বিমানে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: অভিযোগপত্র না নিয়ে আরও তদন্তের নির্দেশ
প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইবুনাল আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিলের দিন ধার্য ছিল। বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত তা গ্রহণ না করে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
একইসাথে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন এ ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী শামীম আল মামুন।
তবে কোন সংস্থা অধিকতর তদন্ত করবে সেই আদেশের বিষয়ে জানা যায়নি।
২০২২ সালের ২১ অক্টোবর বিমান বাংলাদেশের ১০০ চালকসহ বেশ কয়েকটি পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের দায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইন্সটির ২৬ কর্মচারীসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গত ২২ জুন অভিযোগপত্র জমা দেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন পাটোয়ারী।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি কমিটির অন্যতম সদস্য ও বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এবং নিরাপত্তা বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক তাইজ ইবনে আনোয়ার ছাড়াও বিমানের এমটি অপারেটর জাহাঙ্গীর আলম, মো. মাসুদ, মো. মাহবুব আলী, এনামুল হক, মাহফুজুল আলম, এমএলএসএস মো. জাহিদ হাসান, হারুন অর রশিদ, সমাজু ওরফে সোবাহান, জাকির হোসেন, অফিস সহায়ক আওলাদ হোসেন এবং হেলপার জাবেদ হোসেনের নাম রয়েছে অভিযোগপত্রে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠলে শেষ মুহূর্তে ওই লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
প্রশ্নফাঁসের এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।
সেসময় বিমানের পাঁচ কর্মীকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দা পুলিশ বলেছিল, প্রশ্নপত্র বিক্রির বিনিময়ে দুই থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে। ওই ঘটনায় বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ‘জড়িত’ থাকারও তথ্য মিলেছে জিজ্ঞাসাবাদে।
