১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসরায়েলে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো ভারী বোমার চালান

গাজার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই বোমা ব্যবহারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে- এমন আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলে বোমাটির রপ্তানি আটকে রেখেছিল।

ইসরায়েলে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো ভারী বোমার চালান
ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Feb 2025, 12:41 AM

Updated : 26 Aug 2026, 11:50 AM

যুক্তরাষ্ট্র থেকে  পাঠানো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের এমকে-৮৪ বোমার একটি চালান পৌঁছেছে ইসরায়েলে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার পূর্বসূরি জো বাইডেন প্রশাসনের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর এ চালান সেখানে গেল বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

ভারী এই বোমা পুরু কংক্রিট ও ধাতু ভেদ করতে পারে। এর বিস্ফোরণ ব্যাপক এলাকা জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো সম্ভব। ফিলিস্তিনের গাজা ভূখন্ডের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই বোমা ব্যবহারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে এমন আশঙ্কায় বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলে বোমাটি রপ্তানির অনুমোদন দেয়নি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলে হাজার হাজার ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা পাঠিয়েছিল। তবে পরে একটি চালান আটকে রাখে। গত মাসে ট্রাম্প এ চালানের ছাড়পত্র দেন।

শনিবার রাতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কাটজ বলেন, “আজ রাতে যে গোলাবারুদের চালান ইসরায়েলে এসেছে, সেটি ট্রাম্প প্রশাসনের পাঠানো। এগুলো বিমানবাহিনী ও আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী)-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী মিত্রতার আরেকটি প্রমাণ।’

গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকবে কি-না তা নিয়ে কয়েকদিনের উদ্বেগের পর বোমার চালানটি ইসরায়েলে গেল। হামাস ও ইসরায়েল দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলায় এবং হামাস জিম্মি মুক্তি দিতে অস্বীকার করায় যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে বসেছিল।

গাজায়  ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পরই যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে কয়েক কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র দেশ ইসরায়েল। ট্রাম্প ও বাইডেন দুজনই ইসরায়েলের সমর্থক।