১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কারা হাসপাতালে ঠাঁই পেলেন জিটিএ গেইমের হ্যাকার

লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে এ মামলার শুনানি চলেছে দীর্ঘ দুই মাস। রায়ের দিন শুনানি হয়েছে নয় ঘণ্টা ১৯ মিনিট, যেখানে কুর্তাজ ১২টি ভিন্ন অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Dec 2023, 04:14 PM

Updated : 26 Dec 2023, 07:37 PM

জনপ্রিয় গেইমিং ফ্রাঞ্চাইজ ‘গ্র্যান্ড থেফট অটো’র আসন্ন সংস্করণের ভিডিও ফাঁসকারী তরুণদের কারা হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের এক আদালত।

ফাঁসকারীদের একজন হলেন ১৮ বছর বয়সী আরিওন কুরতাজ। এ ছাড়া, আইনি কারণ দেখিয়ে ১৭ বছর বয়সী আরেক তরুণের নাম প্রতিবেদনে প্রকাশ করেনি বিবিসি।

মামলার রায়ে উল্লেখ রয়েছে, আসামীরা রাশিয়াপন্থী হ্যাকার দল ল্যাপসাসের জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ভূমিকা পালন করতেন।

এর মধ্যে কুরতাজকে ‘শুনানির অযোগ্য’ বলে ব্যাখ্যা করেন মনোচিকিৎসকরা। ফলে, মামলার জুরিকে কেবল সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা আছে কি না।

লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে এ মামলার শুনানি চলেছে দীর্ঘ দুই মাস। এ ছাড়া, রায় দেওয়ার দিন শুনানি হয়েছে নয় ঘণ্টা ১৯ মিনিট, যেখানে কুরতাজ ১২টি ভিন্ন অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

এর মধ্যে ছয়টি অভিযোগ ছিল, কম্পিউটারের কার্যক্রম ব্যহত করা, তিনটি ‘ব্ল্যাকমেইলিংয়ের’ ও দুটি জালিয়াতির। এ ছাড়া, দেশটির আইনের ধারা ৪৯ লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে কুর্তাজের বিরুদ্ধে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে নিজের মোবাইলের পাসওয়ার্ড দেননি তিনি।

মামলার রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, গেইমটির নির্মাতা রকস্টার গেইমসকেও ‘গেইমের চুরি করা সোর্স কোড ইন্টারনেট ফোরামে ফাঁস করে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।

কুরতাজ ও অভিযুক্ত অন্য তরুণের প্রথম হুমকি দেওয়ার ঘটনা নয় এটি। এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন চিপ জায়ান্ট এনভিডিয়ার কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন এ দুইজন। এমনটি না করলে ‘এনভিডিয়া কর্পোরেশনের মেধাভিত্তিক তথ্য’ অনলাইনে ফাঁস করার হুমকি দিয়েছিলেন তারা।

বৃহস্পতিবার মামলার রায়ে কুরতাজকে কারা হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ‘গিল্ডফোর্ড ক্রাউন কোর্ট’। এর মানে, ডাক্তাররা ‘বিপদমুক্ত’ ঘোষণা করার আগ পর্যন্ত তাকে সেখানেই থাকতে হবে।

কুর্তাজের পক্ষের আইনজীবি ডেভিড মিলার অভিযুক্ত তরুণদের ‘সবচেয়ে বিপথগামী কিশোর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন, যারা এমন দুটি শীর্ষ কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে, যাদের সমর্থন করছে এফবিআই, ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি, ইন্টারপোল ও লন্ডন পুলিশের মতো শীর্ষস্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। 

আরও পড়ুন:

পুরানো খবর:

জিটিএ ৬-এর ট্রেইলার ‘প্রকাশে বাধ্য হলো’ নির্মাতা রকস্টার

পুরানো খবর:

জিটিএ ৬-এর ভিডিও ফাঁসে হ্যাকারের লেগেছে স্রেফ টিভি রিমোট

পুরানো খবর:

উবার, জিটিএ হ্যাকার কিশোরের লন্ডনে বিচার শুরু

পুরানো খবর:

‘জিটিএ ৬ গেইমপ্লে’র ৯০টি ভিডিও ঘুরছে অনলাইনে!