২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
নতুন ড্রোনটি আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে মিশে যাওয়ার জন্য কোনো স্বচ্ছ উপাদান ব্যবহার না করে নিজের ঘূর্ণন গতিকে কাজে লাগায়।
ড্রোন সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট নেটো, যেখানে যুক্তরাজ্য ড্রোন ও ড্রোন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার জন্য শত কোটি পাউন্ড বরাদ্দ করেছে।
রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এফএসবি জানায়, ড্রোনগুলো প্রথমে ইউক্রেইন সীমান্তের কাছে ব্রিয়ানস্ক অঞ্চলে ফেলা হয়েছিল। পরে সেগুলো উরাল পর্বতমালার চেলিয়াবিনস্ক এবং দূরপ্রাচ্যের আমুরে নেওয়া হয়।
রাশিয়ার মোতায়েন করা এ জ্যামিং সিস্টেম প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় স্টারলিংক সংযোগকে অস্থিতিশীল করে দেওয়ার মতো শক্তিশালী সিগনাল তৈরি করতে পারে।
কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের গ্রীষ্মকালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এর পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।
উচ্চ শক্তির জোগান ও শীতলীকরণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে ড্রোন-বিধ্বংসী বিভিন্ন লেজার আকারে বড় হয়, যা একজনের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
এ খাতে শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে, যার পরিধি কেবল সামরিক খাতেই সীমিত নেই, বরং জ্বালানি, শিপিং, ডেটা সেন্টার, হোটেল ও বিমানবন্দরের মতো বেসামরিক খাতেও বাড়ছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, এ ঘটনায় কেউ আঘাত পায়নি আর তারা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।