Published : 14 Feb 2023, 12:05 AM
ঢাকার ‘অভিজাত’ এলাকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন নালায় পয়োবর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম মাসখানেক আগে যে ‘কলাগাছ অভিযানে’ নামেন, তাতে কাজের কাজ কিছুই দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
এ অভিযানে যে বাড়ি থেকে পাইপে পয়োবর্জ্য নালায় আসছে, সেই পাইপের বাইরের দিকের মুখ কলা গাছ দিয়ে আটকে দেওয়া হচ্ছে। সোমবার পর্যন্ত ৪০ দিনের অভিযানে অবৈধ পয়োসংযোগ বন্ধ করা হয়েছে মাত্র ৩৬টি বাড়ির।
কিন্তু সংযোগ বন্ধ করতে দেওয়া কলাগাছ অভিযানের পরপরই সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অনেক বাড়িতে পয়োবর্জ্যের একাধিক সংযোগ থাকায় একটি বন্ধ করলেও অন্যটি দিয়ে বর্জ্য যাচ্ছে নিষ্কাশন নালায়। আবার এই নালার উপর ফুটপাত নির্মাণের সময় কংক্রিটের ঢালাই দেওয়ায় অবৈধ পয়োসংযোগ বন্ধ করাও কঠিন ঠেকছে নগর সংস্থার কর্মীদের।
ডিএনসিসি জানিয়েছে, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার ৩ হাজার ৮৩০টি ভবনে চালানো জরিপে দেখা গেছে- ভবনগুলোর মাত্র ৪১টি বাড়ির পয়োবর্জ্য সঠিকভাবে নিষ্কাশন করা হচ্ছে, যা শতকরা ১ দশমিক ০৭ শতাংশ।
৫২৪টি ভবনের পয়োবর্জ্য আংশিক শোধন করা হয়। ৩ হাজার ২৬৫টি অর্থাৎ ৮৫ দশমিক ২৪ শতাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্য ফেলা হচ্ছে পানি নিষ্কাশনের নালায়।

সেপটিক ট্যাংক বসাতে বাধ্য করতে গত ৪ জানুয়ারি অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। সেদিন গুলশানের দুটি বাড়ির পয়োবর্জ্যের পাইপে কলা গাছ ঢুকিয়ে সংযোগ বন্ধ করা হয়।
সেদিন আতিক বলেছিলেন, “যে কয়েকটা বাড়ির সুয়ারেজ লাইনে কলা গাছ ঢুকিয়েছি, তারা এখন পাগল হয়ে গেছে।”
এরপর এই অভিযান বারিধারা, বনানী এলাকাতেও বিস্তৃত হয়েছে। সম্প্রতি গুলশান ও বনানী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অভিযান শুরুর পর যেসব ভবনের পয়োসংযোগ বন্ধ করা হয়েছিল, তা আবার খুলে ফেলেছেন বাড়ির মালিকরা।
নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কলাগাছ দিয়ে পয়োসংযোগ বন্ধ করে দেওয়া কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। এটা হচ্ছে জাস্ট কিছু একটা করা, টেকসই কিছু না। ডিএনসিসি হয়ত অ্যাওয়ারনেস বাড়ানোর জন্যই করেছে।
“পাশাপাশি এটার সমাধানে একটা টাইমফ্রেম ঠিক করে দিতে হবে যে- এই সময়ের মধ্যে প্রত্যেক বাড়ির মধ্যে সেপটিক ট্যাংক করে নিতে হবে। কারণ ভবন মালিকরা কিন্তু সেপটিক ট্যাংকসহ ভবন করার জন্যই নকশা অনুমোদন করেছিলেন।”
তবে অভিযান বিফলে গেছে বলে মানতে নারাজ মেয়র আতিক। তার মূল্যায়ন, এর মাধ্যমে সবাইকে ‘একটি বার্তা’ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাড়ি মালিকরা পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সচেতন হচ্ছেন।
‘অন্তঃসারশূন্য’ অভিযান
গত মাসে বনানীর ১৭ নম্বর সড়কের বিটিএ টাওয়ারের অবৈধ পয়োসংযোগ বন্ধ করে দেয় ডিএনসিসি। তবে তাতে ওই ভবনের পয়োনিষ্কাশনে কোনো সমস্যাই হচ্ছে না।
