লিঙ্গ বৈচিত্র্য নিয়ে তারা আছেন, তারপরও কেন বিভ্রান্তি

“আবারও ফিরে গেছি পুরনো ট্রমায়। গত ৩/৪ বছরে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল। আর এখন রাস্তা দিয়ে হাঁটলেই মনে হয় কেউ বলবে- ‘এই তুমি ট্রান্সজেন্ডার না?’”

রিফাত পারভীনবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 31 Jan 2024, 07:25 PM
Updated : 31 Jan 2024, 07:25 PM

জন্মের পর থেকেই শিয়াব (ছদ্মনাম) পরিচয়ে বড় হতে থাকা ছেলেটি নিজের পরিচয় খুঁজে পান ‘ট্রিয়ানা’ নামে। শারীরিকভাবে ছেলেদের মত হলেও নিজেকে পুরোপুরি একজন নারী ভাবেন ট্রিয়ানা।

আমাদের আশপাশে ট্রিয়ানার মত আরও অনেকেই আছেন। কেউ কেউ হয়ত আমাদের ঘনিষ্ঠজনও। কিন্তু তারপরও লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, বিভ্রান্তির যেন শেষ নেই। 

সম্প্রতি নতুন করে সেই বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে, যার শুরু ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের স্কুলের পাঠ্যবই ছেঁড়ার ঘটনায়।

ওই শিক্ষক প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ‘শরীফার গল্প’ নামের একটি সচেতনতামূলক পাঠ ছিঁড়ে ‘প্রতিবাদ’ জানিয়েছেন। ওই পাঠে রয়েছে ‘হিজড়া ও তৃতীয় লিঙ্গের’ মানুষদের জীবনের কথা। কিন্তু শিক্ষক আসিফ মাহতাবের দাবি, পাঠ্যবইয়ে ‘ট্রান্সজেন্ডারের গল্প’ ঢুকিয়ে ‘সমকামিতাকে’ উসকে দেওয়া হচ্ছে।

নারী ও পুরুষ অর্থাৎ সিসজেন্ডার বা বাইনারি জেন্ডারের বাইরেও ট্রান্সজেন্ডার, ইন্টারসেক্স, নন বাইনারি জেন্ডারের মত আরো অনেক লিঙ্গ পরিচয় রয়েছে। আবার সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন বা আকর্ষণ অনুভবের বিষয়টিও আধুনিক বিশ্বে গুরুত্ব পাচ্ছে।

আবারও ‘পুরনো ট্রমা’

খুলনা শহরে জন্ম ও বেড় ওঠা ট্রিয়ানা দেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

তিনি বললেন, “আমি একজন ট্রান্সজেন্ডার, কারও এই অনুভূতি হঠাৎ করে আসে না। আমারও হঠাৎ করে আসেনি। ছোটবেলা থেকেই আমি বুঝতে পেরেছি।”

তিন-চার বছর বয়স থেকে ট্রিয়ানা নিজে বুঝতে পারেন অন্য শিশুদের থেকে তিনি আলাদা। তার পরিবারও বুঝত।

“আমি কখনই ছেলেদের পোশাক পছন্দ করতাম না। যেসব খেলা ছেলেদের, সেগুলোতে কোনও আকর্ষণ ছিল না। বোনদের পুতুল নিয়ে খেলতে ভালো লাগত। ছেলে বন্ধু থাকলেও মেয়ে বন্ধুদের সঙ্গেই স্বস্তি পেতাম।”

আট-নয় বছর পর্যন্ত তেমন সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে। তবে প্রাথমিক স্কুলে ভর্তির পর থেকেই মারাত্মকভাবে বুলিংয়ের শিকার হতে শুরু করেন।

“স্কুল ও আত্মীয়রা আমাকে হিজড়া, হাফ লেডিস বলত। এমন করে কেন হাঁটিস বলে হাসাহাসি করত,” বলেন ট্রিয়ানা।

স্কুলে বুলিংয়ের শিকার ট্রিয়ানা তখন নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা শুরু করলেন; কিন্তু হয়নি।

