Published : 13 Apr 2014, 02:06 PM
রোববার সকালে রমনায় বর্ষবরণের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি দেখার পর তিনি বলেন, “পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমরা ২০০১ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না।”
২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনার বটমূলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হন।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই দিনে (বাংলা নববর্ষে) সব ধর্মের ও সব বয়সের মানুষ আনন্দ করে থাকে। তাই দিনটি আনন্দময় করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।”
জঙ্গিদের পক্ষ থেকে কোনো হুমকির তথ্য সরকারের কাছে নেই বলে জানান তিনি।
কঠোর নিরাপত্তায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেবে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নগরবাসী ও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতেই এই নিরাপত্তা।”
পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার ও পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ এসময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
এর আগে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নববর্ষের সার্বিক নিরাপত্তায় রাজধানীতে ৩ হাজারসহ সারা দেশে মোট ৮ হাজার র্যাব সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।
পুলিশও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে।
শনিবার মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যার আগেই নগরবাসীকে নববর্ষ উদযাপন শেষ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।