গত বুধবার বিটিএ টাওয়ারের সামনে গিয়ে ড্রেনে দেওয়া পাইপের মুখ কলাগাছ দিয়ে আটকানো দেখা গেছে। এই ভবনের বর্জ্য কোথায় যায়, এ প্রশ্নের উত্তরে সেখানকার নিরাপত্তাকর্মী রাসেল বলেন, “আমাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না, বিল্ডিংয়ের ময়লা যাওয়ার আরেকটা লাইন আছে। সেইটা দিয়া ময়লা বাইর হচ্ছে।”

বনানীর ১৮ নম্বর সড়কের এ ব্লকের ১৬ নম্বর বাড়ির সংযোগও বন্ধ করা হয়েছিল গত মাসে। বুধবার সেখানে দেখা গেল, পাইপের মুখ থেকে কলাগাছ খুলে ফেলা হয়েছে, বর্জ্য পড়ছে নিষ্কাশন নালায়।
বাড়িটির তত্ত্বাবধায়ক শাহ জাহান বললেন, “বাড়ির ভেতরে পানি ভইরা গেছে। আমরা চিন্তা করলাম, পানি আটকাইল ক্যান। পরে দেহি- পাইপের মুখ কলাগাছ দিয়া আটকায়া দিছে! এজন্য কলাগাছ খুইলা দিছি। বন্ধ করার একদিন পরেই।”
তখন একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী বলেন, “আমরা এইখানে কলাগাছ ঢুকাইয়া দিয়া গেছিলাম। কিন্তু আইজ আইসা দেখি- খুইলা ফালাইছে।”
পয়োনালার সংযোগ বন্ধ করায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে ‘আফটার আওয়ার্স’ নামে একটি আবাসিক হোটেলের। ওই ভবনের পয়োনালার মুখ বন্ধ করে দিয়েছিল ডিএনসিসির কর্মীরা।
আফটার আওয়ার্সের বিক্রয় ব্যবস্থাপক ফখরুল আলম বিপু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এক মাস আগে তারা ভবনটি ভাড়া নিয়েছেন। পহেলা জানুয়ারি থেকে হোটেলটি চালু হয়েছে। ভবনের মালিক তাদের জানিয়েছেন, ভবনে সেপটিক ট্যাংক আছে।

“আমাদের কিচেনে পানি জমে আছে কয়েকদিন ধরে। কিন্তু কারণ খুঁজে বের করতে পারছি না। পরে দেখি এই অবস্থা।”
ফখরুল দাবি করেন, এই ভবনের সেপটিক ট্যাংক আছে, ভবনের উত্তর-পশ্চিম কোণে।
তবে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্ন কর্মীদের সঙ্গে সেখানে গেলে তারা পরীক্ষা করে জানান, এই ভবনে কোনো সেপটিক ট্যাংক নাই।
গুলশান ১১৮ নম্বর সড়কের সিইএ (বি) ১৪ নম্বর বাড়ির সংযোগ বন্ধ করা হয়েছিল। বে’স পামগ্রোভ নামে ওই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের বন্ধ করা সংযোগও খুলে দেওয়া হয়েছে। সরিয়ে ফেলা হয়েছে কলাগাছ। বর্জ্যও গিয়ে পড়ছে ডিএনসিসির নিষ্কাশন নালায়। বিষয়টি নিয়ে ওই ভবনের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
যোগাযোগ করা হলে বে ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের বিপণন কর্মকর্তা নির্মল রায় রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের কোনো ভবনে এমন হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি নিয়ে আমি আমাদের প্রকৌশল শাখায় কথা বলে দেখছি।”
১১৭ নম্বর সড়কের ৩৬ নম্বর বাড়ির অবৈধ সংযোগও বন্ধ করেছিল ডিএনসিসি। তবে সেটিও আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। এই বাড়িতে সেঞ্চুরি পার্ক নামে একটি আবাসিক হোটেলের কার্যক্রম চলছে।

রোববার গিয়ে দেখা গেছে, খুলে দেওয়া পাইপ দিয়ে বাড়ির পানি আসছে। সঙ্গে আসছে পয়োবর্জ্য।
ভবনটির ব্যবস্থাপক মওদুদ হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কলাগাছ আমরা কেউ সরাইনি। এটা এমনেই সরে গেছে হয়ত।”