ট্রিয়ানা বলেন, “লুকানোর চেষ্টা করলেও আমার কথাবার্তা, আচরণ ও হাঁটাচলায় সব সময়েই ফেমিন ভাব ছিল। বাইরে না দেখালেও মানসিকভাবে অনুভব করতাম আমি একজন মেয়ে। নিজের পরিচয় যখন নিজেই জানি না তখন মনের মধ্যে অনেক যুদ্ধ চলে। আর নিজের পরিচয়ের যুদ্ধ এখনই সহজ নয়।”

‘শরীফার গল্প’ নিয়ে বিতর্কের বিষয়ে ট্রিয়ানা বলেন, “আবারও ফিরে গেছি পুরনো ট্রমায়। গত ৩/৪ বছরে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল। আর এখন রাস্তা দিয়ে হাঁটলেই মনে হয় কেউ বলবে- ‘এই তুমি ট্রান্সজেন্ডার না?’”

আন্তঃলিঙ্গের নুর আলম

“আমি বায়োলজিক্যালি একজন ইন্টারসেক্স বা আন্তঃলিঙ্গের মানুষ। এই লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে আমার জন্ম, আর এই পরিচয় নিয়েই আমি মারা যেতে চাই। নারী বা পুরুষ কোনো লিঙ্গ পরিচয়ই আমি চাই না,” কথাগুলো বলছিলেন নূর আলম।

লক্ষ্মীপুরের একটি গ্রামে জন্ম হয়েছিল ‘শুভ্রা’ নামের একটি শিশুর। কিন্তু পরে মা-বাবা তার বদলে রাখেন নূর আলম।

“আমার জন্ম মেয়ে ও পুরুষ উভয় লিঙ্গ নিয়েই। তখন বাবা জার্মানিতে। পরিবারের সবাই মায়ের উপর সব দোষ দেয়, সবাই বলে ‘হিজড়া জন্ম দিয়েছ’। ৫ বছর পর্যন্ত আমি মেয়ে হিসেবেই বড় হয়েছি। ৬ বছর হলে জানতে পারি আমি মেয়ে নই, ছেলে।”

সবমিলিয়ে তার সাতটি অস্ত্রোপচার হয় জানিয়ে নূর আলম বলেন, “১৮ বছর পর্যন্ত আমাকে নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হত, যেন আমি একটি লিঙ্গের মানুষ হতে পারি।” 

কিন্তু কোনো চিকিৎসাই তাকে নারী বা পুরুষ করতে পারেনি।

“জীবনের ১৮ বছর কোনো পরিচয় ছাড়াই পার করেছি। কষ্ট সহ্য করতে না পেরে এক সময় আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছিলাম। এখন সাভারে তিনটি খাবারের দোকান রয়েছে আমার, সেখানেই থাকি।”

পড়াশোনা শেষ করতে না পেরে দেশের আন্তঃলিঙ্গের মানুষদের জন্য কাজ করেন নূর আলম। বাংলাদেশ ইন্টারসেক্স অ্যাসোসিয়েশন নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে রয়েছেন তিনি। প্রায় ৩৫০ জন আন্তঃলিঙ্গের মানুষ রয়েছেন এই সংগঠনে।

“সংগঠনের মাধ্যমে এই মানুষদের সাহায্যের চেষ্টা করলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি। দুদিন আগেও মোহাম্মদপুরের একটি ফুটব্রিজ পার হতে গিয়ে বলতে শুনেছি, ওই দেখ শরিফা থেকে শরিফ।”

হিজড়া জনগোষ্ঠী

হিজড়া বলতে ইন্টারসেক্স বোঝায় না। বাংলাদেশে হিজড়াদের মধ্যে ইন্টারসেক্স ও ট্রান্সজেন্ডার দুই ধরনের মানুষই থাকতে পারেন।

একজন ট্রান্সজেন্ডার হলেও কোনো অস্ত্রোপচার করাননি ট্রিয়ানা। কারণ ট্রান্সজেন্ডার মানেই সার্জারি করে হতে হবে এমন না।

