Published : 06 Jul 2026, 08:33 PM
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও পর্তুগাল।
ডালাসে শেষ ষোলোর ম্যাচটি শুরু হবে ৭ জুলাই ১টায় (এএম)।
তার আগে দেখে নেওয়া যাক কিছু পরিসংখ্যান:
৫
বড় টুর্নামেন্টে পর্তুগাল ও স্পেনের আগের পাঁচটি সাক্ষাতে কেউ এগিয়ে নেই- দুই দলই জিতেছে একবার করে এবং বাকি তিনটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
এর মধ্যে সবশেষ ২০১৮ বিশ্বকাপের ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়, যেখানে হ্যাটট্রিক করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দল দুটির সবশেষ নকআউট পর্বের লড়াই ছিল ২০১২ ইউরোর সেমি-ফাইনালে, গোলশূন্য ড্রয়ের পর স্পেন পেনাল্টিতে জিতে ফাইনালে উঠেছিল।
১২
তবে স্পেনের বিপক্ষে সবশেষ ১২টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মাত্র একটিতে জিততে পেরেছে পর্তুগাল (ছয় ড্র, পাঁচ হার), সেই জয়টি এসেছিল ২০ বছরের বেশি সময় আগে, ২০০৪ সালের ইউরোর গ্রুপ পর্বে ১-০ গোলে জিতেছিল পর্তুগিজরা।
অবশ্য ২০২৫ সালের জুনে উয়েফা নেশন্স লিগের ফাইনালে স্পেনকে হারানোর আত্মবিশ্বাস সঙ্গী থাকবে পর্তুগালের, ১২০ মিনিটে ২-২ ড্রয়ের পর পেনাল্টি শুটআউটে জিতেছিল তারা।
৪
এই প্রথম কোনো বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম চার ম্যাচে কোনো গোল হজম করেনি স্পেন। ২০০৬ সালে সুইজারল্যান্ডের পর বিশ্বকাপে টানা চার ম্যাচে ক্লিন শিট রাখা প্রথম ইউরোপিয়ান দল তারা।
৬
২০২২ সালে শেষ ষোলোয় পেনাল্টি শুটআউটে বিদায় নেওয়ার আগে মরক্কোকেও গোলশূন্য রেখেছিল স্পেন। পর্তুগালকেও গোল করা থেকে বিরত রাখতে পারলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা ছয় ম্যাচে ক্লিন শিট রাখার কৃতিত্ব অর্জন করবে স্প্যানিশরা।
৩৪
স্পেন তাদের সবশেষ ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত আছে (২৫ জয়, ৯ ড্র), যা ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের জুনের মধ্যে তাদের ইতিহাসের ৩৫ ম্যাচের দীর্ঘতম অপরাজেয় যাত্রার চেয়ে একটি কম। ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মধ্যে কেবল ইতালিই এর চেয়ে টানা বেশি ম্যাচ অপরাজিত থাকতে পেরেছে- ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের ৩৭ ম্যাচ।
১১
স্পেনের এই সাফল্যের বেশিরভাগই এসেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের কোচিংয়ে, যিনি বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে তার প্রথম ১১ ম্যাচে অপরাজিত আছেন (১০ জয়, এক ড্র) এবং এই সময়ে তার দল কেবল চারটি গোল হজম করেছে।
৪
চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার হাতছানি পর্তুগালের সামনে। এই লক্ষ্য পূরণ হলে প্রথমবার টানা দুই বিশ্বকাপে এই স্বাদ পাবে দলটি।
২০
পর্তুগালের জন্য দুর্ভাবনার কারণও আছে। ২০০৬ সালের পর থেকে তারা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচ জিততে পারেনি। ২০ বছর আগের ওই আসরে নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডকে হারানোর পর সেমি-ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল তারা।