১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

উত্তরায় ‘গ্যাস বিস্ফোরণ’: চলে গেলেন দগ্ধ অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ

শরীরের শতভাগ পোড়া নিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Mar 2026, 09:56 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:06 PM

ঢাকার উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় ‘গ্যাস লিক থেকে’ বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সোনিয়া আক্তার মারা গেছেন।

২৪ বছর বয়সী সোনিয়া শরীরের শতভাগ পোড়া নিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি মারা যান বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।

শুক্রবার ভোরে বামনারটেক কবরস্থান সড়কে রাজ্জাক মেম্বারের বাড়ির পাশে ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের কথা জানায় তুরাগ থানা পুলিশ।

পুলিশের ধারণা, গ্যাস সিলিন্ডারের লিক থেকে এই বিস্ফোরণ হয়েছিল।

পরে ভোর ৫টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

দগ্ধরা বাকিরা হলেন হলেন- সোনিয়ার স্বামী রুবেল (২৭), তার মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া আক্তার (২৫), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত আলী (৩০), তার স্ত্রী দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩৫), এনায়েতের ভাগ্নি আয়েশা আক্তার (১৮) এবং আবু কালাম রুবেল (৩৫) নামে একজন।

এরমধ্যে রুবেলের শরীরের ৩২ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, এনায়েতের ৪৫ শতাংশ, দুলারার ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪, হাবিবের ১৯, আয়েশার ১২ এবং আবু কালামের ৭ শতাংশ পুড়েছে।

তাদের প্রতিবেশী ও এনায়েতের ভাগ্নে সাজেদ মাতব্বর বলেছিলেন, দ্বিতীয় তলার বাসায় থাকতেন রুবেল-সোনিয়া দম্পতি ও তাদের সন্তান। রুবেল মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করেন।

রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী, কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রুবেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।

তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়।

আগের খবর:

উত্তরায় 'গ্যাস বিস্ফোরণে' দগ্ধ ১০