ট্রিয়ানা বলেন, “মানুষ হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডারদের আলাদা করে ফেলছে। হিজড়া কিন্তু কোনো লিঙ্গ নয় এটি কেবল মাত্র কমিউনিটি বা জনগোষ্ঠী। এই জনগোষ্ঠীতে ট্রান্সজেন্ডার, ইন্টারসেক্স বা আন্তঃলিঙ্গসহ অন্য লিঙ্গের মানুষও থাকতে পারেন। একটা কমিউনিটি বা গোষ্ঠী তো জেন্ডার আইডেন্টিটি হতে পারে না। তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দেওয়ার সময় এই লিঙ্গে কারা পড়বেন তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। সে কারণেই এমন ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।”

লিঙ্গ পরিচয় ও সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন

লিঙ্গ পরিচয় বলতে বোঝানো হয় ব্যক্তি নিজেকে যে লিঙ্গের মানুষ মনে করেন এবং নিজেকে যা বলে পরিচয় দেন। ব্যক্তি নিজেকে সিস জেন্ডার (নারী বা পুরুষ), ট্রান্সজেন্ডার, ইন্টারসেক্স বলে পরিচয় দিতে পারেন।

অন্যদিকে সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন হল অন্য ব্যক্তির প্রতি যৌন আকর্ষণ, যা একেবারেই সহজাত প্রবৃত্তির বিষয়।

মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ হয় ক্রোমজোম, বিশেষ কিছু হরমোন ও প্রজনন অঙ্গের ভিত্তিতে। নারীদের শরীরে এক্স-এক্স ক্রোমোজোম ও ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রাধান্য থাকে। অন্যদিকে পুরুষদের শরীরে এক্স-ওয়াই ক্রোমজোম ও টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রাধান্য থাকে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহজাদা সেলিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, অনেকের মধ্যে লিঙ্গ ও হরমোনের মিশ্রণ হতে পারে। খুব পরিচিত একটি বায়োলজিক্যাল মিশ্রণ হল হার্মাফ্রোডাইটিজম।

এই মিশ্রণে একজনের শরীরে নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজনন অঙ্গ থাকে। তাতে করে ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রাও পরিবর্তন হয়। ফলে হরমোনের তারতম্যের কারণে কারো মধ্যে পুরুষদের মত কণ্ঠস্বর, দাড়িগোঁফ হয়। আবার কারো নারীদের বৈশিষ্ট্য থাকে। এদেরকে ইন্টারসেক্স বা আন্তঃলিঙ্গ বলা হয়।

শাহজাদা সেলিম বলেন, ট্রান্সজেন্ডারদের মধ্যে বায়োলোজিক্যাল ত্রুটি তেমন দেখা যায় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হরমোনের তারতম্য থাকে। তবে ট্রান্সজেন্ডারদের ক্ষেত্রে মানসিক চাহিদাই বেশি প্রাধান্য পায়।

কেউ কেউ পুরুষের মত অঙ্গ ও হরমোন নিয়ে জন্ম নিলেও নিজেকে মানসিকভাবে একজন নারী ভাবতেই পছন্দ করেন। এদের ট্রান্সউইমেন বলা হয়।

আবার অনেক নারীও নিজেদের পুরুষের মত ভাবেন। সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্যও দেখা যায়। এদের ট্রান্সমেন বলা হয়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে জেন্ডার ডিস্ফোরিয়া বলা হয়।

শাহজাদা সেলিম বলেন, “যে মানুষ যেভাবে জন্মগ্রহণ করেছেন তাকে যেমন সেভাবেই গ্রহণ করা উচিত, আবার কারো মানসিক চাওয়াকেও প্রাধান্য দিতে হবে। তবে আমাদের দেশে হরমোন বা লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়ে কোনো আইন নেই। তাই চিকিৎসকরা এই সেবা দিতে পারেন না।

“যদিও শারীরিক কোনো ঝুঁকি না থাকলে একজন ব্যক্তি চাইলেই নিজের পছন্দের লিঙ্গে যেতে পারেন। অনেক দেশে এই নাগরিক অধিকার থাকলেও আমাদের দেশে নেই।”

মেনে নিতে সংকোচ কেন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক স্নিগ্ধা রেজওয়ানা নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিজড়া জনগোষ্ঠীর ওপর গবেষণা করেছেন।

