Published : 08 Feb 2026, 06:42 PM
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে তার ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদের প্রথম বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন আগামী ১৯ ফেব্রয়ারিতে।
ট্রাম্প শুক্রবারেই এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য সব পক্ষকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন। বৈঠকটি হবে ওয়াশিংটনের পিস ইন্সটিটিউটে।
এই বৈঠকে অংশ নেবেন শান্তি বোর্ডে যোগ দিতে জানুয়ারিতে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করা বিশ্ব নেতারা-সহ গাজার নির্বাহী কমিটির সদস্যরা। এই কমিটি গাজায় শাসক্ষমতা, নিরাপত্তা এবং নতুন করে শুরু করা উন্নয়নকাজ তদারক করবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা শনিবার এ খবর জানিয়েছেন। তবে তারা বলছেন, বিশ্ব নেতাদের কয়জন ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের প্রথম বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।
এখন পর্যন্ত বিশ্ব নেতাদের অন্তত একজন বৈঠকে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন। তিনি হলেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবর্ন। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের একজন।
শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে ওসবর্ন ওয়াশিংটনে যাবেন বলে জানিয়েছেন। ট্রাম্প জানুয়ারির শেষ দিকে এই শান্তি পর্ষদ চালু শুরু করেন। তিনি এই পর্ষদের চেয়ারম্যান। তিনি বৈশ্বিক সংঘাত সমাধান করাও এ পর্ষদের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেছেন।
এতে বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে, এই শান্তি পর্ষদ জাতিসংঘের কার্যক্রমকে ক্ষুন্ন করতে পারে।
গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘ দুই বছরের যুদ্ধের পর সেখানকার ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শান্তি পর্ষদ বা বোর্ড অব পিস-কে।
ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এই বোর্ডের নির্বাহী কমিটিতে রয়েছেন।
অন্তত ৫০ টি দেশ এই পর্ষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে। এর মধ্যে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্রদেশগুলোও যেমন আছে তেমনি আছে শত্রুদেশ রাশিয়া এবং চীন।