Published : 02 Feb 2026, 08:58 PM
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে এসে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা কেনাকাটার বিষয়ে আলোচনা ও চুক্তিকে ‘ধারাবাহিক কাজের অংশ’ বলছেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।
সোমবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, “এটা চলমান প্রক্রিয়া।”
সামরিক খাতে কেনাকাটায় বেশ জোর দেওয়া মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তীকালীন সরকার ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে।
এই যুদ্ধবিমান কিনতে গত ৯ ডিসেম্বর ইতালীয় কোম্পানি লিওনার্দো এসপিএ ইতালির সঙ্গে আগ্রহপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী।
লিওনার্দো এসপিএ ইতালি, বিএই সিস্টেমস এবং এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস কোম্পানির কনসোর্টিয়াম ইউরোফাইটার জিএমবিএইচের অধীনে তৈরি ও বাজারজাত হয় ইউরোফাইটার।
ড্রোন নির্মাণে চীনের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে চুক্তি হয়েছে সম্প্রতি। এক্ষেত্রে মিরসরাই অর্থনৈতিক জোনে সেই কারখানা স্থাপনে জমি বরাদ্দের কথাও জানিয়েছে সরকার।
এর বাইরে পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনা, চীন থেকে জে-১০ সি যুদ্ধবিমান কেনা, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল হেলিকপ্টার এবং ৬৫০ কোটি টাকায় যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বাড়ানোর মত বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে এসব উদ্যোগ যদি পরবর্তী সরকার সামনে এগিয়ে নিতে না চায়, সেক্ষেত্রে কী হবে, এমন প্রশ্নে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, “এটা একটা অনুমাননির্ভর প্রশ্ন।”
যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতা বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কিনতে সরকারের আলোচনার মধ্যে সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য করা হয়েছে খলিলুর রহমানকে।
কোনো দেশের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের জাতীয় নিরাপত্তার উপদেষ্টার সদস্য হওয়ার নজির ‘না থাকার’ প্রসঙ্গে টেনে এ বিষয়ে সমালোচনা হওয়ার কথা বলেন এক সাংবাদিক।
এ প্রশ্নের উত্তরে কিছুটা থেমে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, “দুনিয়ার সব দেশে বিমান নাই।”