সাবেক মন্ত্রী কামরুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের
ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি বলেন, "আমরা দরখাস্তটি পর্যালোচনা করে দেখব। যদি সত্যিকার অর্থেই তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে মানবিক কারণে তিনি চিকিৎসা পেতেই পারেন।"
কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
উন্নত চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে কামরুল ইসলামের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেয়।
ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আসামির আইনজীবীরা সোমবার বিষয়টি মৌখিকভাবে ট্রাইব্যুনালের নজরে এনে তার অসুস্থতার দাবি করেছিলেন। এরপর মঙ্গলবার এ বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে আসামিপক্ষ থেকে একটি লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয়।
"আমরা দরখাস্তটি পর্যালোচনা করে দেখব। যদি সত্যিকার অর্থেই তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে মানবিক কারণে তিনি চিকিৎসা পেতেই পারেন।"
কারাগারে যাওয়ার আগে থেকেই শারীরিকভাবে নানা রোগে ভুগছিলেন কামরুল ইসলাম। গত বছরের মে মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে এসে টয়লেটে পড়ে মাথা ফেটে যায় তার।
সে সময় তার আইনজীবী নাসিম মাহমুদ বলেছিলেন, সাবেক এই মন্ত্রী পাকস্থলীর ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর ওই বছরের ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা থেকে ঢাকা-২ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় করা কয়েকটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে। আর জুলাই অভ্যুত্থান দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা অভিযোগ গঠনের শুনানি পর্যায়ে রয়েছে।
