০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মার্কিন প্রশাসনের চোখে ইরান কোনো দেশ নয়, একটি ‘রেজিম’ মাত্র। অথচ তাদের বশংবদ স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রগুলো তাদের কাছে ‘গণতান্ত্রিক বন্ধু’! ইরানকে পাথরযুগে পাঠানোর হুমকির আড়ালে কি আসলে সভ্যতার বিনাশ আর আধিপত্যবাদের কূটচাল লুকিয়ে আছে?
নির্দিষ্ট সময় আর দিন-ক্ষণ আগাম নির্ধারণ করে যুদ্ধ শেষ হয় না। ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযোজন ক্ষমতা ও বিশ্ব রাজনীতির নতুন কোনো মোড় নির্ধারণ করে দিতে যুদ্ধের পরিণতি।
ইরানের জনগণের মুক্তির নামে শুরু করা মার্কিন-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধ আসলে জায়নবাদী প্রকল্প আর সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের মিলন।
সংস্কারের যে ভঙ্গুর বন্দোবস্ত সামনে আনা হয়েছে, গণভোটে তার জয়ের ওপর কি সরকারের নিরাপদ নিষ্ক্রমণ নির্ভর করছে?
রাষ্ট্রপতিকে তুলে নিয়ে গেলেই রাষ্ট্র দখল করা যায়—এই পুরোনো সাম্রাজ্যবাদী ধারণা ভেনেজুয়েলায় আবারও ভেঙে পড়ছে।
মাদুরো অপহরণ শুধু একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে আটকের ঘটনা নয়; এর নেপথ্যে রয়েছে ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ দখল, রাশিয়া-চীন বলয়কে দুর্বল করার ছক এবং লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্যের বিস্তারের বাসনা।
আধিপত্যই এই যুদ্ধের চালিকা শক্তি। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ আসলে একটি সাম্রাজ্যবাদী দাবার খেলা—যেখানে বোমা, জ্বালানি, ইতিহাস আর ভূরাজনীতি মিলেমিশে তৈরি করেছে ধ্বংসের নতুন মানচিত্র।