Published : 05 Apr 2026, 06:00 PM
ইরান যুদ্ধের কারণে ভিন্ন বাস্তবায়তায় জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী রোববার সচিবালয়ের কর্মব্যস্ততা শেষ হল বিকাল ৪টায়।
এ দিন বিকাল পৌনে ৪টার দিকেই সচিবালয়ের প্রধান ফটকগুলো খুলে রাখতে দেখা যায়। তখন থেকেই ঘরে ফেরার তাড়ায় ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অফিস সূচি থাকবে বলে আগেই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের নতুন কর্মঘণ্টা বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার নেওয়া মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনে আকারে প্রকাশ করে।
সেখানে বলা হয়, জরুরি পরিষেবা নতুন সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে। আগের মত সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে শুক্র ও শনিবার।
সরকারি ও বেসরকারি অফিসে নতুন কর্মঘণ্টা নির্ধারণসহ বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ রাখা, সরকারি কেনাকাটায় কাটছাঁট এবং বিদেশে প্রশিক্ষণ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও রয়েছে।
তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রোববার বলেন, দোকান, মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।
তিনি বলেন, দোকান মালিক সমিতির আবেদন পুনর্বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে সরকারি অফিস-আদালতের ক্ষেত্রে এখনও নতুন কোনো নির্দেশনা মেলেনি।
রোজার কারণে সরকারি অফিস সকাল ৯টায় শুরু হয়ে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চলছিল। ঈদের দীর্ঘ এক সপ্তাহের ছুটি শেষে আগের সূচি অনুযায়ী ৯টা-৫টা অফিস শুরু হয়েছিল।
সেভাবেই কর্মঘণ্টা চলছিল সচিবালয়েও। জ্বালানি সংকটের ধাক্কায় রোববার থেকে এক ঘন্টা সময় কমিয়ে অফিস শুরু হল।
পুরনো খবর