সাম্প্রতিক বিতর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, “মানুষ যা নিয়মিত দেখে না, তা হঠাৎ করে দেখলেই প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। তবে অস্বাভাবিক বিষয় হল যদি এর মধ্যে ক্ষমতার বিষয়টি থাকে, অর্থাৎ আধিপত্যশীল মতাদর্শ থেকে আলাদা মতাদর্শকে বাড়তে না দেওয়ার বিষয়। আধিপত্যশীল চর্চার বিপরীত কোনো চর্চাকে গ্রহণ না করার চিন্তা থেকেই এমন সংকট তৈরি হয়।”

এছাড়া নিজের চিন্তাকেই প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া, ভিন্ন চিন্তা, ভিন্ন মত থাকলেই সেখানে আক্রমণ ও নির্দিষ্ট একটি চিন্তা বা ধারণাকেই একমাত্র আদর্শ মনে করলেও এ ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ।

পাঠ্যপুস্তক ছিঁড়ে ফেলা ও ভিন্ন লিঙ্গ নিয়ে বিভ্রান্তির পেছনে যথাযথ জ্ঞানের অভাবকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন সহযোগী অধ্যাপক স্নিগ্ধা রেজওয়ানা।

তিনি মনে করেন, স্পর্শকাতর বিষয় পাঠ্যপুস্তকের অংশ করার আগে অবশ্যই নৃবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, জেন্ডার বিশেষজ্ঞ এবং মনোবিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে প্রতিক্রিয়া তৈরির সুযোগ থেকে যায়। ‘শরীফার গল্প’ নিয়েও সেটি দেখা গেছে।

লিঙ্গের পার্থক্য বোঝানোকে যৌক্তিক মনে করেন না তিনি, বরং বিভিন্ন লিঙ্গের মৌলিক অধিকার নিয়ে আলোচনা হতে পারত বলে তার মত।

পাঠ্যপুস্তকে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বা লিঙ্গ বিষয়ক শিক্ষাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এই বিশেষজ্ঞ।

“প্রাথমিকভাবে এই শিক্ষা থাকা খুবই জরুরি। তবে হঠাৎ করে সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে নয়, শিশুদের নিচের শ্রেণি থেকেই নারী ও পুরুষের ধারণা দিতে হবে। ধীরে ধীরে আসবে রূপান্তরিত, তৃতীয় লিঙ্গ বা অন্য লিঙ্গের ধারণা। পাঠ্যপুস্তকে ধারাবাহিকতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। স্পর্শকাতর বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবেই পাঠ্যপুস্তকে আনা উচিত।”

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে-মেয়ে উভয়েরই মানসিক ও প্রজনন স্বাস্থ্যে নানা পরিবর্তন হয়। সামাজিকভাবে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগও তৈরি করা হয় না।

বিভিন্ন গবেষণা বলে, সঠিক জ্ঞানের অভাবে এই বয়সীদের মধ্যে পর্নোগ্রাফি দেখার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। এতে নানা ভুল ধারণা নিয়েই শিশুরা বড় হচ্ছে। তাই প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন স্নিগ্ধা রেজওয়ানা।

পুরনো খবর:

Also Read: ‘শরীফার গল্প’: মৌলবাদী ‘চক্রান্ত’ প্রতিরোধের আহ্বান উদীচীর

Also Read: শরীফার গল্প: মাহতাবকে চুক্তিতে না রাখার কারণ জানাল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

Also Read: শরীফার গল্প: যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী নওফেল

Also Read: ‘শরীফার গল্পের’ উপস্থাপনায় বিভ্রান্তি থাকলে পরিবর্তন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

Also Read: আসিফ মাহতাবকে পুনর্বহালের দাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

Also Read: পাঠ্যপুস্তকের কোনো রচনা প্রত্যাহার করে নতি স্বীকার নয়: নির্মূল কমিটি

Also Read: 'শরীফার গল্প' নিয়ে বিতর্ক কেন?

Also Read: ‘শরীফার গল্প’ পর্যালোচনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কমিটি

Also Read: শিক্ষক হিসেবে আসিফ মাহতাবের যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ: মহিলা পরিষদ

Also Read: 'উগ্র’ আসিফ মাহতাবকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জাসদের

Also Read: বই থেকে ‘শরীফার গল্প‘ বাদ দিতে উকিল নোটিস

Also Read: ‘লিঙ্গ বৈচিত্র্যের মানুষদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ উদ্বেগের’