ওই ভবনে সেপটিক ট্যাংক আছে কি না- এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমি এখানে নতুন জয়েন করেছি। খোঁজ নিয়ে বলতে পারব।”
সিটি করপোরেশন পয়োসংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পর ওয়াসার স্যুয়ারেজ লাইনে সংযোগ দিয়েছেন গুলশান ১১২ নম্বর সড়কের ১৪ নম্বর বাড়ির মালিক।
ওই বাড়ির ব্যবস্থাপক সন্তোষ কুমার দেব বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বললেন, “কলাগাছ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার পর বাড়ির বর্জ্য বের হতে পারছিল না। এজন্য আমরা পরিচ্ছন্নকর্মী এনে ওয়াসার স্যুয়ারেজ লাইনে সংযোগ দিয়ে দিয়েছি।”
ঢাকনায় বাধা অভিযান
ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মীরা জানিয়েছেন, পরিচ্ছন্নকর্মীরা নালার ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে গিয়ে পয়োবর্জ্যের সংযোগ দেখলে বন্ধ করেন। অনেক জায়গায় অবৈধ সংযোগ দেখলেও উপরে কংক্রিটের ঢালাই থাকায় সংযোগ বন্ধ করা যায় না।
বুধবার বনানী এলাকায় নালা পরিষ্কার এবং অবৈধ সংযোগ বন্ধ করছিলেন ডিএনসিসির পরিচ্ছন্ন কর্মীদের একটি দল।
নজরুল ইসলাম নামের একজন কর্মী বললেন, বেশিরভাগ জায়গায় ঢালাই করে ফেলায় তারা কেবল ঢাকনা সরিয়ে দেখেন কোনো অবৈধ সংযোগ আছে কি না। ঢাকনার কাছাকাছি সংযোগ থাকলে তা বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু ভেতরের দিকে হলে পারেন না।
“অনেক বাড়ির মালিক চালাকি কইরা ভিতরের দিকে পাইপ দিছে। এই পাইপ বন্ধ করতে হইলে আগে উপরের ঢালাই ভাঙতে হবে। এজন্য ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার অনুমতিও লাগে। এজন্য আমরা যেগুলো স্ল্যাবের (ঢাকনা) কাছাকাছি পাইতেছি, বন্ধ করতেছি।”
বর্জ্য যাওয়ার কথা কোথায়, যাচ্ছে কোথায়
একটি সড়কের দুপাশে ‘পাইপ ড্রেন’ থাকে। ওই দুটি ড্রেন থেকে বৃষ্টির পানি এবং গৃহস্থালির ব্যবহৃত পানি যায় সিটি করপোরেশনের স্টর্ম স্যুয়ার লাইনে। স্টর্ম স্যুয়ার লাইন হয়ে পানি বিভিন্ন লেক অথবা খালে গিয়ে পড়ে।
আর বাড়ির পয়োবর্জ্যের সংযোগ যাওয়ার কথা ঢাকা ওয়াসার পয়োলাইনে। সে লাইন হয়ে পয়োবর্জ্য চলে যাবে ঢাকা ওয়াসার পাগলা শোধনাগারে।
ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী, বাড়ির সংযোগ পয়োনালায় দিতে হবে। কোনো কারণে পয়োনালায় সংযোগ দিতে না পারলে সেপটিক ট্যাংকের মাধ্যমে বর্জ্য শোধন করতে হবে।
২০০৮ সালের ঢাকা ইমারত নির্মাণ বিধিমালার ৫৯ ধারার গ উপধারার ২ ও ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “যেখানে সরকারি পয়ঃপ্রণালীর ব্যবস্থা রয়েছে ইমারতের সমস্ত পয়ঃপ্রণালী এবং ময়লা পানি নির্গমণ পথ ইহার সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।

“যেইখানে কোনো সাধারণ পয়ঃপ্রণালী নাই অথবা থাকিলে কর্তৃপক্ষ যদি বহিঃনির্গমন পথসমূহকে তাহার সহিত সরাসরি সংযুক্ত হইতে না দেয় তাহা হইলে নির্দিষ্ট আকার এবং অবস্থানে সেপটিক ট্যাংক ব্যবহার করিয়া বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করিতে হইবে এবং সোক পিট ব্যবহার করিয়া নোংরা পানি নিষ্কাশন করিতে হইবে। এইক্ষেত্রে ইমারত নির্মাণ অনুমোদনের জন্য প্রস্তুতকৃত লে-আউট নকশায় সেপটিক ট্যাংক এবং সোক পিট এর অবস্থান প্রদর্শন করিতে হবে।”
গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় ঢাকা ওয়াসার পয়োনালা রয়েছে। তবে তা অনেক পুরোনো হওয়ায় ঠিকমতো কাজ করে না। বাড়িতে সেপটিক ট্যাংকও নাই। তাই বিভিন্ন বাড়ির মালিকরা পয়োসংযোগ দিয়েছেন ওয়াসার ‘পাইপ ড্রেনে’। সেই বর্জ্য গিয়ে পড়ছে লেক বা খালে।
ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরীফ-উল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কিছু বাড়ির পয়োসংযোগ বন্ধ করে সবাইকে একটি বার্তা দিতে চেয়েছেন। এ কারণে সব বাসার সংযোগ বন্ধও করা যাচ্ছে না।
“একটি বাড়ির পয়োসংযোগ মাসের পর মাস বন্ধ রাখাও কঠিন। এ কারণে মেয়র স্যার চলে আসার পর দেখা গেছে, দুয়েকদিন পর খুলে দিয়েছে।”
শরীফ-উল বলেন, পয়োসংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পর তারা ভালো সাড়া পেয়েছেন। বারিধারা সোসাইটি এরইমধ্যে ডিএনসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কীভাবে পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা যায়।
“উনারা ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বসাতে চান, এ ব্যাপারে আমাদের সহযোগিতা চাইছেন। আমরাও দেশের এবং বিদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, আগামী মাসে এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারব। ইচ্ছে করলে একটি বাড়িতে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বসানো যাবে। আবার দুই-তিনটি বাড়ি মিলেও এটা বসাতে পারেন।”
জানতে চাইলে গুলশান সোসাইটির সভাপতি এ টি এম শামসুল হুদা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সোসাইটি থেকেও বিভিন্ন সময় সেপটিক ট্যাংক করার জন্য বলা হয়ে থাকে।

“আমরা চিঠি পাঠিয়ে বাড়ি মালিকদের বলি যে- কমপ্লাই করেন। এর বাইরে আমাদের তো কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতা নেই। লোকবলও নাই যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা করব। কমপ্লাই না করলে তো ডিএনসিসি সংযোগ বন্ধ করবেই।”
অভিযান কতটা সফল হয়েছে, এ প্রশ্নের উত্তরে মেয়র আতিকুল ইসলাম সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এর মাধ্যমে সবাইকে একটি বার্তা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। অভিযান শুরুর পর বাড়ি মালিকরা পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সচেতন হচ্ছেন। কলাগাছ থেরাপি দিয়েছি বলেই উনারা আমাদের কাছে আসতে শুরু করেছেন।
“আজ (সোমবার) ডিওএইচএস সোসাইটি আমাদের সঙ্গে বসছেন, নিকেতন সোসাইটিও কথা বলেছেন। গুলশান, বনানী সোসাইটিও আসবেন, ডায়ালগ কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছে। উনারা ক্লাস্টারভিত্তিক ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বসানোর চিন্তা করছেন। আমাদের জায়গা দিতে বলেছেন। সরকার সবকিছু করে দিবে তা কিন্তু না, তারা তো তাদের বাড়ির বর্জ্য আমাদের নালায় ফেলতে পারেন না।”