Published : 10 Mar 2026, 09:54 PM
ঢাকার উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় ‘গ্যাস লিক থেকে’ বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে আরো একজন মারা গেছেন।
৩০ বছর বয়সী এনায়েত আলী শরীরের ৪৫ শতাংশ পোড়া নিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে তিনি মারা যান বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।
এনায়েত দুবাই প্রবাসী, তিনি ছুটিতে দেশে এসে পরিবারসহ চাচাতো ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে এসে দগ্ধ হন।
এ নিয়ে এ বিস্ফোরণের ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হলো, বাকি আটজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গেল রোববার শতভাগ পোড়া নিয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ২৪ বছর বয়সী সোনিয়া আক্তার মারা যান।
তিনি মঙ্গলবার মারা যাওয়া এনায়েতের চাচাত ভাইয়ের স্ত্রী।
গেল শুক্রবার ভোরে বামনারটেক কবরস্থান সড়কে রাজ্জাক মেম্বারের বাড়ির পাশে ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের কথা জানিয়েছিল তুরাগ থানা পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, গ্যাস সিলিন্ডারের লিক থেকে এই বিস্ফোরণ হয়েছিল।
পরে ভোর ৫টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
মৃত সোনিয়া ও এনায়েত বাদে দগ্ধ বাকিরা হলেন- সোনিয়ার স্বামী রুবেল (২৭), তার মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া আক্তার (২৫), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েতের স্ত্রী দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩৫), এনায়েতের ভাগ্নি আয়েশা আক্তার (১৮) এবং আবু কালাম রুবেল (৩৫) নামে আরো একজন।
এরমধ্যে রুবেলের শরীরের ৩২ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, দুলারার ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪, হাবিবের ১৯, আয়েশার ১২ এবং আবু কালামের ৭ শতাংশ পুড়েছে।
তাদের প্রতিবেশী ও এনায়েতের ভাগ্নে সাজেদ মাতব্বর বলেছিলেন, দ্বিতীয় তলার বাসায় থাকতেন রুবেল-সোনিয়া দম্পতি ও তাদের সন্তান। রুবেল মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করেন।
রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী, কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে রুবেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।
তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়।
আগের খবর:
উত্তরায় 'গ্যাস বিস্ফোরণ': চলে গেলেন দগ্ধ অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