ভাঙতে হয়।”
ভয়কে জয় করলে বিজয় নিশ্চিত
৪৯ দিন আগে প্রায় শূন্য থেকে শুরু হওয়া একটা আন্দোলনের সমাপ্তি হয়েছে জয়ের মধ্য দিয়ে। যথারীতি আন্দোলনকারীদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে, অভিজিৎকে দেশে না ফেরার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে, যন্তর-মন্তরের মিছিলে ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়েছে। কয়েক দফা বৈঠকের জন্য আন্দোলনকারীদেরকে মন্ত্রীদের বাসায় ডাকা হয়েছে, কিন্তু ছাত্ররা যন্তর-মন্তর কিংবা নিরপেক্ষ স্থান ছাড়া বৈঠকে রাজি হয়নি। প্রধান দাবি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ তো হয়েছেই; বাকি সব দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছে সরকার। অভিজিৎ যেমনটা বলেছেন, "এই পদত্যাগ প্রমাণ করে, যদি আমরা ভয় না পাই, যদি ক্ষমতার সামনে মাথা নত না করি, তাহলে আরও অনেক ক্ষমতাধর মানুষকেও জবাবদিহির মুখে দাঁড় করানো সম্ভব।"
একই সঙ্গে মানুষের কাছে এই বার্তা গেছে যে, নরেন্দ্র মোদীর সরকারেও কেউ পদত্যাগ করে। এটি যে ভবিষ্যতে মোদী সরকারকে যথেষ্ট চাপে রাখবে, তা বলা যায়। তরুণদেরকে যে উপেক্ষা করা যায় না, সেটিও প্রবলভাবে সামনে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তরুণদের (জেন-জি) সংযোগ কম। ফলে তারা তরুণদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে ভুল করছে। সেখান থেকেই জন্ম নিচ্ছে ক্ষোভ; জন্ম নিচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। এসব প্ল্যাটফর্ম দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির খোলনলচে পাল্টে দেবে কি না, সেটি সময়ই বলে দেবে।
হরিয়ানা থেকে আসা এক সাংবাদিক অভিজিৎকে জিজ্ঞেস করেছিল, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলে লাভটা কী হবে? অভিজিৎ উত্তর দিয়েছিলেন, "চাকরিতে আপনি খারাপ পারফরম্যান্স করলে কি চাকরি থাকে? আপনাকে বেতন দেয়? যদি না থাকে, তাহলে প্রশ্নফাঁসের পরও শিক্ষামন্ত্রী কেন তার পদে বহাল থাকবেন? খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে কেউ চাকরি হারালে বাকিদের কাছে এই বার্তা যায় যে, পারফরম্যান্স না করলে চাকরি থাকবে না।"
এটা ঠিক যে, এই আন্দোলনে বাইরের কোনো ষড়যন্ত্র আছে কী না, ডলারজীবীদের দ্বারা আন্দোলন প্রভাবিত কি না, সেসব নিয়ে কথা কম হয়নি। কিন্তু অহিংসভাবে ৪৯ দিন ধরে মাঠে থেকে দাবি আদায়ের পর ঘরে ফিরে গিয়ে ভারতীয় তরুণরা প্রমাণ করেছে, তারা কারও এজেন্ট নয়; অধিকার আদায়ের জন্য মাঠে নেমে সেটি আদায় করে ছেড়েছে।
ভারতীয় তরুণদের আন্দোলনের সার্থকতা এখানেই।
রাজু নূরুল উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ও লেখক। বর্তমানে সোমালিয়া সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত। যোগাযোগ: [email protected]
ভারতে তেলাপোকা পার্টি এখন 'রিয়েল'
'তেলাপোকা পার্টি' কি মোদীর ক্ষমতার ভিত নাড়িয়ে দেবে?
প্রশ্নফাঁসের যন্ত্রণা ও রাজপথের 'ককরোচ': দিল্লিতে কোন ডঙ্কা বাজছে