Published : 12 Apr 2026, 09:18 PM
আলোচিত কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের হাসপাতালে ‘চাঁদাবাজির’ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।
শনিবার যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে আসামি করে মামলা হলেও এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ঢাকার শ্যামলীতে কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের ইনচার্জ আবু হানিফ মামলাটি দায়ের করেছেন।
মামলায় শ্যামলী এলাকার ওই যুবদল নেতা ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার তথ্য দিয়ে শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেছেন, আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি মঈন ৫ লাখ টাকা চাঁদার জন্য বাদীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানি করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন শ্যামলী ৩ নম্বর সড়কে বাদীর বাসায় গিয়ে দরজা খুলতে বলে।

বাদীর স্ত্রী মাহিনুর দরজা খুলে দিলে মঈন তাকে বলেন যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। নাহলে পরিবারটির ক্ষতি করবেন বলে তিনি হুমকি দেন। এ সময় বাদী বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান নেন।
একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০-৬০ জন লোক জড়ো করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোল করে। তারা উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালিগালাজ করে। পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বাদী শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্বল্প খরচে কিডনি চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপনের জন্য অধ্যাপক কামরুলের পরিচিতি রয়েছে। শুক্রবার তার হাসপাতালে যুবদল পরিচয়ে চাঁদা দাবির বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল রাত দেড়টার দিকে শ্যামলীর ওই হাসপাতালে যান। তারা অধ্যাপক কামরুল ইসলামের কাছে ঘটনা জানতে চান এবং ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বস্ত দেন।
আগের খবর:
কিডনি চিকিৎসক কামরুলের হাসপাতালে ‘চাঁদাবাজি’, ছুটে গেলেন যুবদলের শীর্ষ নেতারা