Published : 07 Jul 2026, 05:34 PM
ম্যাচ শুরুর আগে তুমুল আলোচনায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারাইন বালোগনের লাল কার্ড স্থগিতের বিতর্কিত ইস্যুটি। কিন্তু মাঠে বেলজিয়ামের খেলায় এর প্রভাব দেখাই গেল না তেমন একটা। ম্যাচজুড়ে দাপুটে ফুটবলের পসরা মেলে, যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে দিল তারা। দলটির কোচ হুডি গাহসিয়া বললেন, ওই বির্তক তাদের কোনোকিছুতেই প্রভাব ফেলেনি।
শেষ ষোলোর লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেয় বেলজিয়াম। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ম্যাচে লাল কার্ড পাওয়ায়, এ ম্যাচে খেলার কথা ছিল না বালোগনের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করার পর বালোগনের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করে দেয় ফিফা। ফলে, বেলজিয়াম ম্যাচ খেলতে পারেন এই ফরোয়ার্ড, কিন্তু তিনি পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাতা হতে।
বালোগনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কড়া সমালোচনা করেছিলেন গার্সিয়া। বলেছিলেন, ফিফা সবাইকে বোকা বানিয়েছে। ম্যাচ শেষে অবশ্য বেলজিয়াম কোচ বললেন, বালোগনের ওই ইস্যুতে তার দল অনুপ্রাণিতও হয়নি, বিচলিতও হয়নি। খেলোয়াড়দেরও আলাদাভাবে উদ্দীপ্ত করতে এই বিতর্ক কাজে লাগানোর প্রয়োজনও পড়েনি তার।
“এগুলোর কোনো কিছুরই প্রয়োজন ছিল না (আমাদের অনুপ্রাণিত হতে)। আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। আমরা আধিপত্য করতে, প্রতিপক্ষের চাপ এড়াতে এবং উপরে উঠে আক্রমণাত্মক খেলতে চেয়েছিলাম। আমরা দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে খেলেছি। এটা আমাদের জন্য দারুণ একটি রাত এবং কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠা দারুণ ছিল।”
যাকে নিয়ে চার দিকে এত বিতর্কের ডামাডোল, সেই বালোগান ম্যাচ শেষে দেখা করতে আসেন গাহসিয়ার সাথে। বিষয়টি ভালো লেগেছে বেলজিয়াম কোচের।
“সে আমার সাথে কথা বলতে এসেছিল। বিষয়টি আসলেই ভালো লেগেছে আমার। তার কোনো দোষ ছিল না। তাকে দোষ দেওয়া যায় না এবং এটাই আমি তাকে বলেছিলাম। সে যে আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল, এটা আমার মনে ধরেছে।”
এই ম্যাচের আগে দুই দলের দেখা হয়েছিল গত মার্চে। সেই প্রীতি ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল। গার্সিয়ার মনে হচ্ছে, তিন মাস আগের ওই হার আটলান্টার ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের খেলায় রেখেছিল বিরূপ প্রভাব।
“ম্যাচের কিছু মুহূর্তে মনে হচ্ছিল, গত মার্চের ওই ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড়দের মাথায় ছিল।”