Published : 11 Mar 2026, 09:30 PM
রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় গ্যাস বিস্ফোরণে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় দগ্ধদের পরিবারের তিন সদস্য মারা গেলেন।
উত্তরার ওই বাসায় ‘গ্যাস লিক থেকে’ বিস্ফোরণে ১০ জন দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বুধবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে মারা যান ২৫ বছরের রিয়া আক্তার। ৩২ শতাংশ পোড়া জখম নিয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান। এ ঘটনায় দগ্ধ বাকি সাতজন চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এর আগে রিয়া আক্তারের ছোট বোন ২৪ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তার এবং সোনিয়ার চাচাতো দেবর দুবাই প্রবাসী ৩০ বছর বয়সী এনায়েত আলী মারা যান।
বাকি সাতজন এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারা হলেন- সোনিয়ার স্বামী রুবেল (২৭) ও তার মেয়ে রোজা (৩), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েতের স্ত্রী দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩৫), এনায়েতের ভাগ্নি আয়েশা আক্তার (১৮) এবং আবু কালাম রুবেল (৩৫) নামে আরো একজন।
এরমধ্যে রুবেলের শরীরের ৩২ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, দুলারার ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪, হাবিবের ১৯, আয়েশার ১২ এবং আবু কালামের ৭ শতাংশ পুড়েছে।
গত ৬ মার্চ ভোরে উত্তরার বামনারটেক কবরস্থান সড়কে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ওই ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। পুলিশের ধারণা, গ্যাস সিলিন্ডারের লিক থেকে এই বিস্ফোরণ হয়েছিল।
পরে ভোর ৫টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
তাদের প্রতিবেশী ও এনায়েতের ভাগ্নে সাজেদ মাতব্বর বলেছিলেন, দ্বিতীয় তলার বাসায় থাকতেন রুবেল-সোনিয়া দম্পতি ও তাদের সন্তান। রুবেল মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করেন।
রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী, কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে রুবেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।
তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়।
উত্তরায় 'গ্যাস বিস্ফোরণে' দগ্ধ ১০
উত্তরায় 'গ্যাস বিস্ফোরণ': ভাইয়ের স্ত্রীর পর চলে গেলেন প্রবাসী এনায়েত