২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
উচ্চ শক্তির জোগান ও শীতলীকরণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে ড্রোন-বিধ্বংসী বিভিন্ন লেজার আকারে বড় হয়, যা একজনের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
এ খাতে শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে, যার পরিধি কেবল সামরিক খাতেই সীমিত নেই, বরং জ্বালানি, শিপিং, ডেটা সেন্টার, হোটেল ও বিমানবন্দরের মতো বেসামরিক খাতেও বাড়ছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, এ ঘটনায় কেউ আঘাত পায়নি আর তারা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার।
গত বছর মে মাসে চিরশত্রু পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষের পর ভারত এই সামরিক ড্রোন ক্রয়ের ওপর জোর দিল।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেইনের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে রাশিয়া।
ইউক্রেইন এর আগেও রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে দূরপাল্লার আক্রমণ চালিয়েছিল। তবে এ নতুন ড্রোনের হামলার পরিসর ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন পর্যায়ের’।
আবুধাবির আল-ধাফরা এলাকায় অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেনারেটরে ড্রোন আঘাত হানে। তাৎক্ষণিকভাবে হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি।