০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এভারকেয়ারে নয়, কামরুল ইসলামের চিকিৎসা আপাতত পিজি হাসপাতালেই চলবে, বলেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম।
আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন, বলা হয়েছে মামলার অভিযোগে।
মামলার পর মঈনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
আসামিদের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা ‘চাঁদা দাবির’ অভিযোগ করা হয়েছে।
“আমি এখানকার ওসি সাহেবকে বলছি, এসপি সাহেবকে বলছি, একজন ডিআইজি সাহেবকে বলছি, একজন অতিরিক্ত আইজি সাহেবকেও বলছি। কিন্তু সে নাকি কথা শোনে না।”
ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি বলেন, "আমরা দরখাস্তটি পর্যালোচনা করে দেখব। যদি সত্যিকার অর্থেই তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে মানবিক কারণে তিনি চিকিৎসা পেতেই পারেন।"
“কোনো আসামির যদি সত্যিকার অর্থে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ থাকে এবং প্রয়োজন হয়, তিনি যেন চিকিৎসাটা পান।”
রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।