১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনায় ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ করা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও সংসদে তুলে ধরেছেন তিনি।

শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনায় ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ করা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Jul 2026, 09:37 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:37 PM

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ গড়ে তুলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত তথ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও চাকরি পাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার টাঙ্গাইল-৬ আসনের এমপি রবিউল আওয়ালের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সেন্টার স্থাপিত হলে এর মাধ্যমে সারা দেশে বিদ্যমান অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক হবে।

“পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন হবে বলে আশা করছি।”

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার খোলার উদ্যোগসহ থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানে বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

“থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া ওই দেশের সরকারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। মালয়েশিয়া, ওমান, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বন্ধ থাকা/সংকুচিত শ্রমবাজার চালুকরণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সে দেশের চাহিদা নিরূপণ করে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর জন্য নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে সংসদে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা, কাতার ও বাংলাদেশের মধ্যে জয়েন্ট কমিটির সভা, এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে আরো চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নর্থ মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মরিশাস, পর্তুগালসহ ইউরোপের যেসব দেশে দক্ষ কর্মী পাঠানোর সুযোগ রয়েছে এবং ওই দেশগুলোর ভিসা সেন্টার বাংলাদেশে নেই, সেসব দেশের ভিসা সেন্টার ঢাকায় স্থাপনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে।

“আশা করি এটি বাস্তবায়ন করতে পারলে বিদেশে অধিক কর্মী পাঠানো আরো সহজ হবে।”

দক্ষিণ কোরিয়ায় মৌসুমী কর্মী পাঠাতে সে দেশের স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাজ চলার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বোয়েসেলের মাধ্যমে মৌসুমী কর্মী পাঠাতে শুরু হয়েছে।

জাপানের বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে জাপান সেল গঠন করা হয়েছে। এ সেলের সঙ্গে জাপানে কর্মী পাঠানো ৯৬টি সংগঠন, ২০০টির বেশি বেসরকারি জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ৬০টি ‘টিটিসি’ একক কাঠামোয় আনা হয়েছে।

“বিএমইটি এর আওতায় চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের ভাষা কোর্স চালু ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে ৬০টি টিটিসিতে জাপানিজ, ইংরেজি, চাইনিজ এবং কোরিয়ান ভাষা কোর্স পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ভাষা শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।”